× UCB Sticker Card
বৃহস্পতিবার, ০৪ জুন, ২০২৬

ফেসবুক


ইউটিউব


টিকটক

Rupali Bangladesh

ইনস্টাগ্রাম

Rupali Bangladesh

এক্স

Rupali Bangladesh


লিংকডইন

Rupali Bangladesh

পিন্টারেস্ট

Rupali Bangladesh

গুগল নিউজ

Rupali Bangladesh


হোয়াটস অ্যাপ

Rupali Bangladesh

টেলিগ্রাম

Rupali Bangladesh

মেসেঞ্জার গ্রুপ

Rupali Bangladesh


En Bn

রাবি প্রতিনিধি

প্রকাশিত: ডিসেম্বর ১৪, ২০২৫, ০৯:৫৫ পিএম

শহীদ বুদ্ধিজীবী দিবসে রাকসুর উদ্যোগে আলোচনা সভা

রাবি প্রতিনিধি

প্রকাশিত: ডিসেম্বর ১৪, ২০২৫, ০৯:৫৫ পিএম

ছবি- রূপালী বাংলাদেশ

ছবি- রূপালী বাংলাদেশ

মহান মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাসের এক ভয়াবহ ও হৃদয়বিদারক অধ্যায় শহীদ বুদ্ধিজীবী দিবস। এ দিবস উপলক্ষে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে (রাবি) আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

রোববার (১৪ ডিসেম্বর) সন্ধ্যা ৬টায় রাকসু ভবনে কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদের আয়োজনে এই আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়।

এর আগে, একই দিন বাদ আছর বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় জামে মসজিদে শহীদ বুদ্ধিজীবীদের আত্মার মাগফিরাত কামনা করে দোয়া মাহফিলের আয়োজন করে শিক্ষার্থীরা। তবে দিনটিকে স্মরণ করতে আনুষ্ঠানিক কোনো পরিকল্পনাও ছিল না রাকসুর। আজ রোববার (১৪ ডিসেম্বর) সাংবাদিকদের পক্ষ থেকে কর্মসূচির বিষয়ে জানতে চাইলে বেলা দেড়টার পর এ কর্মসূচি ঘোষণা করা হয়।

আলোচনা সভায় অধ্যাপক আমিরুল ইসলাম কনক বলেন, ‘যারা ভারতের চক্রান্তকে অনুধাবন করে ভারতের বিরোধিতা করেছেন তাদেরকে হত্যার শিকার হতে হয়েছে। বুদ্ধিজীবীদের ওপর যে নির্মম অত্যাচার করা হয়েছিল, তা তৎকালীন শাসকের দূরদর্শীতার অভাব এবং দেশের কিছু মানুষের বিশ্বাসঘাতকতার ফল।’

পাকিস্তান প্রতিষ্ঠার পর সর্বপ্রথম রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠা লাভের বিষয় উল্লেখ করে তিনি বলেন, ‘পাকিস্তান প্রতিষ্ঠার পর সর্বপ্রথম রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠিত হয়েছে। সবসময় কথিত হয়েছে, পাকিস্তানে রাস্তাঘাট সোনায় মোড়ানো এবং বাংলাদেশে রাস্তার অবস্থা খারাপ। কিন্তু আমাদের দেশে পাকিস্তান আমলেই চারটি স্বায়ত্তশাসিত বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল। আমাদের প্রকৃত তথ্যগুলো প্রকাশ না করে একদম ফুলিয়ে ফাঁপিয়ে প্রকাশ করা হচ্ছে।’

রাকসুর সাধারণ সম্পাদক সালাউদ্দিন আম্মার বলেন, ‘৭১ সালে আমাদের মেধাশূন্য করে দেওয়ার পরও আমরা প্রথম স্বাধীনতা অর্জন করেছিলাম। এরপর আমাদের ভারতের একটা অঙ্গরাজ্য হিসেবে দেখা হতো। জুলাইয়ে আমরা দ্বিতীয়বার স্বাধীনতা অর্জন করে আবারও নিজেদের পরিচয় তৈরি করতে পেরেছি।’

কবি ও লেখক ফজলুল হক তুহিন বলেন, ‘বুদ্ধিজীবীদের নিয়ে ইতিহাসে যে বক্তব্যগুলো পাওয়া যায়, তা আওয়ামী বক্তব্য। যেহেতু আওয়ামী লীগের বিজয় হয়েছে তাই তারা নিজের মতো করে একটি বক্তব্য তৈরি করেছে। ভারত এবং মুজিব বাহিনীর শেখ মুনিরের নেতৃত্বে অনেক বুদ্ধিজীবীর হত্যা করা হয়। আমরা এখন পর্যন্ত বুদ্ধিজীবীদের নিয়ে সত্য ইতিহাস পাই না, কারণ সত্য ইতিহাস প্রকাশ করলে আওয়ামী বয়ান চরমভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হবে। ১৯৭২ সালে আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় থাকার পর মুজিব বাহিনী তাদের হত্যা করেছিল।’

আলোচনা সভায় সভাপতিত্ব করেন রাকসু ভিপি মোস্তাকুর রহমান জাহিদ। সভায় রাকসুর অন্যান্য প্রতিনিধিরাও উপস্থিত ছিলেন।

Link copied!