ঢাকা রবিবার, ১৪ জুন, ২০২৬

মধুমাস উদযাপন উপলক্ষে ‘জ্যৈষ্ঠের রাঙা সকাল’ শীর্ষক সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান

রূপালী ডেস্ক
প্রকাশিত: জুন ১৪, ২০২৬, ০৮:২৭ পিএম
ছবি : সংগৃহীত

মধুমাস আমাদের সংস্কৃতির এক অপরূপ অংশ। এটি যেন প্রকৃতির ভালোবাসায় মোড়া এক প্রেমপত্র, যা আসে প্রতি বছর বৃষ্টির ছায়ায়। আমাদের উচিত এই সময়টাকে আনন্দ উল্লাসে উপভোগ করা। বাংলা বছরের এক অনন্য ঋতু: বর্ষাকাল। আর এই বর্ষাকালেই যখন প্রকৃতি ভরে ওঠে সবুজে, পাখির কলতানে আর প্রেম-ভেজা আবহে, তখনই আসে মধুমাস। এটি শুধু ঋতুর বদল নয়, বরং আমাদের হৃদয়েরও এক নতুন জাগরণ। ধারার বুকে চলছে এখন ফলের মধুমাস, সংস্কৃতি অঙ্গনে তাই বেড়েছে উল্লাস।

মধুমাসের এই আবহকে সংস্কৃতিতে ছড়িয়ে দেয়ার লক্ষ্যে বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমির সহযোগিতায় এবং বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমি কর্মচারী ইউনিয়নের তত্ত্বাবধানে ৩১ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ, ১৪ জুন ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ রোববার সকালে বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমির জাতীয় চিত্রশালা মিলনায়তনে আম, জাম, লিচুর ঘ্রাণে, এসো মিলি সংস্কৃতির প্রাণে নাচে-গানে ‘জ্যৈষ্ঠের রাঙা সকাল’ শীর্ষক সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান আয়োজন করেছে ‘সৃজনশীল সাংস্কৃতিক ঐক্য’।

অনুষ্ঠানে সৃজনশীল সাংস্কৃতিক ঐক্য এর সভাপতি এস এম সালাউদ্দিন এর সভাপতিত্বে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমির সচিব মোহাম্মদ জাকির হোসেন এবং স্বাগত বক্তব্য প্রদান করেন সৃজনশীল সাংস্কৃতিক ঐক্য এর সাধারণ সম্পাদক মুহাম্মদ সাইদুর রহমান এবং ধন্যবাদ জ্ঞাপন করেন সংগঠনের সহসভাপতি মোহাম্মদ মোফাজ্জাল হোসেন এবং সহসাধারণ সম্পাদক আবু জাফর।

আলোচনা শেষে বর্ণাঢ্য সাংস্কৃতিক পরিবেশনায় আজ কেন মোর প্রাণ সজনী গো, আমার মন করে উতলা গানে সমবেত নৃত্য পরিবেশন করে বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমির নৃত্যশিল্পী লায়লা ইয়াসমিন লাবন্য, রুহী আফসানা দিপ্তী, শাহনাজ শারমিন অনন্যা, সুমাইতাহ তাবাসসুম খানম, মিফতাহুল বিনতে মাসুক এবং মার্শিয়া লায়লা জেবিন তুলি।

সঙ্গীত পরিবেশন করেন একাডেমির সচিব মোহাম্মদ জাকির হোসেন, শিল্পী হিরক সরদার, রাফি তালুকদার, রোকসানা আক্তার রূপসা, সোহানুর রহমান, উপপরিচালক এস এম শামীম আক্তার এবং আবৃত্তি করেন কোর্স-কো-অর্ডিনেটর কামরুন্নাহার সৃষ্টি। যন্ত্রে সহযোগিতা করেন শিল্পী কফিল উদ্দিন মাহমুদ, তুষার কান্তি, অভিষেক বিশ্বাস এবং নারায়ন দেব লিটন। অনুষ্ঠান শেষে অতিথিবৃন্দ, সকল শিল্পী ও সংগঠনের সবাই মিলে আম, কালাঠ, জাম, লিচু, আনারসসহ দেশীয় ফলের উপস্থাপন ঘুরে দেখেন এবং খাওয়া-দাওয়া করেন।