× UCB Sticker Card
বৃহস্পতিবার, ০৪ জুন, ২০২৬

ফেসবুক


ইউটিউব


টিকটক

Rupali Bangladesh

ইনস্টাগ্রাম

Rupali Bangladesh

এক্স

Rupali Bangladesh


লিংকডইন

Rupali Bangladesh

পিন্টারেস্ট

Rupali Bangladesh

গুগল নিউজ

Rupali Bangladesh


হোয়াটস অ্যাপ

Rupali Bangladesh

টেলিগ্রাম

Rupali Bangladesh

মেসেঞ্জার গ্রুপ

Rupali Bangladesh


En Bn

রূপালী প্রতিবেদক

প্রকাশিত: ডিসেম্বর ১৮, ২০২৫, ০৭:২৮ পিএম

বিপাকে মোবাইল ব্যবসায়ীরা, প্রধান উপদেষ্টার হস্তক্ষেপের দাবি

রূপালী প্রতিবেদক

প্রকাশিত: ডিসেম্বর ১৮, ২০২৫, ০৭:২৮ পিএম

ছবি- রূপালী বাংলাদেশ গ্রাফিক্স

ছবি- রূপালী বাংলাদেশ গ্রাফিক্স

মোবাইল ব্যবসায়ীরা প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূসকে চিঠি দিয়ে জানিয়েছেন, বিশেষ সহকারী ফয়েজ আহমদ তৈয়্যব ‘এনইআইআর’ বাস্তবায়নের ক্ষেত্রে দেওয়া প্রতিশ্রুতি ভঙ্গ করেছেন। ব্যবসায়ীরা বলেছেন, এই কারণে প্রায় ২৫ হাজার মোবাইল ব্যবসায়ী সমস্যায় পড়েছেন এবং তারা প্রধান উপদেষ্টার হস্তক্ষেপ চেয়েছেন।

বৃহস্পতিবার রাজধানীর তেজগাঁওস্থ প্রধান উপদেষ্টার কার্যালয়ে মোবাইল ব্যবসায়ীদের সংগঠন এমবিসিবি (মোবাইল বিজনেস কমিউনিটি বাংলাদেশ) নেতৃবৃন্দ চিঠিটি পৌঁছে দেন। চিঠিটি এমবিসিবি সভাপতি মোহাম্মদ আসলাম স্বাক্ষরিত।

চিঠিতে ব্যবসায়ীরা উল্লেখ করেছেন, ‘গত ৯ ডিসেম্বর রাত ৮টার দিকে আপনার বিশেষ সহকারী আমাদের ডেকে আমাদেরকে আশ্বস্ত করেছিলেন যে, এনইআইআর বাস্তবায়নের ক্ষেত্রে ব্যবসায়ীদের জন্য অন্তত ৩ মাসের ‘গ্রেস পিরিয়ড’ দেওয়া হবে। তিনি পরদিন সচিবালয়ের সভায় উপস্থিত থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে এই ঘোষণা দেবেন। কিন্তু তিনি উপস্থিত হননি। পরে টেলিফোনে যুক্ত হয়ে ৩ মাস সময় দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন এবং আশ্বস্ত করেছেন যে, এই সময়ের মধ্যে নেটওয়ার্কে সংযুক্ত কোনো ডিভাইস বন্ধ হবে না।’

তবে ব্যবসায়ীরা জানিয়েছেন, ১৫ ডিসেম্বর বিটিআরসি (বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশন) একটি প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে ঘোষণা দিয়েছে, ৩ মাস নয়, কেবল ১৫ দিনের সময় দেওয়া হবে এবং এটি ১ জানুয়ারি ২০২৬ থেকে কার্যকর হবে। মূল প্রতিশ্রুতি অনুযায়ী এটি ১৬ মার্চ ২০২৬ থেকে শুরু হওয়ার কথা ছিল। এই ঘোষণা মোবাইল ব্যবসায়ীদের মধ্যে হতাশা ও আতঙ্ক সৃষ্টি করেছে।

এ ছাড়া ব্যবসায়ীরা জানান, বিটিআরসির সঙ্গে যোগাযোগের সময় জানা গেছে, তারা এ বিষয়ে কোনো লিখিত নির্দেশনা পাননি। সচিবালয়ে যোগাযোগ করলে বলা হয়, বিষয়টি সমাধানের জন্য বিশেষ সহকারীর সঙ্গে কথা বলতে হবে। এ পর্যন্ত মন্ত্রণালয় ও বিটিআরসির পক্ষ থেকে কোনো উদ্যোগ দেখা যায়নি।

এ পরিস্থিতিতে এমবিসিবি নেতৃবৃন্দ প্রধান উপদেষ্টার কাছে লিখেছেন, ‘ন্যায্যতা, স্বচ্ছতা এবং ব্যবসাবান্ধব নীতিমালা নিশ্চিত করার জন্য অবিলম্বে মাননীয় প্রধান উপদেষ্টার হস্তক্ষেপ প্রয়োজন।’

Link copied!