× UCB Sticker Card
শুক্রবার, ১৯ জুন, ২০২৬

ফেসবুক


ইউটিউব


টিকটক

Rupali Bangladesh

ইনস্টাগ্রাম

Rupali Bangladesh

এক্স

Rupali Bangladesh


লিংকডইন

Rupali Bangladesh

পিন্টারেস্ট

Rupali Bangladesh

গুগল নিউজ

Rupali Bangladesh


হোয়াটস অ্যাপ

Rupali Bangladesh

টেলিগ্রাম

Rupali Bangladesh

মেসেঞ্জার গ্রুপ

Rupali Bangladesh


En Bn

রূপালী প্রতিবেদক

প্রকাশিত: জুন ১৮, ২০২৬, ১১:৫৬ পিএম

‘তুই মরে যা, আমার কিছু যায় আসে না’, ইকরাকে বলতেন আলভী

রূপালী প্রতিবেদক

প্রকাশিত: জুন ১৮, ২০২৬, ১১:৫৬ পিএম

ছবি : সংগৃহীত

ছবি : সংগৃহীত

পারিবারিক ঝগড়ার সময় স্ত্রী আফরা ইভনাথ ইকরাকে তার স্বামী ছোট পর্দার অভিনেতা নিয়ামত উল্লাহ ভূঁইয়া আলভী বারবার ‘আত্মহত্যা করে মরে যেতে বলতেন’ বলে দাবি করেছেন রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী হারুন অর রশীদ।

বৃহস্পতিবার (১৮ জুন) ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট কামাল উদ্দীনের আদালতে আত্মসমর্পণ করে জামিন আবেদন করেন আলভী। তবে ইকরার স্বজনদের বরাত দিয়ে জামিনের বিরোধিতা করে আদালতের কাছে আলভীর বিরুদ্ধে আত্মহত্যা প্ররোচণার অভিযোগ তোলেন রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী হারুন অর রশীদ।

গত ২৮ ফেব্রুয়ারি আলভীর মিরপুর ডিওএইচএসের বাসা থেকে তার স্ত্রী ইকরার ঝুলন্ত দেহ উদ্ধার করে পরিবারের সদস্যরা। তাকে কুর্মিটোলা হাসপাতালে নিলে চিকিৎসক ইকরাকে মৃত ঘোষণা করেন। ওই সময় জাহের আলভী নেপাল ছিলেন।

ঘটনার দিনই মামলা করেন ইকরার বাবা কবির হায়াত খান। দীর্ঘদিনের ‘পারিবারিক কলহ ও বিভিন্ন ধরনের নির্যাতনের কারণেই’ ইকরা আত্মহত্যা করতে ‘বাধ্য হয়’ বলে মামলায় অভিযোগ করেন তিনি। এ ঘটনায় জাহের আলভীসহ সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে আত্মহত্যায় প্ররোচনার অভিযোগ আনা হয়।

আলভী ও ইকরা ২০১০ সালে বিয়ে করেন। তাদের এক ছেলেসন্তান রয়েছে।

আলভীর মা নাসরিন সুলতানা গত ৪ জুন ঢাকার অ্যাডিশনাল চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মো. সেফাতুল্লাহ'র আদালতে আত্মসমর্পণ করে জামিন পান।

স্ত্রীর মৃত্যুর সময় বিদেশে থাকা যাহের আলভীর আইনজীবী উচ্চ আদালতে আর্জি জানান, তিনি দেশে ফিরলে যেন গ্রেপ্তার বা হেনস্তা না করা হয়। আদালত যাহের আলভীর পক্ষেই আদেশ দেয়। এ আদেশের পর ৫ জুন দেশে ফেরেন আলভী।

বৃহস্পতিবার তিনি আদালতে আত্মসমর্পণ করে জামিন আবেদন করেন। আলভীর পক্ষে শুনানি করেন ঢাকা আইনজীবী সমিতির সভাপতি আনোয়ার জাহিদ ভূঁইয়া।

তিনি বলেন, ‘ঘটনা গত ২৮ ফেব্রুয়ারির, আর আসামি নেপালে চলে যায় ২৫ ফেব্রুয়ারি। দেশে না থাকায় জামিন নিতে পারেননি তিনি। তার পাঁচ বছরের বাচ্চা রয়েছে, ওকে টেক কেয়ার করার মতো কেউ নেই। আত্মহত্যায় প্ররোচনার মামলা। তার মা জামিনে আছেন। এ আসামিকে জামিন দিলে পলাতক হবে না।’

প্রসিকিউকর হারুন অর রশীদ জামিনের বিরোধিতা করে বলেন, ‘এটা একটা আলোচিত মামলা। গত ২৮ ফেব্রুয়ারির ঘটনা। মার্চ, এপ্রিল মাসে ঘটনাটি টক অব দ্যা কান্ট্রিতে ছিল। অনেকে আন্দোলন, মানববন্ধন করেছে আসামিদের বিচারের আওতায় আনার জন্য। তাদের প্রেমের সম্পর্কের পর বিয়ে। ঘটনার দুই বছর আগে থেকে আসামি কয়েকজন মেয়ের সাথে সম্পর্কে জড়িয়ে পড়ে। এ নিয়ে তাদের মধ্যে দাম্পত্য কলহ শুরু হয়, নির্যাতন করে।

‘বাচ্চার দিকে তাকিয়ে সব সয়ে সংসার করছিল। তাকে পরকীয়া থেকে ফিরিয়ে আনার চেষ্টা করে। আলভী ইকরাকে বলেন, ‘তুই মরে যা, আত্মহত্যা কর। মরে গেলে কিছু যায় আসে না।’ আকুতি, মিনতি করেও ইকরা আসামির মন গলাতে পারেনি। তাকে আত্মহত্যায় প্ররোচিত করে। এ কারণে তাকে পৃথিবী ছেড়ে চলে যেতে বাধ্য হয়েছে।’

পরে শুনানি নিয়ে আদালত জামিন আবেদন নাকচ করে আলভীকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেয়।

Link copied!