× UCB Sticker Card
শনিবার, ১৩ জুন, ২০২৬

ফেসবুক


ইউটিউব


টিকটক

Rupali Bangladesh

ইনস্টাগ্রাম

Rupali Bangladesh

এক্স

Rupali Bangladesh


লিংকডইন

Rupali Bangladesh

পিন্টারেস্ট

Rupali Bangladesh

গুগল নিউজ

Rupali Bangladesh


হোয়াটস অ্যাপ

Rupali Bangladesh

টেলিগ্রাম

Rupali Bangladesh

মেসেঞ্জার গ্রুপ

Rupali Bangladesh


En Bn

রূপালী ডেস্ক

প্রকাশিত: জানুয়ারি ২৩, ২০২৬, ০৫:৩৯ পিএম

নির্বাচনের আগেই প্রাথমিকের সহকারী শিক্ষক নিয়োগের চূড়ান্ত ফল!

রূপালী ডেস্ক

প্রকাশিত: জানুয়ারি ২৩, ২০২৬, ০৫:৩৯ পিএম

প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর। ছবি : সংগৃহীত

প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর। ছবি : সংগৃহীত

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের আগেই সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক নিয়োগের চূড়ান্ত ফল প্রকাশ করা হতে পারে। প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর (ডিপিই) সূত্রে জানা গেছে, মৌখিক পরীক্ষা শেষ হওয়ার পরপরই ১৪ হাজার ৩৮৫ জন সহকারী শিক্ষক নিয়োগের চূড়ান্ত তালিকা প্রকাশের প্রস্তুতি নেওয়া হচ্ছে।

সূত্র জানায়, ২৮ জানুয়ারি থেকে শুরু হয়ে ৩ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত জেলা পর্যায়ে সহকারী শিক্ষক নিয়োগের মৌখিক পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে। মৌখিক পরীক্ষা শেষ করেই দ্রুততম সময়ের মধ্যে ফল প্রকাশে উদ্যোগী হয়েছে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয় এবং প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর। পরিকল্পনা অনুযায়ী, ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিতব্য ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের আগেই এই নিয়োগের চূড়ান্ত ফল ঘোষণা করা হতে পারে।

প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের আওতাধীন রাজস্ব খাতভুক্ত সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক নিয়োগ-২০২৫ কার্যক্রমে এবার ব্যাপক সাড়া পড়ে। সারা দেশে মোট ১০ লাখ ৮০ হাজার ৯৫টি আবেদন জমা পড়ে। এর মধ্যে ৮ লাখ ৩০ হাজার ৮৮ জন প্রার্থী লিখিত পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করেন।

গত ৯ জানুয়ারি দেশের ৬১টি জেলায় (তিন পার্বত্য জেলা ছাড়া) একযোগে লিখিত পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়। এ পরীক্ষার জন্য নির্ধারিত ছিল ১ হাজার ৪০৮টি কেন্দ্র। পরীক্ষা শেষে উত্তরপত্র মূল্যায়ন সম্পন্ন করে গত ২১ জানুয়ারি লিখিত পরীক্ষার ফল প্রকাশ করে প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর। এতে ৬৯ হাজার ২৬৫ প্রার্থীকে মৌখিক পরীক্ষার জন্য নির্বাচিত করা হয়।

পরদিন ২২ জানুয়ারি মৌখিক পরীক্ষার বিস্তারিত সময়সূচি প্রকাশ করা হলে নিয়োগ প্রক্রিয়া আরও এক ধাপ এগিয়ে যায়।

লিখিত পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হওয়ার পর প্রশ্ন ফাঁসসহ নানা অনিয়মের অভিযোগ ওঠে। এসব অভিযোগের ভিত্তিতে একদল নিয়োগপ্রত্যাশী আন্দোলনে নামেন। গত ১১ জানুয়ারি দেড় শতাধিক প্রার্থী প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের মহাপরিচালকের কাছে স্মারকলিপি জমা দিয়ে প্রশ্ন ফাঁস ও পরীক্ষায় অনিয়মের অভিযোগ উত্থাপন করেন।

এসব অভিযোগ যাচাইয়ের জন্য বিষয়টি গোয়েন্দা সংস্থার কাছে পাঠানো হয়। গোয়েন্দা সংস্থা পূর্ণাঙ্গ তদন্ত শেষে অভিযোগের সত্যতা পাওয়া যায়নি বলে প্রতিবেদন দেয়। ওই প্রতিবেদনের ভিত্তিতে নিয়োগ কার্যক্রম স্বাভাবিকভাবে চালিয়ে নেওয়ার সিদ্ধান্ত নেয় কর্তৃপক্ষ।

সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, অন্তর্বর্তী সরকারের শেষ সময়ে এসে শিক্ষা খাতে অন্যতম বৃহৎ এই নিয়োগ প্রক্রিয়া দ্রুত শেষ করতে চায় সরকার। বিশেষ করে প্রাথমিক বিদ্যালয়গুলোতে দীর্ঘদিন ধরে সহকারী শিক্ষকের ঘাটতি থাকায় দ্রুত নিয়োগের ওপর গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে।

মৌখিক পরীক্ষা শেষে মেধা, কোটা ও বিধিমালা অনুসরণ করে ১৪ হাজার ৩৮৫ প্রার্থীকে চূড়ান্তভাবে সহকারী শিক্ষক হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হবে। ফল প্রকাশের পরপরই নিয়োগপ্রাপ্তদের যোগদান-সংক্রান্ত নির্দেশনাও দেওয়া হতে পারে।

Link copied!