× UCB Sticker Card
বৃহস্পতিবার, ০৪ জুন, ২০২৬

ফেসবুক


ইউটিউব


টিকটক

Rupali Bangladesh

ইনস্টাগ্রাম

Rupali Bangladesh

এক্স

Rupali Bangladesh


লিংকডইন

Rupali Bangladesh

পিন্টারেস্ট

Rupali Bangladesh

গুগল নিউজ

Rupali Bangladesh


হোয়াটস অ্যাপ

Rupali Bangladesh

টেলিগ্রাম

Rupali Bangladesh

মেসেঞ্জার গ্রুপ

Rupali Bangladesh


En Bn

রূপালী প্রতিবেদক

প্রকাশিত: ডিসেম্বর ২৮, ২০২৫, ০৭:৩৩ পিএম

হঠাৎ সদরঘাট থেকে লঞ্চ চলাচল বন্ধের ঘোষণা

রূপালী প্রতিবেদক

প্রকাশিত: ডিসেম্বর ২৮, ২০২৫, ০৭:৩৩ পিএম

সদরঘাট লঞ্চ টার্মিনাল।

সদরঘাট লঞ্চ টার্মিনাল।

ঘনকুয়াশার কারণে রোববার (২৮ ডিসেম্বর) সন্ধ্যা হতে রাজধানীর সদরঘাট থেকে চাঁদপুরসহ দক্ষিণাঞ্চলে সব ধরনের যাত্রীবাহী লঞ্চ চলাচল বন্ধ রয়েছে।

সন্ধ্যায় নৌ-চলাচলের বিশেষ বিজ্ঞপ্তিতে এ কথা জানিয়েছে বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌপরিবহন কর্তৃপক্ষ (বিআইডব্লিউটিএ)। দেশের অন্যান্য অঞ্চলেও লঞ্চ বন্ধের নির্দেশনা দিয়েছে সংস্থাটি।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, ঘনকুয়াশার কারণে রোববার রাতে চাঁদপুর ও দক্ষিণাঞ্চলে সব ধরনের যাত্রীবাহী লঞ্চ চলাচল বন্ধ থাকবে। আর যেসব লঞ্চ নির্দিষ্ট গন্তব্যের উদ্দেশ্যে পথে রয়েছে তাদেরসহ অন্যান্য নৌযানকে ‘অভ্যন্তরীণ নৌ চলাচল অধ্যাদেশ, ১৯৭৬’ মোতাবেক চলাচলের নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।

এদিকে হঠাৎ করে লঞ্চ বন্ধের ঘোষণা দেওয়ায় সদরঘাটে অনেক যাত্রী ভোগান্তিতে পড়েছেন বলে জানিয়েছেন সংশ্লিষ্টরা।

ঢাকা নদী বন্দরের (সদরঘাট) যুগ্ম পরিচালক (নৌ-নিরাপত্তা ও ট্রাফিক) মুহম্মদ মোবারক হোসেন গণমাধ্যমকে বলেন, ‘সন্ধ্যার পর ঘনকুয়াশা পড়েছে। বুড়িগঙ্গা নদীতেই খানিক দূরে কিছু দেখা যাচ্ছে না। বড় নদীগুলোর মধ্যে তো কুয়াশা আরও বেশি। এ অবস্থায় লঞ্চ চালানো খুবই ঝুঁকিপূর্ণ। বিকেল সাড়ে ৫টার পরই আমরা লঞ্চ চলাচল বন্ধ করে দিয়েছি। আগামীকাল কুয়াশা না কাটা পর্যন্ত লঞ্চ চলাচল বন্ধ থাকবে।’

সদরঘাটে দায়িত্ব পালনকারী বিআইডব্লিউটিএর সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, বরিশালসহ দক্ষিণাঞ্চলে চলাচলকারী যাত্রীবাহী লঞ্চগুলো সাধারণত সন্ধ্যার পরে ছেড়ে যায়। রোববার সন্ধ্যার পর যে এত কুয়াশা পড়বে সেই তথ্য তাদের কাছে ছিল না। আবহাওয়া অধিদপ্তরের কাছ থেকে আগে থেকে সেই তথ্য তারা পাননি।

ঘনকুয়াশার কারণে গত বৃহস্পতিবার রাতে চাঁদপুরে মেঘনা নদীতে দুই লঞ্চের সংঘর্ষে চার জন নিহত হন। তাই ঘনকুয়াশা থাকা অবস্থায় লঞ্চ চলাচলের অনুমতি দিয়ে ঝুঁকি নিতে রাজি নন বিআইডব্লিউটিএর কর্মকর্তারা।

Link copied!