× UCB Sticker Card
বৃহস্পতিবার, ০৪ জুন, ২০২৬

ফেসবুক


ইউটিউব


টিকটক

Rupali Bangladesh

ইনস্টাগ্রাম

Rupali Bangladesh

এক্স

Rupali Bangladesh


লিংকডইন

Rupali Bangladesh

পিন্টারেস্ট

Rupali Bangladesh

গুগল নিউজ

Rupali Bangladesh


হোয়াটস অ্যাপ

Rupali Bangladesh

টেলিগ্রাম

Rupali Bangladesh

মেসেঞ্জার গ্রুপ

Rupali Bangladesh


En Bn

রূপালী সাহিত্য

প্রকাশিত: ফেব্রুয়ারি ২৪, ২০২৬, ১০:৩২ পিএম

মেলায় আসছে ফকির শাহিন শাহ্’র তৃতীয় কাব্যগ্রন্থ- ‘আয়ুর সমান দূরে’

রূপালী সাহিত্য

প্রকাশিত: ফেব্রুয়ারি ২৪, ২০২৬, ১০:৩২ পিএম

ছবি : রূপালী বাংলাদেশ

ছবি : রূপালী বাংলাদেশ

বাংলা একাডেমি আয়োজিত অমর একুশে বইমেলা ২০২৬ উপলক্ষে প্রকাশিত হয়েছে কবি ও গীতিকার ফকির শাহিন শাহ্-এর তৃতীয় কাব্যগ্রন্থ ‘আয়ুর সমান দূরে’। বই চত্বর পাবলিকেশন থেকে বইটি প্রকাশিত হয়েছে। বইটির প্রচ্ছদ করেছেন চিত্রশিল্পী আর. করিম।

নিজের প্রকাশিত কাব্যগ্রন্থ সম্পর্কে ফকির শাহিন শাহ্ বলেন, এই কবিতার বইটি পাঠককে সবচেয়ে বেশি যে বিষয়টি শিখাবে তা হলো— ভাঙন লজ্জার নয়, ভাঙনই মানুষকে সত্য করে। আমি যন্ত্রণা দেখিয়ে করুণা চাইনি; আমি যন্ত্রণা দেখিয়ে চেতনা জাগিয়েছি। এখানে চেতনা মানে কোনো স্লোগান বা উচ্চস্বরে প্রতিবাদ নয়। এই বইয়ে চেতনা হলো নিজের কষ্টকে বোঝার সাহস, অন্যের কষ্টকে অগ্রাহ্য না করার ক্ষমতা। আমি যন্ত্রণা দেখিয়ে মানুষকে কাঁদাতে চাইনি; আমি যন্ত্রণা দেখিয়ে মানুষকে জাগাতে চেয়েছি— যাতে সে প্রশ্ন করে, নিজেকে দেখে, দায় নেয়। এই চেতনা মানুষকে ভাঙে না; এই চেতনা মানুষকে আরও মানুষ করে তোলে।

সংক্ষেপে বললে, ‘আয়ুর সমান দূরে’ বইটিতে আমি দেখিয়েছি— ভাঙন দুর্বলতা নয়, ভাঙনই মানুষের সত্য পরিচয়। এই বই কষ্টকে অভিযোগ বানায় না, কষ্টকে বোধে রূপ দেয়। এই বই মানুষের জন্য প্রয়োজন, কারণ এটি একা থাকা মানুষকে বলে, “তুমি একা নও।” এ বইয়ে মানুষকে তিনটি স্তরে দেখিয়েছি— শূন্যতা, বিরহ এবং বোধ। শূন্যতা এখানে অভাব নয়, বরং প্রস্তুতির জায়গা। তাই পাখি উড়তে শূন্যতা চায়; মানুষও ভেঙে না পড়লে নিজেকে চিনতে পারে না। বিরহকে আমি শুধু কষ্ট বলিনি, আমি তাকে দৃষ্টি বানিয়েছি।

বিচ্ছেদের পর বোবা হয়ে জন্মানো মানুষ, বিরহে ত্রিনয়ন জাগ্রত মানুষ— এই দুই-ই বলে দেয়, কষ্ট মানুষের ভাষা কেড়ে নেয় ঠিকই, কিন্তু বদলে দেয় দেখার ক্ষমতা। এই লেখাগুলো প্রেমকে রোমান্টিক করে না, বরং নৈতিক করে তোলে। কাউকে এমন কিছু না দেওয়া, যা পেলে নিজে কষ্ট পাই- এটাই প্রেমের সবচেয়ে কঠিন শর্ত। তাই ভালোবাসা এখানে অনুভূতি নয়, দায়িত্ব।

আমি বারবার বলেছি, মানুষ দেখা যায় না আয়নায়। মানুষ থাকে মানুষে; ছবিও কাঁদে অবহেলায়। অর্থাৎ মানুষ মানে শরীর নয়, মানুষ মানে যত্ন। সবচেয়ে তীব্র জায়গা হলো- ভালোবাসা আছে, ভালোবাসার স্বাধীনতা নেই।

আমি আমার পাঠকদের ভালোবাসি, যেমন ভালোবাসেন পিতা তার সন্তানকে। কবির সন্তানই তো পাঠক; তারাই তো আমার ভিটায় বাতি জ্বালাবে, আগামীতেও জ্বালবে। তাই আমার বইয়ের কোনো বিশেষ লাইন যদি আমার পাঠকের মন-মস্তিষ্ক কিংবা ইটের কোনো দেয়ালে লিখে রাখার যোগ্য হয়ে ওঠে, তাহলেই বইটির স্বার্থকতা।

Link copied!