× UCB Sticker Card
রবিবার, ১৪ জুন, ২০২৬

ফেসবুক


ইউটিউব


টিকটক

Rupali Bangladesh

ইনস্টাগ্রাম

Rupali Bangladesh

এক্স

Rupali Bangladesh


লিংকডইন

Rupali Bangladesh

পিন্টারেস্ট

Rupali Bangladesh

গুগল নিউজ

Rupali Bangladesh


হোয়াটস অ্যাপ

Rupali Bangladesh

টেলিগ্রাম

Rupali Bangladesh

মেসেঞ্জার গ্রুপ

Rupali Bangladesh


En Bn

রূপালী প্রতিবেদক

প্রকাশিত: জুন ১৪, ২০২৬, ০৮:১৮ পিএম

অ্যামচাম বাংলাদেশের নতুন সভাপতি সৈয়দ মোহাম্মদ কামাল

রূপালী প্রতিবেদক

প্রকাশিত: জুন ১৪, ২০২৬, ০৮:১৮ পিএম

ছবি : সংগৃহীত

ছবি : সংগৃহীত

আমেরিকান চেম্বার অব কমার্স ইন বাংলাদেশ (অ্যামচ্যাম) রাজধানীর বনানীতে অবস্থিত শেরাটন ঢাকার গ্র্যান্ড বলরুমে ২০২৬–২০২৮ মেয়াদের নবনির্বাচিত নির্বাহী কমিটির অভিষেক ও দায়িত্ব গ্রহণ অনুষ্ঠানের আয়োজন করেছে। এর মাধ্যমে যুক্তরাষ্ট্র ও বাংলাদেশের ব্যবসায়িক সম্পর্ক এবং এই ক্ষেত্রের নেতৃত্বকে এগিয়ে নেওয়ার ক্ষেত্রে নতুন অধ্যায়ের সূচনা হয়েছে।

নবনির্বাচিত নির্বাহী কমিটির নেতৃত্বে রয়েছেন মাস্টারকার্ড বাংলাদেশের ভাইস প্রেসিডেন্ট সৈয়দ মোহাম্মদ কামাল, যিনি সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করেছেন। সহ-সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব নিয়েছেন মেটলাইফ বাংলাদেশের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা আলা উদ্দিন আহমদ এবং কোষাধ্যক্ষ হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করেছেন ফিলিপ মরিস ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশের ব্যবস্থাপনা পরিচালক রেজা উর রহমান মাহমুদ।

নবনির্বাচিত পদাধিকারীদের বিভিন্ন খাতে দীর্ঘ সময় ধরে নেতৃত্ব দেওয়ার অভিজ্ঞতা রয়েছে।

সৈয়দ মোহাম্মদ কামাল আর্থিক সেবা, এফএমসিজি, রেমিট্যান্স ও ডিজিটাল পেমেন্ট খাতে ৩৫ বছরেরও বেশি নেতৃত্বের অভিজ্ঞতা অর্জন করেছেন। তিনি ওয়েস্টার্ন ইউনিয়ন, বার্জার পেইন্টস বাংলাদেশ এবং এসিআই লিমিটেডে গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পালন করেছেন। এছাড়া তিনি পূর্বে অ্যামচ্যাম বাংলাদেশের সহ-সভাপতি এবং ফরেন ইনভেস্টরস চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রি (ফিকি)-এর পরিচালক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন। দেশের আর্থিক খাতের অন্যতম একজন শীর্ষস্থানীয় ব্যক্তিত্ব হিসেবে তিনি সুপরিচিত।

আলা উদ্দিন আহমদ এশিয়ার বিভিন্ন দেশে ২৫ বছরেরও বেশি নেতৃত্বের অভিজ্ঞতা অর্জন করেছেন। বৈশ্বিক বিনিয়োগকারীদের অগ্রাধিকারকে বাংলাদেশের অর্থনৈতিক বাস্তবতার সঙ্গে সমন্বয় করে বাণিজ্য ও বিনিয়োগ বৃদ্ধিতে কার্যকর নীতিগত ভূমিকার জন্য তিনি সুপরিচিত। তিনি একজন ফেলো চার্টার্ড অ্যাকাউন্ট্যান্ট এবং সিএএএনজেড-এর সদস্য। অ্যামচ্যাম, ফিকি এবং বাংলাদেশ এমপ্লয়ার্স ফেডারেশন (বিইএফ)-এর নেতৃত্বে তিনি গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পালন করেছেন।

রেজা উর রহমান মাহমুদ অর্থনীতি, কৌশল এবং জনসংযোগ বিষয়ে ২২ বছরেরও বেশি অভিজ্ঞতা অর্জন করেছেন। তিনি ডিএইচএল এক্সপ্রেস এবং বাংলালিংকে নেতৃস্থানীয় পর্যায়ে  গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পালন করেছেন। নীতিগত বিভিন্ন উদ্যোগে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখার পাশাপাশি বাংলাদেশের প্রথম স্মোক-ফ্রি পণ্য উৎপাদন কারখানা প্রতিষ্ঠার পথিকৃৎ হিসেবেও তিনি পরিচিত। তিনি ফেলো চার্টার্ড অ্যাকাউন্ট্যান্ট, চার্টার্ড সেক্রেটারি এবং সিএমএ (অস্ট্রেলিয়া)।

