× UCB Sticker Card
বৃহস্পতিবার, ০৪ জুন, ২০২৬

ফেসবুক


ইউটিউব


টিকটক

Rupali Bangladesh

ইনস্টাগ্রাম

Rupali Bangladesh

এক্স

Rupali Bangladesh


লিংকডইন

Rupali Bangladesh

পিন্টারেস্ট

Rupali Bangladesh

গুগল নিউজ

Rupali Bangladesh


হোয়াটস অ্যাপ

Rupali Bangladesh

টেলিগ্রাম

Rupali Bangladesh

মেসেঞ্জার গ্রুপ

Rupali Bangladesh


En Bn

রূপালী প্রতিবেদক

প্রকাশিত: ডিসেম্বর ২৮, ২০২৫, ১২:০০ পিএম

এখনো ছাপা হয়নি ১১ কোটির বেশি বই

রূপালী প্রতিবেদক

প্রকাশিত: ডিসেম্বর ২৮, ২০২৫, ১২:০০ পিএম

বই ছাপাতে ব্যস্ত কারিগররা। ছবি :সংগৃহীত

বই ছাপাতে ব্যস্ত কারিগররা। ছবি :সংগৃহীত

নতুন শিক্ষাবর্ষ শুরু হতে আর মাত্র তিন দিন বাকি। নতুন বইয়ের ঘ্রাণের অপেক্ষায় আছে প্রাথমিক ও মাধ্যমিকের প্রায় তিন কোটি শিক্ষার্থী। অথচ এখনো মাধ্যমিক স্তরের ১১ কোটির বেশি বই ছাপাতে পারেনি জাতীয় শিক্ষাক্রম ও পাঠ্যপুস্তক বোর্ড (এনসিটিবি)।

নতুন শিক্ষাবর্ষে স্কুল, মাদ্রাসা ও কারিগরি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীদের জন্য বিনা মূল্যের প্রায় ৩০ কোটি বই ছাপানোর কথা। এর মধ্যে মাধ্যমিকের বই ছাপতে হবে ২১ কোটির বেশি। যার মধ্যে সাড়ে আট কোটি বই এখনো সরবরাহের জন্য প্রস্তুতই হয়নি। ফলে বছরের শুরুতে সব বই হাতে পাচ্ছে না শিক্ষার্থীরা। এতে পড়াশোনায় ক্ষতির মুখে পড়তে পারে তারা।

চলতি বছরের ১৯ আগস্ট দরপত্রের অনিয়ম ও সিন্ডিকেটের কারণে  মাধ্যমিকের ষষ্ঠ, সপ্তম ও অষ্টম—এই তিন শ্রেণির বই ছাপাতে দরপত্রের অনুমোদন দেয়নি সরকারি ক্রয়সংক্রান্ত উপদেষ্টা কমিটি। 

আগামী বছর বিনা মূল্যে বিতরণের জন্য মাধ্যমিক স্তরের প্রায় ২১ কোটি ৪০ লাখ বই ছাপানোর কথা। যেসব শ্রেণির শিক্ষার্থীরা সময়মতো বই পাচ্ছে না, এর মধ্যে ষষ্ঠ শ্রেণির বইয়ের সংখ্যা চার কোটি ৪৩ লাখ ২১ হাজার ৯০৬, সপ্তম শ্রেণির চার কোটি ১৫ লাখ ৮৪ হাজার ৬৯২ এবং অষ্টম শ্রেণির চার কোটি দুই লাখ ৩৪ হাজার ৬৯৮। 

জানা গেছে, রাজধানীর মাতুয়াইল সোহাগী প্রিন্টার্স মাধ্যমিকের নবম শ্রেণির বই ছাপানোর কাজ পায়। প্রিন্টার্সটিতে বইয়ের পরিমাণ প্রায় ১২ লাখ। প্রতিষ্ঠানটি বই ছাপানোর ছয়টি সিট মেশিনের কথা উল্লেখ করে কাজ নিলেও একটি মাত্র সিট মেশিন রয়েছে তাদের। গজ মেশিন আছে একটি। এসব কারণে অর্ডার অনুযায়ী প্রতিষ্ঠানটির ছাপানোর কাজের সক্ষমতা অনেক কম। এতে যথাসময়ে বই ছাপানোর কাজ শেষ করতে পারছে না সোহাগী প্রিন্টার্স।

অন্যদিকে, ঢাকার যাত্রাবাড়ীর রায়েরবাগে আমাজন প্রিন্টিং প্রেস মাধ্যমিকের তিন লটের প্রায় দুই লাখ বই ছাপানোর কাজ পায়। এনসিটিবির মনিটরিং কর্মকর্তা সরেজমিন পরিদর্শনে গিয়ে মুদ্রণ প্রতিষ্ঠানটির অস্তিত্ব খুঁজে পাননি। প্রতিষ্ঠানটির যে ঠিকানা ব্যবহার করা হয়েছে, সেখানে অন্য একটি প্রতিষ্ঠান রয়েছে। এ কারণে প্রতিষ্ঠানটিকে শোকজ করা হয়েছে।

একইভাবে আরও বেশ কিছু প্রিন্টার্স বই ছাপানোর কাজ পায়। অর্ডার অনুযায়ী বই ছাপানোর সব ধরনের সক্ষমতা না থাকলেও কাজ পাওয়া নিয়ে প্রশ্ন ওঠেছে। এ ছাড়া আবু বকর আর্ট প্রেসসহ পুরান ঢাকার মুদ্রণ কাজ পাওয়া অন্তত ৮০ ভাগ মুদ্রণ প্রতিষ্ঠান রয়েছে-যাদের প্রেস আকারে ছোট, কাটিং ও বাইন্ডিং মেশিন নেই। নিয়ম অনুযায়ী যাদের বই ছাপানোর কাজ পাওয়ার কথা নয়। তারাও কাজ পেয়েছে। 

বাংলাদেশ মুদ্রণ শিল্প সমিতির সাবেক সভাপতি তোফায়েল খান বলেন, মাধ্যমিক স্তরের প্রায় ৫০ শতাংশ বই এখনো শিক্ষার্থীদের জন্য প্রস্তুত করতে পারেনি এনসিটিবি। যার ফলে বছরের প্রথম দিন সব শিক্ষার্থী বই পাবে না। সক্ষমতা নেই এমন অনেক মুদ্রণ প্রতিষ্ঠান আগে থানা ও উপজেলা থেকে অতিরিক্ত বই কিনে তা সরবরাহ করত। তাদের মেশিন বা অন্যান্য সামগ্রী নেই। ইন্সপেকশন টিম কমিশনের জন্য অনেক মুদ্রণ প্রতিষ্ঠানকে নির্ধারিত মিল থেকে কাগজ কিনতে বাধ্য করে। এনসিটিবিকে ম্যানেজ করে তারা এই কাজ করে। 

এনসিটিবির সচিব অধ্যাপক মো. সাহতাব উদ্দিন বলেন, আমরা নতুন বছরের শুরুতেই সব শিক্ষার্থীকে বই দেওয়ার চেষ্টা করছি। কিন্তু মাধ্যমিকের শিক্ষার্থীদের সব বই দেওয়া সম্ভব হবে না। মাধ্যমিকের তিন শ্রেণির বই ছাপানোর কাজের জন্য পুনরায় দরপত্র আহ্বান করায় বই ছাপাতে একটু দেরি হচ্ছে।

রূপালী বাংলাদেশ

Link copied!