বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে শিক্ষক নিয়োগের লক্ষ্যে খসড়া পরিপত্র তৈরি করা হয়েছে। এটি জারি করতে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগে পাঠানো হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (৫ ফেব্রুয়ারি) বেসরকারি শিক্ষক নিবন্ধন ও প্রত্যয়ন কর্তৃপক্ষের (এনটিআরসিএ) বিশ্বস্ত একটি সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে। খসড়া পরিপত্রের সঙ্গে একটি চিঠিও পাঠানো হয়েছে।
চিঠিতে বলা হয়েছে, শিক্ষা মন্ত্রণলয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগ কর্তৃক ২০২৪ সালের ২৫ জানুয়ারি বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে এমপিওভুক্ত পদে শিক্ষক নিয়োগ সুপারিশের ক্ষেত্রে অনুসরণীয় পদ্ধতি সময়ের চাহিদার পরিপ্রেক্ষিতে সর্বশেষ বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের জনবল কাঠামো ও এমপিও নীতিমালা এবং বেসরকারি শিক্ষক নিবন্ধন, প্রত্যয়ন ও নিয়োগ সুপারিশ বিধিমালা, ২০২৫ অনুসারে সংশোধন করা হয়েছে।
এদিকে শিক্ষা আইন-২০২৬ এর খসড়া প্রকাশ করেছে অন্তর্বর্তী সরকার। যেখানে বলা হয়েছে, দেশের সব ধরনের বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে শিক্ষক নিয়োগ দিয়ে থাকে বেসরকারি শিক্ষক নিবন্ধন ও প্রত্যয়ন কর্তৃপক্ষ (এনটিআরসিএ)। আইনের খসড়ায়ও আগামীতে সরকারি এই সংস্থাটির হাতেই শিক্ষক নিয়োগের ক্ষমতা রাখার কথা বলা হয়েছে।
শিক্ষক নির্বাচন ও নিয়োগ শীর্ষক ১৮ ধারায় বলা হয়েছে, সরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে সংশ্লিষ্ট শিক্ষক নিয়োগ বিধিমালা অনুযায়ী শিক্ষক নিয়োগ করা হবে। সরকারি মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষক ও জনবল নিয়োগ সরকারের প্রচলিত নিয়োগ বিধি মোতাবেক হবে।
বিসিএস (সাধারণ শিক্ষা) ক্যাডারে নিয়োগের ক্ষেত্রে বাংলাদেশ সিভিল সার্ভিস কম্পোজিশন অ্যান্ড ক্যাডার রুলস ও বাংলাদেশ সিভিল সার্ভিস রিক্রুটমেন্ট রুলস প্রযোজ্ হবে। বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের প্রবেশ পর্যায়ের পদে শিক্ষক নিয়োগের উদ্দেশ্যে যোগ্য শিক্ষক নির্বাচন, তালিকা প্রণয়ন, নিবন্ধন ও প্রত্যয়ন ‘বেসরকারি শিক্ষক নিবন্ধন ও প্রত্যয়ন কর্তৃপক্ষ’ কর্তৃক সম্পন্ন হইবে এবং পদভিত্তিক সব শিক্ষক নিয়োগের পদ্ধতি ও যোগ্যতা আইন বা বিধি দ্বারা নির্ধারিত ও নিয়ন্ত্রিত হবে।
আচরণবিধির পরিপন্থি কোনো কর্মকাণ্ডে জড়িত থাকার বিষয় প্রমাণিত হলে শিক্ষক নিবন্ধন ও প্রত্যয়ন কর্তৃপক্ষ, সরকারের অনুমোদন-সাপেক্ষে, যেকোনো শিক্ষকের নিবন্ধন বাতিল করতে পারবে। বেসরকারি শিক্ষক নিবন্ধন ও প্রত্যয়ন কর্তৃপক্ষ নিজস্ব বিধিবিধান দ্বারা পরিচালিত হবে।




