× UCB Sticker Card
শুক্রবার, ১৯ জুন, ২০২৬

ফেসবুক


ইউটিউব


টিকটক

Rupali Bangladesh

ইনস্টাগ্রাম

Rupali Bangladesh

এক্স

Rupali Bangladesh


লিংকডইন

Rupali Bangladesh

পিন্টারেস্ট

Rupali Bangladesh

গুগল নিউজ

Rupali Bangladesh


হোয়াটস অ্যাপ

Rupali Bangladesh

টেলিগ্রাম

Rupali Bangladesh

মেসেঞ্জার গ্রুপ

Rupali Bangladesh


En Bn

বিনোদন ডেস্ক

প্রকাশিত: জুন ১৯, ২০২৬, ০২:০৪ এএম

আলভীর বিরুদ্ধে যেসব অভিযোগ এনেছে ইকরার পরিবার

বিনোদন ডেস্ক

প্রকাশিত: জুন ১৯, ২০২৬, ০২:০৪ এএম

ছবি : সংগৃহীত

ছবি : সংগৃহীত

স্ত্রী আফরা ইভনাথ খান ইকরাকে আত্মহত্যায় প্ররোচনার মামলায় অভিনেতা যাহের আলভীকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দিয়েছেন আদালত।

বৃহস্পতিবার (১৮ জুন) ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট কামাল উদ্দিনের আদালতে আত্মসমর্পণ করে জামিন আবেদন করেন তিনি। তবে শুনানি শেষে আদালত তার জামিন আবেদন নামঞ্জুর করে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন।

এ ঘটনার পর আবারও আলোচনায় এসেছে ইকরার পরিবারের করা মামলার অভিযোগগুলো। ইকরার পরিবার দাবি করছে, দীর্ঘদিনের মানসিক নির্যাতন, অবহেলা ও অপমানের কারণেই আত্মহত্যার পথ বেছে নিতে বাধ্য হন তিনি।

মামলার এজাহার অনুযায়ী, ২০১৩ সালে প্রেমের সম্পর্কের মাধ্যমে আলভী ও ইকরার বিয়ে হয়। তাদের সংসারে পাঁচ বছর বয়সী একটি পুত্রসন্তান রয়েছে। বিয়ের পর থেকেই আলভী তার মা নাসরিন সুলতানা শিউলির প্ররোচনায় ইকরার প্রতি মানসিক নির্যাতন চালাতেন বলে অভিযোগ করেছে ইকরার পরিবার।

পরিবারের দাবি, প্রায় দুই বছর আগে ইকরা জানতে পারেন, আলভী অন্য এক নারীর সঙ্গে সম্পর্কে জড়িয়েছেন। এরপর থেকেই স্বামী-স্ত্রীর সম্পর্কে টানাপোড়েন শুরু হয়। বিষয়টি নিয়ে একাধিকবার পারিবারিকভাবে সমাধানের চেষ্টা করা হলেও কোনো ইতিবাচক ফল আসেনি।

এজাহারে আরও বলা হয়েছে, আলভী ও তার মা প্রায়ই ইকরাকে অপমান করতেন এবং সংসার থেকে সরে যাওয়ার জন্য চাপ প্রয়োগ করতেন। বিভিন্ন সময় তাকে উদ্দেশ্য করে উসকানিমূলক কথাবার্তাও বলা হতো, যা তার মানসিক অবস্থার ওপর নেতিবাচক প্রভাব ফেলেছিল বলে অভিযোগ করা হয়েছে।

ইকরার পরিবারের অভিযোগ, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমেও তাকে বিব্রত ও মানসিকভাবে আঘাত করার মতো কর্মকাণ্ড করা হয়েছে। মৃত্যুর আগের দিন, অর্থাৎ ২৭ ফেব্রুয়ারি আলভী এক নারীর সঙ্গে ছবি পোস্ট করেন, যা ইকরাকে আরও মানসিকভাবে বিপর্যস্ত করে তোলে বলে দাবি পরিবারের।

মামলার অভিযোগে আরও উল্লেখ করা হয়েছে, দীর্ঘদিন ধরে অবহেলা, মানসিক চাপ ও অপমানের কারণে ইকরা চরম হতাশার মধ্যে ছিলেন। এসব ঘটনার ধারাবাহিকতায় তিনি আত্মহত্যা করতে বাধ্য হয়েছেন বলে মনে করে তার পরিবার।

উল্লেখ্য, গত ২৮ ফেব্রুয়ারি রাজধানীর মিরপুর ডিওএইচএস এলাকার একটি বাসা থেকে গলায় ফাঁস দেওয়া অবস্থায় ইকরাকে উদ্ধার করা হয়। পরে কুর্মিটোলা জেনারেল হাসপাতালে নেওয়া হলে চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

এ ঘটনায় ২ মার্চ ইকরার বাবা কবির হায়াত খান পল্লবী থানায় আলভী ও তার মা নাসরিন সুলতানা শিউলির বিরুদ্ধে আত্মহত্যায় প্ররোচনার মামলা করেন। একই মামলায় গত ৪ জুন নাসরিন সুলতানা শিউলি আদালতে আত্মসমর্পণ করে জামিন পান।

তবে মামলায় আনা অভিযোগগুলোর বিষয়ে আলভী বা তার আইনজীবীর পক্ষ থেকে সর্বশেষ শুনানিতে কোনো আনুষ্ঠানিক প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি। মামলাটি বর্তমানে বিচারাধীন।

Link copied!