× UCB Sticker Card
শুক্রবার, ১২ জুন, ২০২৬

ফেসবুক


ইউটিউব


টিকটক

Rupali Bangladesh

ইনস্টাগ্রাম

Rupali Bangladesh

এক্স

Rupali Bangladesh


লিংকডইন

Rupali Bangladesh

পিন্টারেস্ট

Rupali Bangladesh

গুগল নিউজ

Rupali Bangladesh


হোয়াটস অ্যাপ

Rupali Bangladesh

টেলিগ্রাম

Rupali Bangladesh

মেসেঞ্জার গ্রুপ

Rupali Bangladesh


En Bn

বিশ্ব ডেস্ক

প্রকাশিত: জুন ১২, ২০২৬, ০৭:৪৯ পিএম

ইরান-আমেরিকার চুক্তির টেবিলে রয়েছে যেসব বিষয়

বিশ্ব ডেস্ক

প্রকাশিত: জুন ১২, ২০২৬, ০৭:৪৯ পিএম

ছবি : সংগৃহীত

ছবি : সংগৃহীত

আগামী রোববার ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে একটি সম্ভাব্য যুদ্ধবিরতি চুক্তি হতে পারে বলে কূটনৈতিক মহলে আলোচনা চলছে। চুক্তিটি কোথায় স্বাক্ষরিত হতে পারে, তা নিয়েও জল্পনা-কল্পনা রয়েছে। প্রাথমিকভাবে সুইজারল্যান্ডের জেনেভার নাম সামনে এসেছে। ধারণা করা হচ্ছে, সম্ভাব্য এই চুক্তি সেখানেই সম্পন্ন হতে পারে। তবে এখনো কোনো পক্ষই চূড়ান্ত অনুমোদন নিশ্চিত করেনি। ইরানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এই খবরকে ‘জল্পনা’ বলে অভিহিত করেছে।

এদিকে সম্ভাব্য চুক্তির বিষয়বস্তু কী হতে পারে, তা নিয়েও আন্তর্জাতিক কূটনৈতিক মহলে ব্যাপক আলোচনা চলছে। বিভিন্ন সূত্রের বরাতে কয়েকটি সম্ভাব্য বিষয় সামনে এসেছে।

কী নিয়ে এই সম্ভাব্য চুক্তি?

আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যম রয়টার্স ও সিএনএন-এর প্রতিবেদনে কূটনৈতিক সূত্রের বরাতে বলা হয়েছে, প্রস্তাবিত সমঝোতার মূল কাঠামোতে কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় থাকতে পারে—

১. ৬০ দিনের যুদ্ধবিরতি : চুক্তি স্বাক্ষরের পর লেবাননসহ বিভিন্ন সংঘাতপূর্ণ এলাকায় ৬০ দিনের যুদ্ধবিরতি কার্যকর হতে পারে। এতে আঞ্চলিক সংঘর্ষ কিছুটা স্থিতিশীল হওয়ার সম্ভাবনা তৈরি হবে।

২. হরমুজ প্রণালি পুনরায় খোলা : ইরান কোনো অতিরিক্ত শর্ত ছাড়াই কৌশলগত জলপথ স্ট্রেইট অব হরমুজ পুনরায় খুলে দিতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে। এতে বৈশ্বিক জ্বালানি ও বাণিজ্য প্রবাহ স্বাভাবিক হতে পারে।

৩. নিষেধাজ্ঞা শিথিলের ইঙ্গিত : চুক্তির অগ্রগতির ভিত্তিতে যুক্তরাষ্ট্র ইরানের কিছু বন্দরের ওপর থেকে অবরোধ শিথিল করতে পারে এবং সীমিত নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহারের পথ খুলে যেতে পারে।

৪. পারমাণবিক কর্মসূচি নিয়ন্ত্রণ : ইরান পারমাণবিক অস্ত্র অর্জন করবে না—এই অঙ্গীকার চুক্তির মূল অংশ হিসেবে থাকতে পারে। পাশাপাশি উচ্চমাত্রায় সমৃদ্ধ ইউরেনিয়ামের মজুদের ওপর নিয়ন্ত্রণের ব্যবস্থাও থাকতে পারে।

৫. আঞ্চলিক সংঘাত প্রসারিত শর্ত : ইরানের দাবি অনুযায়ী, সমঝোতার অংশ হিসেবে শুধু যুক্তরাষ্ট্র নয়, লেবাননের সংঘাত (বিশেষ করে হিজবুল্লাহ-সংক্রান্ত সংঘর্ষ) বন্ধের বিষয়টিও অন্তর্ভুক্ত থাকতে পারে।

রাজনৈতিক ও কূটনৈতিক প্রেক্ষাপট

এই সম্ভাব্য চুক্তি নিয়ে আন্তর্জাতিক অঙ্গনে মিশ্র প্রতিক্রিয়া দেখা যাচ্ছে। যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প দাবি করেছেন, যুক্তরাষ্ট্র ‘ইরানের সঙ্গে যুদ্ধের অবসান ঘটিয়েছে’।

এদিকে সম্ভাব্য এই চুক্তিতে যুক্তরাষ্ট্রের ভাইস প্রেসিডেন্ট জে. ডি. ভ্যান্সের অংশ নেওয়ার কথা শোনা যাচ্ছে। তিনিই নাকি ইরান–আমেরিকা যুদ্ধবিরতি চুক্তিতে যুক্তরাষ্ট্রের পক্ষে স্বাক্ষর করবেন।

কিছু সূত্র বলছে, এই সমঝোতা হলে এটি সাময়িকভাবে উত্তেজনা কমানোর একটি ‘অন্তর্বর্তীকালীন কাঠামো’ হিসেবে কাজ করবে।

ইরানের অবস্থান

যুদ্ধবিরতিতে যুক্তরাষ্ট্র বরাবরই সম্মতি জানিয়ে আসছে। তবে ইরান জানিয়েছে, যুক্তরাষ্ট্র তাদের শর্ত না মানলে কোনো চুক্তিতে পৌঁছাবে না। সেই ধারাবাহিকতায় এখনো তারা কোনো চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত দেয়নি। ফলে চলমান এই সংঘাতের ইতি এখনো ঘটেনি।

ইরানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র জানিয়েছেন, এখনো কোনো চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত হয়নি এবং চুক্তি নিয়ে প্রচারিত তথ্য ‘শুধু অনুমাননির্ভর’।

এছাড়া আরও একটি বড় অনিশ্চয়তা হলো—ইরানের জব্দকৃত শত শত কোটি ডলারের সম্পদ ফেরত দেওয়া হবে কি না—সে বিষয়ে এখনো কোনো স্পষ্ট সিদ্ধান্ত জানা যায়নি।

Link copied!