× UCB Sticker Card
মঙ্গলবার, ২১ জুলাই, ২০২৬

ফেসবুক


ইউটিউব


টিকটক

Rupali Bangladesh

ইনস্টাগ্রাম

Rupali Bangladesh

এক্স

Rupali Bangladesh


লিংকডইন

Rupali Bangladesh

পিন্টারেস্ট

Rupali Bangladesh

গুগল নিউজ

Rupali Bangladesh


হোয়াটস অ্যাপ

Rupali Bangladesh

টেলিগ্রাম

Rupali Bangladesh

মেসেঞ্জার গ্রুপ

Rupali Bangladesh


En Bn

রূপালী প্রতিবেদক

প্রকাশিত: জুলাই ২০, ২০২৬, ০৬:৫১ পিএম

নতুন পে-স্কেল কেন স্থগিত করতে চায় আইএমএফ?

রূপালী প্রতিবেদক

প্রকাশিত: জুলাই ২০, ২০২৬, ০৬:৫১ পিএম

ছবি : সংগৃহীত

ছবি : সংগৃহীত

দেশের বর্তমান অর্থনৈতিক পরিস্থিতি বিবেচনায় সরকারি চাকরিজীবীদের জন্য নতুন পে-স্কেল বাস্তবায়ন আপাতত স্থগিত রাখার পরামর্শ দিয়েছে আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিল (আইএমএফ)। যদিও সরকারের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, বাজেটে ঘোষিত সিদ্ধান্ত অনুযায়ী নতুন পে-স্কেল বাস্তবায়ন থেকে সরে আসার সুযোগ নেই।

অর্থ মন্ত্রণালয় সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, আইএমএফের বাংলাদেশ ও হংকংবিষয়ক মিশনপ্রধান ইভো ক্রজনারের নেতৃত্বে একটি ফ্যাক্ট-ফাইন্ডিং মিশন গত ১২ থেকে ১৬ জুলাই ঢাকা সফর করে। সফরকালে তারা অর্থ বিভাগ, অর্থনৈতিক সম্পর্ক বিভাগ (ইআরডি), বাংলাদেশ ব্যাংক, জাতীয় রাজস্ব বোর্ডসহ (এনবিআর) বিভিন্ন সংস্থার সঙ্গে বৈঠক করে।

বৈঠকে আইএমএফ নতুন পে-স্কেলের অগ্রগতি ও এর সম্ভাব্য আর্থিক প্রভাব সম্পর্কে জানতে চায়। জবাবে অর্থ বিভাগ জানায়, গত ১২ বছর ধরে সরকারি চাকরিজীবীদের জন্য কোনো নতুন পে-স্কেল ঘোষণা করা হয়নি। এ সময়ে জীবনযাত্রার ব্যয় উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়ে যাওয়ায় নতুন বেতন কাঠামো বাস্তবায়নের বিকল্প নেই।

অর্থ বিভাগ জানায়, পূর্ণাঙ্গভাবে নতুন পে-স্কেল বাস্তবায়নে প্রায় এক লাখ কোটি টাকা প্রয়োজন হতে পারে। তবে এটি একবারে নয়, দুই ধাপে বাস্তবায়নের পরিকল্পনা রয়েছে। ফলে শুরুতেই পুরো অর্থের প্রয়োজন হবে না।

আলোচনায় আইএমএফের পক্ষ থেকে বলা হয়, সরকার যখন নতুন ঋণের জন্য সংস্থাটির সহায়তা চাইছে, তখন বড় আকারের ব্যয় বৃদ্ধি আর্থিক চাপ বাড়াতে পারে। নতুন পে-স্কেল বাস্তবায়নের ফলে সরকারের ঋণের প্রয়োজন আরও বাড়তে পারে। এ কারণে বাস্তবায়ন কিছু সময়ের জন্য স্থগিত রাখা সম্ভব কি না, সে বিষয়ে জানতে চায় আইএমএফ।

জবাবে অর্থ বিভাগ জানায়, সরকার নীতিগতভাবে জুলাই থেকে নতুন পে-স্কেল কার্যকরের সিদ্ধান্ত নিয়েছে এবং বাজেটেও এ ঘোষণা দেওয়া হয়েছে। ফলে সরকারি চাকরিজীবীদের মধ্যে এ বিষয়ে প্রত্যাশা তৈরি হয়েছে। তাই এখন বাস্তবায়ন স্থগিত করা সম্ভব নয়।

নাম প্রকাশ না করার শর্তে অর্থ বিভাগের এক কর্মকর্তা বলেন, আইএমএফ সরাসরি পে-স্কেল স্থগিতের কথা বলেনি। তবে আলোচনায় তারা এ সিদ্ধান্ত নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছে। বিশেষ করে বাস্তবায়নে প্রয়োজনীয় অর্থের উৎস এবং এর ফলে মূল্যস্ফীতির ওপর সম্ভাব্য প্রভাব সম্পর্কে বিস্তারিত জানতে চেয়েছে।

অর্থ বিভাগের মতে, নতুন পে-স্কেল বাস্তবায়নের ফলে মূল্যস্ফীতির ওপর সাময়িক চাপ তৈরি হতে পারে। ২০১৫ সালে সর্বশেষ পে-স্কেল কার্যকরের সময়ও এমন প্রভাব দেখা গিয়েছিল, যদিও তা প্রায় তিন মাস স্থায়ী ছিল।

বর্তমানে মূল্যস্ফীতি ৯ শতাংশের বেশি থাকায় এবার এর প্রভাব ছয় থেকে সাত মাস পর্যন্ত থাকতে পারে। এরপর পরিস্থিতি ধীরে ধীরে স্বাভাবিক হবে বলে সরকারের ধারণা। এ বিষয়ে প্রস্তুত করা একটি বিশ্লেষণপত্রও আইএমএফ প্রতিনিধিদলের কাছে উপস্থাপন করেছে অর্থ বিভাগ।

Link copied!