নির্বাহী কমিটির অন্যান্য সদস্যদের মধ্যে রয়েছেন ন্যাটকো বাংলাদেশ লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক আল-মামুন এম. রাশেল, এক্সিলারেট এনার্জি বাংলাদেশের কান্ট্রি ম্যানেজার হাবিব ভূঁইয়া, অ্যাভেরি ডেনিসন বাংলাদেশ ও শ্রীলঙ্কার জেনারেল ম্যানেজার সাজ্জাদ হোসেন এবং শপআপ বাংলাদেশের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা ও সহ-প্রতিষ্ঠাতা আতাউর রহিম চৌধুরী। বিভিন্ন শিল্পখাতের এই নেতৃবৃন্দের সম্মিলিত অভিজ্ঞতা নির্বাহী কমিটির সক্ষমতা ও প্রতিনিধিত্বকে আরও শক্তিশালী করবে।

দায়িত্ব গ্রহণের পর নবনির্বাচিত নির্বাহী কমিটি বাণিজ্য, বিনিয়োগ এবং নীতি প্রবর্তনে সহায়তা জোরদারে অ্যামচ্যামের ভূমিকা আরও শক্তিশালী করার অঙ্গীকার ব্যক্ত করে।

তাদের অগ্রাধিকারগুলোর মধ্যে রয়েছে যুক্তরাষ্ট্র–বাংলাদেশ অর্থনৈতিক সম্পর্ক আরও গভীর করা, বাংলাদেশকে একটি আকর্ষণীয় বিনিয়োগ গন্তব্য হিসেবে প্রতিষ্ঠা করা, ইউএস ট্রেড শো পুনরায় চালু করা, সদস্যপদ ও সম্পৃক্ততা বৃদ্ধি, খাতভিত্তিক সাব-কমিটিগুলোকে আরও কার্যকর করা, ভবিষ্যতমুখী নীতিগত সংস্কারকে এগিয়ে নেওয়া এবং সদস্যদের জন্য আরও সহজলভ্য, প্রভাবশালী ও কার্যকর চেম্বার গড়ে তোলা।

বিদায়ী বক্তব্যে অ্যামচ্যামের সাবেক সভাপতি সৈয়দ এরশাদ আহমেদ তাঁর দায়িত্বকালে চেম্বারের প্রাতিষ্ঠানিক অগ্রগতির বিভিন্ন দিক তুলে ধরেন। নবনির্বাচিত নির্বাহী কমিটি তাঁর নেতৃত্ব ও অবদানের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা ও কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করে। পাশাপাশি বিদায়ী নির্বাহী কমিটির সদস্যদেরও তাঁদের কার্যক্রম ও অবদানের জন্য সম্মান জানানো হয়।

অনুষ্ঠানে বিদায়ী নির্বাহী কমিটি, নির্বাচন বোর্ড এবং আপিল বোর্ডের সদস্যদের অ্যামচ্যামের সুশাসন, স্বচ্ছতা ও বিশ্বাসযোগ্যতা রক্ষায় তাঁদের গুরুত্বপূর্ণ অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ স্মারক ক্রেস্ট প্রদান করা হয়।

অনুষ্ঠানে অ্যামচ্যামের সদস্যবৃন্দ, সরকারের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা, যুক্তরাষ্ট্র দূতাবাস ও অন্যান্য কূটনৈতিক মিশনের প্রতিনিধিরা, বিভিন্ন চেম্বার ও করপোরেট প্রতিষ্ঠানের নেতৃবৃন্দ, নীতিমালা-গবেষক, উন্নয়ন সহযোগী এবং গণমাধ্যমকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

বাংলাদেশে নিযুক্ত যুক্তরাষ্ট্রের রাষ্ট্রদূত ব্রেন্ট টি. ক্রিস্টেনসেন অ্যামচ্যামের নতুন নেতৃত্বের প্রতি তাঁর আস্থা ও সমর্থন ব্যক্ত করেন এবং দ্বিপাক্ষিক অর্থনৈতিক সম্পর্ক আরও জোরদারে তাদের সাফল্য কামনা করেন।

জনপ্রিয় মার্কিন ও বাংলা গানের পরিবেশনায় এক মনোজ্ঞ সাংস্কৃতিক আয়োজনের মধ্য দিয়ে বিশেষ এই সন্ধ্যার সমাপ্তি ঘটে। এতে দুই দেশের দীর্ঘদিনের বন্ধুত্ব, সাংস্কৃতিক সখ্যতা এবং জনগণের মধ্যে দৃঢ় সম্পর্ক প্রতিফলিত হয়েছে।

Link copied!