× UCB Sticker Card
বৃহস্পতিবার, ০৪ জুন, ২০২৬

ফেসবুক


ইউটিউব


টিকটক

Rupali Bangladesh

ইনস্টাগ্রাম

Rupali Bangladesh

এক্স

Rupali Bangladesh


লিংকডইন

Rupali Bangladesh

পিন্টারেস্ট

Rupali Bangladesh

গুগল নিউজ

Rupali Bangladesh


হোয়াটস অ্যাপ

Rupali Bangladesh

টেলিগ্রাম

Rupali Bangladesh

মেসেঞ্জার গ্রুপ

Rupali Bangladesh


En Bn

রূপালী ডেস্ক

প্রকাশিত: জানুয়ারি ৬, ২০২৬, ০৩:২৩ পিএম

আয়েশার বাবার নির্দেশে ধর্ষণের পর হত্যা, আসামির স্বীকারোক্তি

রূপালী ডেস্ক

প্রকাশিত: জানুয়ারি ৬, ২০২৬, ০৩:২৩ পিএম

আসামি রুবেল প্যাদা। ছবি : সংগৃহীত

আসামি রুবেল প্যাদা। ছবি : সংগৃহীত

পটুয়াখালীর রাঙ্গাবালী উপজেলায় ১১ বছরের শিশু আয়শাকে ধর্ষণ ও শ্বাসরোধে হত্যাকাণ্ডের প্রধান আসামি রুবেল প্যাদাকে (৩৫) কারাগারে পাঠানো হয়েছে। 

সোমবার (৫ জানুয়ারি) আসামি রুবেল সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দেন। পরে তাকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন বিচারক।

এর আগে রোববার (৪ জানুয়ারি) সন্ধ্যায় নিজ বসতঘরের রান্নাঘর থেকে শিশুটির বস্তাবন্দি মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। সোমবার রাত ৯টায় অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ক্রাইম অ্যান্ড অপস) মোহাম্মদ সাজেদুল ইসলাম সংবাদ বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে এসব তথ্য জানান।

রাঙ্গাবালী থানার ওসি সিরাজুল ইসলাম বলেন, সোমবার আসামি রুবেল প্যাদাকে আদালতে তোলা হলে সে শিশুটিকে ধর্ষণের পর শ্বাসরোধ করে হত্যার কথা স্বীকার করেন। আসামি আদালতে আরও স্বীকার করেন, শিশুটির বাবা বাবুল প্যাদার নির্দেশে তিনি হত্যাকাণ্ড ঘটিয়েছেন। শিশুটির বাবাকেও গ্রেপ্তার করা হয়েছে।

ওসি বলেন, নিহত শিশুটির মা দীর্ঘদিন বিদেশে আছেন। মায়ের অবর্তমানে বাবা তার (নিহত শিশু) সমবয়সি এক মেয়ের সঙ্গে অবৈধ সম্পর্কে জড়িয়ে পড়েন। এসব ঘটনা দেখে শিশুটি তার বড় বোনকে জানায়। তখন পরিবারে কলহ দেখা দেয়। বিষয়টি গোপন রাখতে তার বাবা আত্মীয় রুবেল প্যাদার সঙ্গে মেয়েকে মেরে ফেলার পরিকল্পনা করেন। হত্যার আগে দুজনের মধ্যে আর্থিক লেনদেনও হয়।

ওসি আরও বলেন, গত শুক্রবার সন্ধ্যার দিকে আসামি রুবেল প্যাদা ঘরে ঢুকে শিশুটিকে ধর্ষণের পর শ্বাসরোধে হত্যা করেন। পরে একটি বস্তায় ভরে রান্নাঘরের পাশে রাখেন। মেয়ে নিখোঁজের নাটক সাজিয়ে থানায় জিডি করেন বাবা। এসব কথা আদালত ও পুলিশের কাছে আসামি রুবেল প্যাদা স্বীকার করেছেন। 

এ ঘটনায় ভুক্তভোগীর বড় বোন বাদী হয়ে তাদের বাবা ও রুবেলকে আসামি করে মামলা করেন। বাবাকেও গ্রেপ্তার করা হয়েছে। আজ মঙ্গলবার তাকে আদালতে তোলা হবে। তবে তদন্তের স্বার্থে এখনই সব প্রকাশ করা যাচ্ছে না।

নিহত শিশুটির শারীরিক পরীক্ষা করা পটুয়াখালী ২৫০ শয্যা হাসপাতালের চিকিৎসা কর্মকর্তা সেঁজুতি সরকার বলেন, গতকাল সোমবার শিশুটির শারীরিক পরীক্ষা করেছেন তারা। শরীরের একাধিক স্থানে আঘাতের চিহ্ন পাওয়া গেছে। শিশুটির মরদেহ কিছু গলে যাওয়ায় ধর্ষণের বিষয়টি প্রাথমিকভাবে শনাক্ত করা যায়নি। ডিএনএ পরীক্ষায় বাকিটা নিশ্চিত হওয়া যাবে।

রূপালী বাংলাদেশ

Link copied!