নাইজেরিয়ার গত এক বছরে সেনাবাহিনীর অভিযানে ১৩ হাজারের বেশি সন্ত্রাসী নিহত হয়েছে বলে জানিয়েছেন দেশটির প্রেসিডেন্ট বোলা আহমেদ টিনুবু।
শুক্রবার (১২ জুন) কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আল জাজিরার এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়।
জাতির উদ্দেশে দেওয়া ভাষণে প্রেসিডেন্ট টিনুবু বলেন, ২০২৩ সালে দায়িত্ব গ্রহণের পর থেকে সশস্ত্র বিদ্রোহীদের বিরুদ্ধে লড়াইয়ে সহিংসতার মাত্রা ৮১ শতাংশ কমেছে।
তিনি আরও জানান, ২০২৩ সাল থেকে চালু থাকা ‘অপারেশন সেফ করিডোর’ কর্মসূচির আওতায় এখন পর্যন্ত ১ লাখ ২৪ হাজারের বেশি সন্ত্রাসী অস্ত্র সমর্পণ করেছে। এই কর্মসূচির মাধ্যমে স্বেচ্ছায় অস্ত্র সমর্পণ এবং সংশ্লিষ্টদের পুনর্বাসন কার্যক্রম পরিচালিত হচ্ছে।
নাইজেরিয়ার ‘গণতন্ত্র দিবস’ উপলক্ষে দেওয়া এই ভাষণে দেশটির সাম্প্রতিক নিরাপত্তা পরিস্থিতি নিয়েও কথা বলেন প্রেসিডেন্ট। ১৯৯৯ সালে সামরিক শাসনের অবসান ঘটিয়ে গণতন্ত্র পুনঃপ্রতিষ্ঠার স্মরণে দেশটিতে এই দিনটি পালন করা হয়।
আল জাজিরার প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, আফ্রিকার দ্বিতীয় বৃহত্তম অর্থনীতির দেশ নাইজেরিয়া বর্তমানে ক্রমবর্ধমান নিরাপত্তা সংকটের মধ্য দিয়ে যাচ্ছে। আল কায়েদা ও ইসলামিক স্টেট-সংশ্লিষ্ট সশস্ত্র গোষ্ঠীগুলোর পাশাপাশি বিভিন্ন অপরাধী চক্র মুক্তিপণের জন্য অপহরণ কার্যক্রম চালিয়ে যাচ্ছে। স্কুল, গির্জা ও মসজিদসহ বিভিন্ন স্থাপনাও এসব হামলার ঝুঁকিতে রয়েছে।
শুরুতে এসব সশস্ত্র গোষ্ঠীর কার্যক্রম উত্তরাঞ্চলে সীমাবদ্ধ থাকলেও এখন তারা ঘন বনাঞ্চল ব্যবহার করে দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলেও হামলা বিস্তৃত করেছে।
সরকারি কর্মকর্তারা বলছেন, সেনাবাহিনীর চলমান অভিযানের কারণে এসব গোষ্ঠী তাদের পুরোনো ঘাঁটি ছেড়ে নতুন এলাকায় অবস্থান গড়ে তুলছে।
সূত্র: আল জাজিরা

সর্বশেষ খবর পেতে রুপালী বাংলাদেশের গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন