× UCB Sticker Card
মঙ্গলবার, ২১ জুলাই, ২০২৬

ফেসবুক


ইউটিউব


টিকটক

Rupali Bangladesh

ইনস্টাগ্রাম

Rupali Bangladesh

এক্স

Rupali Bangladesh


লিংকডইন

Rupali Bangladesh

পিন্টারেস্ট

Rupali Bangladesh

গুগল নিউজ

Rupali Bangladesh


হোয়াটস অ্যাপ

Rupali Bangladesh

টেলিগ্রাম

Rupali Bangladesh

মেসেঞ্জার গ্রুপ

Rupali Bangladesh


En Bn

জাবি প্রতিনিধি

প্রকাশিত: জুলাই ২১, ২০২৬, ০৮:১৯ পিএম

জাবি মেডিকেলে ২১ দিনে ২০ হাজার পিস ওষুধ গায়েব

জাবি প্রতিনিধি

প্রকাশিত: জুলাই ২১, ২০২৬, ০৮:১৯ পিএম

ছবি : সংগৃহীত

ছবি : সংগৃহীত

জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের (জাবি) চিকিৎসা কেন্দ্র থেকে মাত্র ২১ দিনের ব্যবধানে প্রায় ১৯ হাজার ৫৬৭ পিস ওষুধের গরমিলের অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে সুষ্ঠু তদন্ত ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছে জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (জাকসু)।

মঙ্গলবার (২১ জুলাই) বিকেলে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে জাকসুর সদস্যদের প্রচারিত এক বার্তায় এ তথ্য জানানো হয়।

জাকসুর দাবি, বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের নির্দেশে চিকিৎসা কেন্দ্রের ওষুধের হিসাব যাচাই করতে গিয়ে ব্যাপক অনিয়মের প্রমাণ পাওয়া যায়। মেডিকেল অফিসের নথি অনুযায়ী, গরমিল হওয়া ওষুধের মধ্যে রয়েছে ৪ হাজার ৬৪৫ পিস অ্যালাট্রল, ৯১২ পিস অ্যাজিথ্রোমাইসিন, ৪২০ পিস সিপ্রোসিন, ৫ হাজার পিস প্যারাসিটামল, ৭০০ পিস টাইমোনিয়াম, ২ হাজার ৫০০ পিস ফ্যামোটিডিন, ২০০ পিস অ্যান্টানিল, ৯৯০ পিস ন্যাপা এবং ৪ হাজার ২০০ পিস ডমপেরিডন।

জাকসুর স্বাস্থ্য ও খাদ্য নিরাপত্তাবিষয়ক সম্পাদক হুসনী মোবারক বলেন, শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে জরুরি ওষুধ না পাওয়ার অভিযোগের পর চিকিৎসা কেন্দ্রের ওষুধের হিসাব যাচাই করা হয়। এতে দেখা যায়, গত ৩০ জুন প্রায় ২ লাখ টাকার ওষুধ কেনা হলেও মাত্র ২১ দিনের ব্যবধানে প্রায় ১৯ হাজার ৫৬৭ পিস ওষুধের গরমিল পাওয়া গেছে।

তিনি আরও বলেন, প্যারাসিটামল, অ্যান্টিবায়োটিক, অ্যান্টিহিস্টামিন, গ্যাস্ট্রিক ও ব্যথানাশকসহ বিভিন্ন ধরনের ওষুধ স্টোরে পাওয়া যায়নি। এ বিষয়ে দায়িত্বপ্রাপ্ত ডেপুটি রেজিস্ট্রার (স্টোর) মো. নূর-এ-কামাল পিংকুর কাছে ব্যাখ্যা চাওয়া হলেও সন্তোষজনক জবাব মেলেনি। প্রধান মেডিক্যাল অফিসার ডা. মো. শামছুর রহমানও বিষয়টির সন্তোষজনক ব্যাখ্যা দিতে পারেননি বলে দাবি করেন তিনি। এ সময় জাকসুর সাহিত্য ও প্রকাশনা সম্পাদক জাহিদুল ইসলাম বাপ্পি এবং কার্যকরী সদস্য মোহাম্মদ আলী চিশতী উপস্থিত ছিলেন।

অভিযোগের বিষয়ে প্রধান মেডিক্যাল অফিসার ডা. মো. শামছুর রহমান বলেন, স্টোরের চাবি ও মজুদের দায়িত্ব স্টোর কর্মকর্তার কাছে থাকায় এ বিষয়ে তার জবাবদিহি প্রয়োজন। এছাড়া ওষুধ ক্রয় ও সরবরাহের কাজ একটি পৃথক কমিটির মাধ্যমে পরিচালিত হয়, যেখানে তার ব্যক্তিগত স্বাক্ষর বা সরাসরি নিয়ন্ত্রণ নেই। তিনি জানান, বিষয়টি তাৎক্ষণিকভাবে বিশ্ববিদ্যালয়ের উপ-উপাচার্য (প্রশাসন)কে অবহিত করা হয়েছে। আগামীকাল আনুষ্ঠানিকভাবে তদন্ত শুরু হবে এবং গরমিলের কারণ অনুসন্ধান করা হবে। পাশাপাশি ওষুধ সংরক্ষণ ও হিসাব ব্যবস্থাপনায় আরও কঠোর তদারকি নিশ্চিত করা হবে।

বিশ্ববিদ্যালয়ের উপ-উপাচার্য (প্রশাসন) ও মেডিকেল সেন্টারের উপদেষ্টা পরিষদের সভাপতি অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ নজরুল ইসলাম বলেন, চিকিৎসা কেন্দ্রে ওষুধ না থাকার অভিযোগ প্রায়ই পাওয়া যায়। এ কারণে ঝটিকা পরিদর্শনের নির্দেশ দেওয়া হয়েছিল। পরিদর্শনে যে অনিয়মের তথ্য উঠে এসেছে, তা খতিয়ে দেখা হবে। একই সঙ্গে ওষুধ সংগ্রহ, সংরক্ষণ, ব্যবহার ও হিসাব ব্যবস্থাপনার পুরো প্রক্রিয়া তদন্ত করে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রচলিত বিধি অনুযায়ী প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

রূপালী বাংলাদেশ

Link copied!