শিক্ষা ব্যবস্থাকে ইন্টারন্যাশনাল স্ট্যান্ডার্ডে প্রবর্তন করাসহ আমূল পরিবর্তন করতে যাচ্ছেন নতুন শিক্ষামন্ত্রী আ ন ম এহছানুল হক মিলন। সংসদ ভবনে শপথের পর রাতে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে এ কথা বলেন তিনি।
শিক্ষকদের উদ্দেশে শিক্ষামন্ত্রী বলেন, একটু অপেক্ষা করুন, দায়িত্ব যেহেতু পেয়েছি, ইনশাআল্লাহ আপনাদের জন্য অনেক চমক রয়েছে। শুরু হবে কয়েক দিনের মধ্যেই। এক শব্দে বলতে গেলে ইন্টারন্যাশনাল স্ট্যান্ডার্ড শিক্ষা ব্যবস্থা প্রবর্তন করা। উই আর লিভিং ইন এ গ্লোবাল ভিলেজ। আমাদের শিক্ষা ব্যবস্থাকে গ্লোবাল কম্পিটিটিভনেসে আনতে হবে। ইটস নো লঙ্গার এ লোকাল কমোডিটি, ইটস অ্যান ইন্টারন্যাশনাল কমোডিটি।’
তিনি বলেন, ‘আমাদের ফোর্থ জেনারেশন ইন্ডাস্ট্রিয়ালাইজেশনে ন্যানোটেকনোলজি, আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্স, বায়োটেক এগুলোকে গুরুত্ব দিতে হবে। ইন্ডাস্ট্রি ও একাডেমিয়ার লিংকিংসগুলোকে আমাদের লক্ষ্য দিতে হবে। আমাদের টিভেট (টেকনিক্যাল অ্যান্ড ভোকেশনাল এডুকেশন অ্যান্ড ট্রেনিং)-কে গুরুত্ব দিতে হবে। সর্বোপরি শিক্ষা ব্যবস্থায় ব্যাপক পরিবর্তন আনতে হবে। বললাম না, ইটস অ্যান ইন্টারন্যাশনাল কমিউনিটি। এটাকে আমাদের ইন্টারন্যাশনাল স্ট্যান্ডার্ডাইজেশন করতে হবে। এর কোনো বিকল্প নেই।’
শিক্ষামন্ত্রী বলেন, ‘দল-মত নির্বিশেষে আমি বিজয়ী হয়েছি, সবাই আমার। সবার জন্য কাজ করব। এবং বাংলাদেশের সেরা উপজেলা শুধু শিক্ষা নয়; মাদক নির্মূল, দুর্নীতি থেকে শুরু করে সবকিছুতেই বাংলাদেশের সেরা উপজেলা বানাব, এটাই আমার স্বপ্ন।’
২০০১ সালে মন্ত্রিসভায় শিক্ষা প্রতিমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন আ ন ম এহছানুল হক মিলন। তিনি শের-ই-বাংলা নগর সরকারি বালক উচ্চ বিদ্যালয় থেকে মাধ্যমিক এবং গভর্নমেন্ট ইন্টারমিডিয়েট টেকনিক্যাল কলেজ (বর্তমান সরকারি বিজ্ঞান কলেজ) থেকে উচ্চ মাধ্যমিক পাস করেন। এরপর তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে রসায়নে স্নাতক সম্পন্ন করে ১৯৮২ সালে যুক্তরাষ্ট্র চলে যান। তিনি নিউইয়র্ক ইনস্টিটিউট অব টেকনোলজি থেকে এমবিএ ডিগ্রি অর্জন করেন।
এহছানুল হক মিলন ব্রুকলিন কলেজ এবং বোরো অব ম্যানহাটান কমিউনিটি কলেজে সহকারী প্রভাষক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন এবং কর্মজীবনে ঔষধ শিল্পে রসায়নবিদ হিসেবে কাজ করেন। ২০১৮ সালে তিনি মালয়েশিয়ার আন্তর্জাতিক ইসলামি বিশ্ববিদ্যালয় থেকে রাষ্ট্রবিজ্ঞানে পিএইচডি ডিগ্রি অর্জন করেন।

সর্বশেষ খবর পেতে রুপালী বাংলাদেশের গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন