দলীয় নেতাকে পিটিয়ে আহত করার প্রতিবাদে ও দোষীদের গ্রেপ্তারের দাবিতে থানা চত্বরে বিক্ষোভ করেছেন পাবনা-৩ আসনের সংসদ সদস্য মাওলানা আলী আছগার।
বৃহস্পতিবার (২১ মে) রাতে পাবনার ভাঙ্গুড়া থানা চত্বরে এই ঘটনা ঘটে। এর আগে পাবনার ভাঙ্গুড়ায় পূর্ব বিরোধকে কেন্দ্র করে জিল্লুর রহমান নামে এক জামায়াত নেতাকে পিটিয়ে আহত করা হয়। বৃহস্পতিবার রাতে ভাঙ্গুড়ার খানমরিচ কালিনজিরা ব্রিজের ওপর এ হামলার ঘটনা ঘটে।
আহত জিল্লুর রহমান ভাঙ্গুড়া উপজেলার দাসমরিচ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষক এবং ওই গ্রামের নজির উদ্দিনের ছেলে। তিনি উপজেলা জামায়াতে ইসলামীর কর্মপরিষদ সদস্য ও সাবেক ইউনিয়ন জামায়াতের সেক্রেটারি। এ ঘটনায় আহত জিল্লুর রহমানের ভাই হাছেন প্রামাণিক বাদী হয়ে থানায় মামলা দায়ের করেছে।
মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা ভাঙ্গুড়া থানার এসআই আলামিন হোসাইন জানান, দাসমরিচ এলাকার নিষিদ্ধ ঘোষিত আওয়ামী লীগ সমর্থিত আয়নাল গংদের সাথে জামায়াত নেতা জিল্লুর পূর্ব বিরোধ ছিল। সেই বিরোধের জের বৃহস্পতিবার সকালে জিল্লুর রহমানের কথা-কাটাকাটি হয়। রাতে জিল্লুর বাড়ি ফিরছিলেন রাত ৮টার দিকে সে কালিনজিরা ব্রিজের ওপর পৌছালে তার হামলা চালানো হয়।
এতে জিল্লুর গুরুত্বর আহত হয়। স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যায়। সেখানে তার অবস্থার অবনতি হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাঁকে রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে স্থানান্তর করেন।
এদিকে দলীয় নেতার ওপর হামলার খবর শুনে রাত ১০টার দিকে স্থানীয় সংসদ সদস্য মাওলানা আলী আছগারের নেতৃত্বে নেতাকর্মীরা থানা চত্বরে গিয়ে বিক্ষোভ করেন।
ভাঙ্গুড়া থানার ওসি সাকিউল আজম বলেন, ঘটনার পরপরই পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে। এ ঘটনায় রাতেই থানায় মামলা দায়ের হয়েছে। পুলিশ অভিযান চালিয়ে ঘটনার সাথে জড়িত দুইজনকে গ্রেপ্তার করেছে। গ্রেপ্তারকৃতরা হলো দাসমরিচ এলাকার আয়নাল (৬৫) ও তার ছেলে হাফিজুর রহমান (২২)।
গ্রেপ্তারকৃতদের আদালতের মাধ্যমে জেল হাজতে পাঠানো হয়েছে বলে জানান তিনি।
-20260522150917.webp)

