× UCB Sticker Card
বৃহস্পতিবার, ০৪ জুন, ২০২৬

ফেসবুক


ইউটিউব


টিকটক

Rupali Bangladesh

ইনস্টাগ্রাম

Rupali Bangladesh

এক্স

Rupali Bangladesh


লিংকডইন

Rupali Bangladesh

পিন্টারেস্ট

Rupali Bangladesh

গুগল নিউজ

Rupali Bangladesh


হোয়াটস অ্যাপ

Rupali Bangladesh

টেলিগ্রাম

Rupali Bangladesh

মেসেঞ্জার গ্রুপ

Rupali Bangladesh


En Bn

রূপালী প্রতিবেদক

প্রকাশিত: ফেব্রুয়ারি ২০, ২০২৬, ০২:৩৭ পিএম

রোজার শুরুতেই ফলের বাজারে অস্থিরতা

রূপালী প্রতিবেদক

প্রকাশিত: ফেব্রুয়ারি ২০, ২০২৬, ০২:৩৭ পিএম

ফলের বাজার। ছবি : সংগৃহীত

ফলের বাজার। ছবি : সংগৃহীত

পবিত্র রমজান শুরু হতেই রাজধানীর ফলের বাজারে দামের অস্বাভাবিক ঊর্ধ্বগতি দেখা গেছে। রোজার আগে যে ফল সাধারণ মানুষের নাগালের মধ্যে ছিল, মাত্র ১০ দিনের ব্যবধানে সেগুলোর দাম কয়েক গুণ বেড়েছে। ইফতারের প্রধান উপকরণ খেজুর থেকে শুরু করে আঙুর, আনার, আপেলসব ধরনের ফলের দামই এখন চড়া।

শুক্রবার (২০ ফেব্রুয়ারি) সকালে রাজধানীর খিলগাঁওয়ের তালতলা বাজার ও আশপাশের এলাকা ঘুরে ক্রেতা-বিক্রেতাদের সঙ্গে কথা বলে এমন চিত্র পাওয়া গেছে। সকাল হওয়ায় ভিড় তুলনামূলক কম থাকলেও ফলের দাম শুনে অনেক ক্রেতার মধ্যে ক্ষোভ ও বিস্ময় দেখা গেছে।

বাজারে সবচেয়ে বেশি দামে বিক্রি হচ্ছে মেডজুল খেজুর প্রতি কেজি ১ হাজার ৫০০ থেকে ১ হাজার ৬০০ টাকা। মরিয়ম খেজুর ১ হাজার ২০০ থেকে ১ হাজার ২৫০ টাকা, কালমি ৮০০ থেকে ৯০০ টাকা, সুকারি ৮০০ টাকা এবং মিনিফি খেজুর ৬০০ থেকে ৭০০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।

খেজুরের পরেই দামের দিক থেকে শীর্ষে রয়েছে আনার মানভেদে প্রতি কেজি ৫০০ থেকে ৬২০ টাকা। কালো আঙুর ৬০০ টাকা এবং সবুজ আঙুর ৪৬০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে।

এ ছাড়া গ্রিন আপেল ও ড্রাগন ফল ৪২০ টাকা, ফুজি আপেল ও নাশপাতি ৪০০ টাকা, কমলা ৩৬০ থেকে ৪০০ টাকা এবং মালটা ৩৫০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে।

তুলনামূলক কম দামের ফলের মধ্যে পেঁপে ১৬০ থেকে ১৮০ টাকা, বরই ১২০ থেকে ১৬০ টাকা, পেয়ারা ১২০ থেকে ১৫০ টাকা এবং বেল ১২০ থেকে ১৫০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে।

দেশি ফলের সরবরাহ থাকলেও রমজান উপলক্ষে এগুলোর দামও আগের তুলনায় বেড়েছে বলে জানান ক্রেতারা। ডজনপ্রতি সবরি ও সাগর কলা ১৫০ থেকে ১৮০ টাকা এবং চম্পা কলা ১০০ থেকে ১২০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।

ক্রেতা শাহনাজ পারভিন বলেন, মাসের শুরুতে গ্রিন আপেল কিনেছি ৩২০ টাকায়, এখন ৪২০ টাকা চাচ্ছে। রোজা এলেই ব্যবসায়ীরা দাম বাড়ায়।

আরেক ক্রেতা আশিকুর রহমান জানান, কয়েক দিনের ব্যবধানে সবুজ আঙুরের দাম ৩৩০ টাকা থেকে বেড়ে ৪৬০ টাকা হওয়া সাধারণ মানুষের জন্য কষ্টকর।

দামের ঊর্ধ্বগতি নিয়ে তালতলা বাজারের ফল বিক্রেতা আব্দুর জালিল বলেন, তারা বাদামতলী পাইকারি আড়ত থেকে ফল কিনে আনেন। পাইকারিতে দাম বাড়লে খুচরা বাজারেও প্রভাব পড়ে। সীমিত লাভেই বিক্রি করি। অনেক সময় ফল নষ্ট হলে সেই ক্ষতিও আমাদের বহন করতে হয়, যোগ করেন তিনি।

অন্য বিক্রেতারা জানান, আমদানি ব্যয় বৃদ্ধি ও রমজানে বাড়তি চাহিদাই দামের প্রধান কারণ। তাদের দাবি, বাজারে প্রতিদিন দামের তারতম্য থাকে, যা নিয়ন্ত্রণ করা কঠিন।

রূপালী বাংলাদেশ

Link copied!