× UCB Sticker Card
রবিবার, ১৪ জুন, ২০২৬

ফেসবুক


ইউটিউব


টিকটক

Rupali Bangladesh

ইনস্টাগ্রাম

Rupali Bangladesh

এক্স

Rupali Bangladesh


লিংকডইন

Rupali Bangladesh

পিন্টারেস্ট

Rupali Bangladesh

গুগল নিউজ

Rupali Bangladesh


হোয়াটস অ্যাপ

Rupali Bangladesh

টেলিগ্রাম

Rupali Bangladesh

মেসেঞ্জার গ্রুপ

Rupali Bangladesh


En Bn

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশিত: জুন ১৪, ২০২৬, ১১:৪০ এএম

রামিসা হত্যা: দুই আসামির জেল আপিল গ্রহণ করলেন হাইকোর্ট

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশিত: জুন ১৪, ২০২৬, ১১:৪০ এএম

ছবি : সংগৃহীত

ছবি : সংগৃহীত

রাজধানীর পল্লবীতে শিশু রামিসা ধর্ষণ ও হত্যা মামলায় মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত দুই আসামি সোহেল রানা ও স্বপ্না খাতুনের জেল আপিল গ্রহণ করেছেন হাইকোর্ট।

রোববার (১৪ জুন) বিচারপতি মোহাম্মদ আলী ও বিচারপতি মো. সাইফুল ইসলামের সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চে এ বিষয়ে শুনানি অনুষ্ঠিত হয়। রাষ্ট্রপক্ষে শুনানি করেন অ্যাটর্নি জেনারেল ব্যারিস্টার রুহুল কুদ্দুস কাজল।

জেল আপিলে আসামি সোহেল রানা দাবি করেন, পারিবারিক অশান্তি, মাদকাসক্তি ও আর্থিক সংকটের কারণে অনিচ্ছাকৃতভাবে ঘটনাটি ঘটে যায়। তাঁর ভাষায়, মাদকাসক্ত অবস্থায় কীভাবে ঘটনা ঘটেছে তা তিনি পুরোপুরি বুঝে উঠতে পারেননি।

অন্যদিকে আসামি স্বপ্না খাতুন বলেন, তিনি রামিসা হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে কোনোভাবেই জড়িত নন এবং তাঁকে অন্যায়ভাবে মামলায় অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।

এদিকে শিশু আছিয়া ও শিশু রামিসা ধর্ষণ ও হত্যা মামলার ডেথ রেফারেন্স ও আপিল শুনানি অগ্রাধিকার ভিত্তিতে নিষ্পত্তির আবেদন জানান অ্যাটর্নি জেনারেল। বিচারপতি ভীষ্মদেব চক্রবর্তী ও বিচারপতি কে এম রাশেদুজ্জামান রাজার সমন্বয়ে গঠিত আরেকটি হাইকোর্ট বেঞ্চে এ আবেদন উপস্থাপন করা হয়।

অ্যাটর্নি জেনারেল বলেন, এ ধরনের মামলা সমাজে গভীর প্রভাব ফেলে, তাই দ্রুত নিষ্পত্তির মাধ্যমে দৃষ্টান্ত স্থাপন করা প্রয়োজন। রাষ্ট্রপক্ষ কোনো বিরতি ছাড়া ধারাবাহিকভাবে শুনানি চালাতে প্রস্তুত বলেও জানান তিনি।

এর আগে গত ৭ জুন ঢাকার শিশু সহিংসতা দমন ট্রাইব্যুনাল এই মামলার রায় দেন। রায়ে প্রধান আসামি সোহেল রানাকে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনের সংশ্লিষ্ট ধারায় মৃত্যুদণ্ড এবং ৫ লাখ টাকা অর্থদণ্ড দেওয়া হয়। একই রায়ে সহ-আসামি স্বপ্না খাতুনকেও মৃত্যুদণ্ড ও ২ লাখ টাকা অর্থদণ্ডে দণ্ডিত করা হয়। রায় ঘোষণার পর তাদের কারাগারের কনডেম সেলে রাখা হয়।

মামলার নথি অনুযায়ী, গত ১৯ মে সকালে দ্বিতীয় শ্রেণির শিক্ষার্থী রামিসা আক্তার নিখোঁজ হয়। পরে পরিবারের খোঁজাখুঁজির এক পর্যায়ে একটি ফ্ল্যাট থেকে তার মরদেহ উদ্ধার করা হয়। ঘটনায় দেশজুড়ে ব্যাপক ক্ষোভের সৃষ্টি হয়। পরবর্তীতে তদন্ত শেষে পুলিশ অভিযোগপত্র দাখিল করে এবং দ্রুত বিচার কার্যক্রম শেষে আদালত রায় ঘোষণা করেন।

Link copied!