× UCB Sticker Card
বুধবার, ১০ জুন, ২০২৬

ফেসবুক


ইউটিউব


টিকটক

Rupali Bangladesh

ইনস্টাগ্রাম

Rupali Bangladesh

এক্স

Rupali Bangladesh


লিংকডইন

Rupali Bangladesh

পিন্টারেস্ট

Rupali Bangladesh

গুগল নিউজ

Rupali Bangladesh


হোয়াটস অ্যাপ

Rupali Bangladesh

টেলিগ্রাম

Rupali Bangladesh

মেসেঞ্জার গ্রুপ

Rupali Bangladesh


En Bn

রূপালী প্রতিবেদক

প্রকাশিত: জুন ১০, ২০২৬, ০৩:৪৪ পিএম

যে আইনে বৈধ হলো নাসির-তামিমার বিয়ে

রূপালী প্রতিবেদক

প্রকাশিত: জুন ১০, ২০২৬, ০৩:৪৪ পিএম

নাসির ও তামিমা। ছবি : সংগৃহীত

নাসির ও তামিমা। ছবি : সংগৃহীত

২০১৬ সালে আগের স্বামীকে তালাক দেওয়ার পর ২০২১ সালে ক্রিকেটার নাসির হোসেনকে বিয়ে করতে তামিমা সুলতানা তাম্মির কোনো আইনগত বাধা ছিল না বলে রায়ে উল্লেখ করেছেন আদালত। একই সঙ্গে নাসির হোসেন ও তামিমাকে বেকসুর খালাস দিয়েছেন আদালত।

বুধবার (১০ জুন) ঢাকার অতিরিক্ত চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট জশিতা ইসলামের আদালত এ রায় ঘোষণা করেন।

রায়ে বিচারক বলেন, তামিমার বিরুদ্ধে দণ্ডবিধির ৪৯৪ ধারায় অভিযোগ গঠন করা হয়েছিল। ওই ধারা প্রমাণ করতে হলে দ্বিতীয় বিয়েটি অবৈধ ছিল—এটি প্রমাণ করতে হতো। সেক্ষেত্রে তামিমার আগের স্বামী রাকিবকে দেওয়া তালাক কার্যকর হয়নি বলে প্রতিষ্ঠিত হওয়া প্রয়োজন ছিল। কিন্তু মামলায় উপস্থাপিত তথ্য-প্রমাণে দেখা যায়, তামিমা ২০১৬ সালে রাকিবকে তালাক দেন এবং সেই তালাক যথাযথভাবে নিবন্ধিত হয়।

আদালত পর্যবেক্ষণে বলেন, তালাকনামা, তালাক নিবন্ধনের রেকর্ড এবং সংশ্লিষ্ট রেজিস্ট্রেশন বইয়ে তামিমার স্বাক্ষর রয়েছে। বাদী রাকিব দাবি করেছিলেন, তিনি তালাকের নোটিশ পাননি। তবে আসামিপক্ষ ডাকযোগে নোটিশ পাঠানোর রসিদ আদালতে দাখিল করে। এছাড়া ডাক বিভাগের পোস্ট বিলিকারক আদালতে সাক্ষ্য দিয়ে জানান, তিনি নোটিশ পৌঁছে দিতে গেলেও বাদী তা গ্রহণ করেননি।

রায়ে আরও উল্লেখ করা হয়, ২০১৬ সালে তালাকের পর থেকে ২০২১ সালে নাসিরকে বিয়ে করা পর্যন্ত রাকিব ও তামিমার মধ্যে মাত্র কয়েকবার দেখা হয়েছিল। এতে তারা স্বামী-স্ত্রীর মতো একসঙ্গে বসবাস করে দাম্পত্য জীবন অতিবাহিত করেছেন—এমন কোনো প্রমাণ পাওয়া যায়নি। মামলার সাক্ষ্য দেওয়া তাদের সন্তানও আদালতকে জানিয়েছে, তার মা তাকে সঙ্গে নিয়ে হোটেল লা মেরিডিয়ানে গিয়ে বাবার সঙ্গে দেখা করতেন।

আদালত বলেন, বাদী তামিমাকে ‘তালাকে তাফউইজ’ প্রদানের ক্ষমতা দিয়েছিলেন এবং সেই ক্ষমতা ব্যবহার করে তামিমা ২০১৬ সালে তালাক কার্যকর করেন, যা নিবন্ধিতও হয়েছে। ফলে দীর্ঘদিন পর ২০২১ সালে নাসির হোসেনকে বিয়ে করতে তার কোনো আইনগত বাধা ছিল না। পাশাপাশি মামলায় আনা অন্যান্য অভিযোগও বাদীপক্ষ প্রমাণ করতে ব্যর্থ হয়েছে। এ কারণে নাসির হোসেন ও তামিমা সুলতানাকে বেকসুর খালাস দেওয়া হয়।

এর আগে গত ৬ মে মামলার যুক্তিতর্ক উপস্থাপন শেষে বাদীপক্ষের আইনজীবী ইসরাত হাসান আসামিদের সর্বোচ্চ সাজা দাবি করেন। অন্যদিকে আসামিপক্ষের আইনজীবী আজিজুর রহমান দুলু তাদের নির্দোষ দাবি করে খালাসের আবেদন জানান।

মামলার অভিযোগ অনুযায়ী, ২০১১ সালের ২৬ ফেব্রুয়ারি তামিমা ও রাকিবের বিয়ে হয় এবং তাদের একটি কন্যাসন্তান রয়েছে। ২০২১ সালের ১৪ ফেব্রুয়ারি নাসির হোসেন ও তামিমার বিয়ের ছবি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ার পর রাকিব দাবি করেন, তাদের বৈবাহিক সম্পর্ক বহাল থাকা অবস্থায় তামিমা দ্বিতীয় বিয়ে করেছেন, যা ধর্মীয় ও রাষ্ট্রীয় আইন অনুযায়ী অবৈধ।

পরে ২০২১ সালের ৩০ সেপ্টেম্বর পিবিআইয়ের তদন্ত কর্মকর্তা শেখ মো. মিজানুর রহমান নাসির হোসেন, তামিমা সুলতানা ও তামিমার মাকে অভিযুক্ত করে আদালতে প্রতিবেদন জমা দেন। তবে ২০২২ সালের ২৪ জানুয়ারি আদালত নাসির ও তামিমার বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করে বিচার শুরুর আদেশ দিলেও তামিমার মা সুমি আক্তারকে অব্যাহতি দেওয়া হয়। মামলায় মোট ১০ জন সাক্ষীর সাক্ষ্য গ্রহণ শেষে আদালত এ রায় দেন।

রূপালী বাংলাদেশ

Link copied!