পবিত্র ঈদুল ফিতরকে সামনে রেখে রাজধানীসহ সারাদেশে জমে উঠেছে বাহারি সেমাইয়ের বাজার। বাঙালির চিরচেনা ঐতিহ্যের অংশ এই মুখরোচক খাবারের দাম এবার খুব একটা না বাড়ায় সাধারণ ক্রেতাদের মধ্যে স্বস্তি দেখা গেছে। বাজারে পর্যাপ্ত সরবরাহ ও বিক্রি ভালো হওয়ায় খুশি বিক্রেতারাও।
ঈদের আনন্দ মানেই বাহারি সেমাইয়ের সমাহার। বাঙালি মুসলমানের ঈদ উদযাপনে এই খাবারটি অবিচ্ছেদ্য অংশ। ঈদের আগ মুহূর্তে রাজধানাীর বিভিন্ন বাজার ঘুরে দেখা যায়, পাড়া-মহল্লার ছোট দোকান থেকে শুরু করে বড় শপিং মলগুলোতে এখন শুধু সেমাইয়ের রাজত্ব। ক্রেতাদের ভিড় সামলাতে রীতিমতো হিমশিম খাচ্ছেন বিক্রেতারা।
বিক্রেতাদের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, বাজারে এখন প্যাকেটজাত ও খোলা—উভয় ধরনের সেমাইয়ের চাহিদাই তুঙ্গে। ৪৫০ গ্রাম ওজনের প্যাকেটজাত লাচ্ছা সেমাই মানভেদে ১৮০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।
অন্যদিকে, খোলা লাচ্ছা সেমাই প্রতি কেজি বিক্রি হচ্ছে ২০০ টাকায়। এছাড়া ঐতিহ্যবাহী চিকন লাল সেমাই মানের ওপর ভিত্তি করে ১৮০ থেকে ২২০ টাকা দরে বিক্রি হতে দেখা গেছে।
ব্যবসায়ীরা আরও জানিয়েছেন, বাজারে কোনো পণ্যের ঘাটতি নেই।
খুচরা ব্যবসায়ীরা জানান, ঈদ উপলক্ষে সেমাইয়ের পাশাপাশি চিনি, গুঁড়ো দুধ, কিসমিস ও আলু বোখারার চাহিদাও বহুগুণ বেড়েছে। এসব পণ্যের দাম মাসখানেক আগে থেকেই কিছুটা বাড়তি থাকলেও, ঈদের আগ মুহূর্তে নতুন করে আর বাড়ার সম্ভাবনা নেই।


