ঢাকা বৃহস্পতিবার, ০৪ জুন, ২০২৬

৬৫ বছর পূর্তিতে উৎসবমুখর ঘিলাছড়া স্কুল ক্যাম্পাস

স্টাফ রিপোর্টার, সিলেট
প্রকাশিত: জানুয়ারি ১১, ২০২৬, ০৯:২১ পিএম
ঘিলাছড়া দ্বিমুখী উচ্চ বিদ্যালয়ের ৬৫ বছরপূর্তি উপলক্ষে পুনর্মিলনী। ছবি- রূপালী বাংলাদেশ

সিলেটের ফেঞ্চুগঞ্জ উপজেলার ঐতিহ্যবাহী ঘিলাছড়া দ্বিমুখী উচ্চ বিদ্যালয়ের ৬৫ বছর পূর্তি উপলক্ষে প্রাক্তন ও বর্তমান শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের অংশগ্রহণে বর্ণাঢ্য পুনর্মিলনী অনুষ্ঠান (নীলা জয়ন্তী) সফলভাবে অনুষ্ঠিত হয়েছে। রোববার (১১ জানুয়ারি) এই বছরপূর্তির পুনর্মিলনী আয়োজন সম্পন্ন হয়।

বিদ্যালয়ের প্রতিষ্ঠালগ্ন থেকে বর্তমান সময় পর্যন্ত শিক্ষা, সংস্কৃতি ও সামাজিক অঙ্গনে অবদান রাখা শিক্ষক, শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণে বিদ্যালয় প্রাঙ্গণটি পরিণত হয় আনন্দঘন ও প্রাণবন্ত এক মিলনমেলায়।

দুদিনব্যাপী আয়োজিত এই অনুষ্ঠানে ছিল রেজিস্ট্রেশন কার্যক্রম, র‍্যালি ও শোভাযাত্রা, আলোচনা সভা, স্মৃতিচারণ, ফ্রি মেডিক্যাল ক্যাম্প, মনোজ্ঞ সাংস্কৃতিক পরিবেশনা এবং বিভিন্ন আনন্দঘন কর্মসূচি। এসব আয়োজনে অংশ নিয়ে আবেগ ও উচ্ছ্বাসে মেতে ওঠেন প্রাক্তন ও বর্তমান শিক্ষার্থীরা।

উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সিলেট শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যান প্রফেসর আনোয়ার চৌধুরী। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন: সিলেট অঞ্চলের মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা আঞ্চলিক উপ-পরিচালক আবু সাঈদ মো. আব্দুল ওয়াদুদ, ফেঞ্চুগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. আতিকুল গণি এবং যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্কের ব্রঙ্কস বাংলাদেশ সোসাইটির উপদেষ্টা আব্দুর রব (দলা মিয়া)।

সমাপনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সিলেট সরকারি মহিলা কলেজের সাবেক অধ্যক্ষ প্রফেসর মুহাম্মদ হায়াতুল ইসলাম আকঞ্জি। বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন ফেঞ্চুগঞ্জ ডিগ্রি কলেজের সাবেক অধ্যক্ষ কবি কালাম আজাদ, বিদ্যালয়ের প্রাক্তন শিক্ষার্থী ও বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগে নবনিযুক্ত আইনজীবী ব্যারিস্টার আব্দুল হালিম কাফি, সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান সাইফুল্লাহ আল হোসাইনসহ অন্যান্য বিশিষ্ট ব্যক্তিবর্গ।

৬৫ বছরপূর্তি ও পুনর্মিলনী উদযাপন কমিটির সভাপতি সিলেট শিক্ষা বোর্ডের সাবেক চেয়ারম্যান প্রফেসর মো. জাকির আহমদ এবং সাধারণ সম্পাদক মো. আব্দুল কাদির জিল্লা জানান, দেশ-বিদেশে অবস্থানরত বিপুলসংখ্যক প্রাক্তন শিক্ষার্থী নীলা জয়ন্তী অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণ করেন। এই আয়োজনের মাধ্যমে বিদ্যালয়ের সঙ্গে প্রাক্তন শিক্ষার্থীদের সম্পর্ক আরও সুদৃঢ় হয়েছে। পাশাপাশি সমাজের বিভিন্ন ক্ষেত্রে প্রতিষ্ঠিত প্রাক্তন শিক্ষার্থীরা বিদ্যালয় ও এলাকার শিক্ষার মানোন্নয়নে সক্রিয় ভূমিকা রাখার অঙ্গীকার ব্যক্ত করেন।