× UCB Sticker Card
বৃহস্পতিবার, ০৪ জুন, ২০২৬

ফেসবুক


ইউটিউব


টিকটক

Rupali Bangladesh

ইনস্টাগ্রাম

Rupali Bangladesh

এক্স

Rupali Bangladesh


লিংকডইন

Rupali Bangladesh

পিন্টারেস্ট

Rupali Bangladesh

গুগল নিউজ

Rupali Bangladesh


হোয়াটস অ্যাপ

Rupali Bangladesh

টেলিগ্রাম

Rupali Bangladesh

মেসেঞ্জার গ্রুপ

Rupali Bangladesh


En Bn

ফিচার ডেস্ক

প্রকাশিত: এপ্রিল ১২, ২০২৬, ০৩:৪৫ পিএম

ফ্যান না এসি, কোনটির বাতাস স্বাস্থ্যের জন্য নিরাপদ?

ফিচার ডেস্ক

প্রকাশিত: এপ্রিল ১২, ২০২৬, ০৩:৪৫ পিএম

ছবি : সংগৃহীত।

ছবি : সংগৃহীত।

প্রতিদিনি বাড়ছে গরম। শহর থেকে গ্রাম সবখানেই একই অবস্থা। হাঁসফাঁস মানুষের প্রাণ। সবার ঘরে শুরু হয়েছে ফ্যান আর এসির লড়াই। মধ্যবিত্ত কিংবা গ্রাম এলাকাগুলোতে মানুষের ফ্যান ভরসা। তবে শহরগুলোতে এসি যেন মানুষের ভরসা। তবে গ্রীষ্মকালে দুই ভরসার আড়ালে লুকিয়ে রয়েছে কিছু প্রশ্ন। সবচেয়ে বড় যে প্রশ্নটি সেটি হলো- ফ্যানের বাতাস নাকি এসির ঠাণ্ডা হাওয়া স্বাস্থ্যের জন্য কোনটি নিরাপদ?

তবে বিষয়টি শুধু আরাম বা খরচের নয়, বরং সরাসরি জড়িত আমাদের শ্বাসযন্ত্র, ত্বক, এমনকি রোগপ্রতিরোধ ক্ষমতার সঙ্গে। বিশেষ করে শহরের বদ্ধ ঘর, ধুলাবালি, দূষণ আর অতিরিক্ত তাপমাত্রার এই সময়ে ফ্যান ও এসি ব্যবহারের সঠিক পদ্ধতি না জানলে ছোট সমস্যা থেকে বড় স্বাস্থ্যঝুঁকিও তৈরি হতে পারে।

ফ্যানের বাতাস

ফ্যান মূলত ঘরের বাতাসকে ঘুরিয়ে দেয়, নতুন বাতাস তৈরি করে না। ফলে ঘরের ভেতরে যদি ধুলাবালি বা জীবাণু থাকে, তা আরও ছড়িয়ে পড়ে। সরাসরি শরীরে লাগলে অনেকের ক্ষেত্রে মাথাব্যথা বা পেশীতে টান ধরতে পারে। এ ছাড়া অতিরিক্ত গরমে (৩৫°C এর বেশি) ফ্যান অনেক সময় শরীরকে পর্যাপ্ত ঠাণ্ডা করতে পারে না। তবে সুবিধা হলো, ফ্যান বাতাস শুষ্ক করে না। এতে বিদ্যুৎ খরচ কম এবং সর্দি-কাশিরও ঝুঁকি কম। বিশেষজ্ঞদের মতে, প্রাকৃতিক বায়ু চলাচল থাকলে ফ্যান তুলনামূলক নিরাপদ।

এসির বাতাস

এসি ঘরের তাপমাত্রা কমিয়ে দেয়, যা তীব্র গরমে স্বস্তি দেয়। তবে, দীর্ঘ সময় এসিতে থাকলে ত্বক শুষ্ক হয়ে যেতে পারে, ঠাণ্ডা-গরমের হঠাৎ পরিবর্তনে সর্দি-কাশি বা শ্বাসকষ্ট বাড়তে পারে এবং ফিল্টার পরিষ্কার না করলে ব্যাকটেরিয়া ও ছত্রাক জমে শ্বাসযন্ত্রে সমস্যা তৈরি করতে পারে। বিশেষ করে যাদের হাঁপানি বা অ্যালার্জি আছে, তাদের ক্ষেত্রে অপরিষ্কার এসি ঝুঁকিপূর্ণ।

বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (WHO) ও বিভিন্ন গবেষণা অনুযায়ী

১. ঘরের বাতাসের মান (indoor air quality) ঠিক রাখা সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ।

২. এসি ব্যবহার করলে নিয়মিত ফিল্টার পরিষ্কার করতে হবে।

৩. তাপমাত্রা ২৪-২৬ ডিগ্রি সেলসিয়াসে রাখা স্বাস্থ্যসম্মত।

৪. ফ্যান ব্যবহার করলেও জানালা খুলে বায়ু চলাচল নিশ্চিত করা উচিত।

কোনটি বেশি নিরাপদ?

সোজা কথায় কোনোটিই এককভাবে ‘বেশি নিরাপদ’ নয়, বরং ব্যবহার পদ্ধতিই নির্ধারণ করে নিরাপত্তা। স্বাভাবিক আবহাওয়ায় ফ্যানই ভালো। আর তীব্র গরমে এসি কার্যকর, তবে নিয়ম মেনে সেটি ব্যবহার করা জরুরি।

নিরাপদ ব্যবহারের কিছু টিপস

১. ফ্যান সরাসরি শরীরে না লাগিয়ে ঘুরিয়ে দিন।

২. এসির ফিল্টার প্রতি ১৫-৩০ দিনে পরিষ্কার করুন।

৩. এসি থেকে বের হয়ে সঙ্গে সঙ্গে গরমে না যান।

৪. পর্যাপ্ত পানি পান করুন।

Link copied!