× UCB Sticker Card
মঙ্গলবার, ২১ জুলাই, ২০২৬

ফেসবুক


ইউটিউব


টিকটক

Rupali Bangladesh

ইনস্টাগ্রাম

Rupali Bangladesh

এক্স

Rupali Bangladesh


লিংকডইন

Rupali Bangladesh

পিন্টারেস্ট

Rupali Bangladesh

গুগল নিউজ

Rupali Bangladesh


হোয়াটস অ্যাপ

Rupali Bangladesh

টেলিগ্রাম

Rupali Bangladesh

মেসেঞ্জার গ্রুপ

Rupali Bangladesh


En Bn

ধর্ষণ ও হত্যা মামলায়  ফটিকের মৃত্যুদণ্ড 

জীবননগর (চুয়াডাঙ্গা) প্রতিনিধি

প্রকাশিত: জুলাই ২১, ২০২৬, ০৩:৩৮ এএম

ধর্ষণ ও হত্যা মামলায়  ফটিকের মৃত্যুদণ্ড 

চুয়াডাঙ্গার জীবননগর উপজেলার গোয়ালপাড়া গ্রামের ১০ বছর বয়সি ছাত্রী মরিয়ম খাতুনকে ধর্ষণ ও হত্যা মামলায় একমাত্র আসামি আবুল হোসেন ওরফে ফটিককে মৃত্যুদ- দিয়েছেন আদালত। একই সঙ্গে তাকে ২ লাখ টাকা অর্থদ- করা হয়েছে। গতকাল সোমবার চুয়াডাঙ্গার নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক মোক্তাগীর আলম এ রায় ঘোষণা করেন। রায় ঘোষণার পর কঠোর পুলিশ পাহারায় দ-প্রাপ্ত আসামিকে কারাগারে পাঠানো হয়। আদালত ৩১ জন সাক্ষীর সাক্ষ্য, আসামির ফৌজদারি কার্যবিধির ১৬৪ ধারায় দেওয়া স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি, ডিএনএ পরীক্ষার প্রতিবেদন এবং মামলার অন্যান্য তথ্য-প্রমাণ পর্যালোচনা করে এ রায় দেন।

মামলার নথি অনুযায়ী, ২০২৩ সালের ২১ ডিসেম্বর সকাল থেকে মরিয়ম খাতুন তার ছোট বোন আছিয়া খাতুন ও প্রতিবেশী কয়েক শিশুর সঙ্গে উপজেলার হাঁড়িভাঙ্গা মাঠে শাক তুলতে যায়। এ সময় এক ব্যক্তি মরিয়মকে শাক তুলে দেওয়ার প্রলোভন দেখিয়ে পাশের একটি ভুট্টাখেতে নিয়ে যায়। দীর্ঘ সময় পর ওই ব্যক্তি একাই ফিরে এলে মরিয়মের বিষয়ে সন্দেহ সৃষ্টি হয়। পরে পরিবারের সদস্য ও স্থানীয়রা আলী হোসেনের ভুট্টাখেত থেকে মরিয়মের গলা কাটা মরদেহ উদ্ধার করেন।

ঘটনার পর মরিয়মের বাবা ইকবাল হোসেন জীবননগর থানায় অজ্ঞাতনামা ব্যক্তিদের আসামি করে হত্যা মামলা দায়ের করেন। তদন্ত শেষে ২০২৪ সালের ৩১ অক্টোবর জীবননগর থানার উপপরিদর্শক (এসআই) সাইফুল ইসলাম গয়েশপুর গ্রামের আবু তাহের মোল্লার ছেলে আবুল হোসেন ওরফে ফটিককে একমাত্র আসামি করে আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করেন।

মামলা চলাকালে আসামি আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দেন। এ ছাড়া ডিএনএ পরীক্ষার প্রতিবেদনে তার সম্পৃক্ততার প্রমাণ পাওয়া যায় বলে আদালতে উপস্থাপন করা হয়।

গত বুধবার যুক্তিতর্ক উপস্থাপন শেষে আদালত সোমবার রায় ঘোষণার দিন নির্ধারণ করেন। সাক্ষ্য-প্রমাণ, চার্জশিট, ডিএনএ প্রতিবেদন এবং মামলার অন্যান্য উপস্থাপিত তথ্য পর্যালোচনা শেষে আদালত আসামিকে মৃত্যুদ- ও অর্থদ-ের আদেশ দেন।

রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী অ্যাডভোকেট শাহজাহান মুকুল রায়ের প্রতিক্রিয়ায় বলেন, রাষ্ট্রপক্ষ সর্বোচ্চ শাস্তির আবেদন করেছিল এবং আদালত তা মঞ্জুর করেছেন। এই রায়ের মাধ্যমে ভুক্তভোগী পরিবারের ন্যায়বিচার নিশ্চিত হয়েছে বলে তিনি মন্তব্য করেন। আসামিপক্ষে রাষ্ট্রনিযুক্ত আইনজীবী (স্টেট ডিফেন্স) হিসেবে অ্যাডভোকেট ওহিদুজ্জামান মুকুল মামলা পরিচালনা করেন।
 

রূপালী বাংলাদেশ

Link copied!