× UCB Sticker Card
বৃহস্পতিবার, ০৪ জুন, ২০২৬

ফেসবুক


ইউটিউব


টিকটক

Rupali Bangladesh

ইনস্টাগ্রাম

Rupali Bangladesh

এক্স

Rupali Bangladesh


লিংকডইন

Rupali Bangladesh

পিন্টারেস্ট

Rupali Bangladesh

গুগল নিউজ

Rupali Bangladesh


হোয়াটস অ্যাপ

Rupali Bangladesh

টেলিগ্রাম

Rupali Bangladesh

মেসেঞ্জার গ্রুপ

Rupali Bangladesh


En Bn

সিলেট ব্যুরো

প্রকাশিত: মে ১৫, ২০২৬, ০৯:৪৭ পিএম

চামড়া শিল্পের জন্য সুখবর দিলেন বাণিজ্যমন্ত্রী

সিলেট ব্যুরো

প্রকাশিত: মে ১৫, ২০২৬, ০৯:৪৭ পিএম

কথা বলেন বাণিজ্যমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির। ছবি : সংগৃহীত

কথা বলেন বাণিজ্যমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির। ছবি : সংগৃহীত

চামড়া শিল্পের জন্য সুখবর দিয়েছেন বাণিজ্যমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির। তিনি প্রত্যয় ব্যক্ত করেছেন, এ শিল্পকে দেশের অন্যতম প্রধান বিলিয়ন ডলারের রপ্তানি আয়কারী খাত হিসেবে গড়ে তোলা হবে।

শুক্রবার (১৫ মে) দুপুরে সিলেটে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি বলেন, বাংলাদেশের চামড়া খাতের বিদ্যমান দুর্বলতাগুলো ইতোমধ্যে চিহ্নিত করা হয়েছে। এ শিল্পের উন্নয়নের লক্ষ্যে সংশ্লিষ্ট অংশীজনদের সঙ্গে একাধিকবার ফলপ্রসূ আলোচনা সম্পন্ন হয়েছে। তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন, প্রয়োজনীয় সংস্কারের মাধ্যমে এ খাত আন্তর্জাতিক বাজারে বাংলাদেশের শক্তিশালী অবস্থান নিশ্চিত করবে।

এর আগে নগরীর রিকাবীবাজারস্থ জিমনেসিয়াম হলে আয়োজিত বিভাগীয় পর্যায়ের ৪৭তম জাতীয় বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি সপ্তাহ-২০২৬-এর উদ্বোধনী মেলায় প্রধান অতিথির বক্তব্য দেন বাণিজ্য, শিল্প, বস্ত্র ও পাটমন্ত্রী।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে সরকারের সীমাবদ্ধতা ও ভবিষ্যৎ পরিকল্পনার কথা তুলে ধরে তিনি বলেন, বর্তমান সরকারের বয়স মাত্র আড়াই মাস। এ স্বল্প সময়ে বড় কোনো আমূল পরিবর্তন সম্ভব না হলেও দীর্ঘমেয়াদি সংস্কারের কাজ পুরোদমে চলছে।

তিনি চামড়া শিল্পের উন্নয়নে জনসাধারণের কাছে কিছুটা সময় প্রার্থনা করেন এবং পর্যায়ক্রমে এ খাতের উন্নতির প্রতিফলন দৃশ্যমান হবে বলে আশ্বস্ত করেন।

শিল্প রক্ষায় জনসচেতনতার ওপর গুরুত্ব দিয়ে তিনি বলেন, চামড়া দেশের একটি অমূল্য সম্পদ। এটি যেন কোনোভাবেই অপচয় বা নষ্ট না হয়, সেদিকে সবার সজাগ দৃষ্টি রাখা প্রয়োজন। সম্পদ সংরক্ষণে প্রত্যেককে নিজ নিজ অবস্থান থেকে দায়িত্বশীল আচরণ করার আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, সম্পদের সীমাবদ্ধতার মধ্যে কোনো ধরনের অপচয় কাম্য নয়।

বন্ধ হয়ে যাওয়া কলকারখানা পুনরায় চালুর বিষয়েও অনুষ্ঠানে আশার বাণী শোনানো হয়। জানানো হয়, দেশের শিল্প খাতে— বিশেষ করে বন্ধ কলকারখানাগুলোতে— বিনিয়োগের ব্যাপারে চীন সরকার ও বিনিয়োগকারীরা গভীর আগ্রহ প্রকাশ করেছেন। বর্তমান সরকার এ শিল্পগুলোকে সুশৃঙ্খল পর্যায়ে নিয়ে আসার কাজ করছে এবং খুব শিগগিরই কাজের অগ্রগতি-সংক্রান্ত একটি প্রতিবেদন জনগণের সামনে তুলে ধরা হবে।

কলকারখানাগুলো পুনরায় সচল করার মাধ্যমে দেশের অর্থনীতিতে নতুন গতি সঞ্চার হবে বলেও অনুষ্ঠানে উল্লেখ করা হয়।

উদ্বোধনী অনুষ্ঠান শেষে প্রধান অতিথি মেলার বিভিন্ন স্টল পরিদর্শন করেন এবং সিলেট বিভাগের বিভিন্ন জেলা থেকে আগত ক্ষুদে শিক্ষার্থীদের উদ্ভাবনী প্রকল্পগুলো ঘুরে দেখেন। তিনি শিক্ষার্থীদের সঙ্গে সরাসরি কুশল বিনিময় করেন এবং তাদের সৃজনশীল চিন্তাধারা ও উদ্ভাবন নিয়ে আলোচনা করে উৎসাহ দেন।

তিনি বলেন, বিজ্ঞান ও প্রযুক্তির প্রসারে এ ধরনের আয়োজন তরুণ প্রজন্মকে আগামীর চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় দক্ষ করে তুলবে।

সিলেট বিভাগীয় কমিশনার মো. মশিউর রহমানের সভাপতিত্বে আয়োজিত উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সিলেট-৩ আসনের সংসদ সদস্য মোহাম্মদ আব্দুল মালিক, সিলেটের জেলা প্রশাসক মো. সারওয়ার আলম এবং সিলেট সিটি করপোরেশনের প্রশাসক আব্দুল কাইয়ুম চৌধুরী।

এ ছাড়া উপস্থিত ছিলেন শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. এ এম সরওয়ারউদ্দীন চৌধুরী এবং সিলেট কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য প্রফেসর ড. মো. আলিমুল ইসলামসহ প্রশাসনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা।

মেলায় আগত বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষক ও শিক্ষার্থীরা আয়োজনটিকে ঘিরে ব্যাপক উৎসাহ-উদ্দীপনা প্রদর্শন করেন।

Link copied!