× UCB Sticker Card
বৃহস্পতিবার, ০৪ জুন, ২০২৬

ফেসবুক


ইউটিউব


টিকটক

Rupali Bangladesh

ইনস্টাগ্রাম

Rupali Bangladesh

এক্স

Rupali Bangladesh


লিংকডইন

Rupali Bangladesh

পিন্টারেস্ট

Rupali Bangladesh

গুগল নিউজ

Rupali Bangladesh


হোয়াটস অ্যাপ

Rupali Bangladesh

টেলিগ্রাম

Rupali Bangladesh

মেসেঞ্জার গ্রুপ

Rupali Bangladesh


En Bn

রূপালী প্রতিবেদক

প্রকাশিত: ডিসেম্বর ৩০, ২০২৫, ০৬:৪৪ পিএম

অধ্যাপক আবু সুফিয়ানের ‘বীর প্রতীক’ খেতাব বাতিল

রূপালী প্রতিবেদক

প্রকাশিত: ডিসেম্বর ৩০, ২০২৫, ০৬:৪৪ পিএম

অধ্যাপক আবু সুফিয়ান। ছবি- সংগৃহীত

অধ্যাপক আবু সুফিয়ান। ছবি- সংগৃহীত

অধ্যাপক আবু সুফিয়ানের নামের সঙ্গে যুক্ত করা ‘বীর প্রতীক’ খেতাব বাতিল করেছে সরকার। একই সঙ্গে তিনি প্রকৃতপক্ষে মুক্তিযোদ্ধা ছিলেন কি না তা যাচাই-বাছাইয়ের জন্য নোটিশ দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

সোমবার (২৯ ডিসেম্বর) মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত মহাপরিচালক শাহিনা খাতুনের স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, খুলনার দৌলতপুর উপজেলার বাসিন্দা অধ্যাপক আবু সুফিয়ান (পিতা মৃত সামসুদ্দিন বিশ্বাস) ২২ নভেম্বর ২০২০ সালে বেসামরিক গেজেট নম্বর-৪১৯৩ অনুযায়ী মুক্তিযোদ্ধা হিসেবে তালিকাভুক্ত হন। পরবর্তীতে তার স্ত্রী ও সাবেক প্রতিমন্ত্রী বেগম মুন্নুজান সুফিয়ান একটি ডিও লেটারের মাধ্যমে তার নামের শেষে ‘বীর প্রতীক’ যুক্ত করার আবেদন করেন। ওই আবেদনে মুক্তিযুদ্ধে বিশেষ অবদানের দাবি করা হলেও তা সঠিক নয় এমন অভিযোগ ওঠে।

ডিও লেটারের পরিপ্রেক্ষিতে মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রণালয় ১৫ জুন ২০২৩ সালে ৪৮.০০.০০০০.০০৪.৩১.০৫২.২০১৯/২৮৭ নম্বর প্রজ্ঞাপনের মাধ্যমে অধ্যাপক আবু সুফিয়ানের নামের সঙ্গে ‘বীর প্রতীক’ যুক্ত করে পূর্বের বেসামরিক গেজেট সংশোধন করে।

এ সিদ্ধান্তকে কেন্দ্র করে সম্প্রতি বীর মুক্তিযোদ্ধাদের মধ্যে বিরূপ প্রতিক্রিয়া দেখা দিলে বিষয়টি মন্ত্রণালয়ের নজরে আসে। এরপর জাতীয় মুক্তিযোদ্ধা কাউন্সিলের (জামুকা) ১০২তম সভায় বিষয়টি আলোচনা করা হয়। সভায় ১৫ জুন ২০২৩ সালের সংশোধিত প্রজ্ঞাপন বাতিলের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয় এবং অধ্যাপক আবু সুফিয়ান প্রকৃত মুক্তিযোদ্ধা কি না তা যাচাইয়ের জন্য নোটিশ দেওয়ার সিদ্ধান্ত হয়।

উল্লেখ্য, ১৯৭১ সালের মহান মুক্তিযুদ্ধে অসামান্য বীরত্বপূর্ণ অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ ১৯৭৩ সালে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ থেকে বীর শ্রেষ্ঠ, বীর উত্তম, বীর বিক্রম ও বীর প্রতীক এই চারটি রাষ্ট্রীয় খেতাবে ৪৭৬ জন বীর মুক্তিযোদ্ধাকে ভূষিত করে গেজেট প্রকাশ করা হয়। ওই তালিকায় অধ্যাপক আবু সুফিয়ানের নাম অন্তর্ভুক্ত ছিল না। পরবর্তীতে মুক্তিযুদ্ধে বীরত্বের জন্য নতুন করে আর কাউকে রাষ্ট্রীয় খেতাব দেওয়া হয়নি।

মন্ত্রণালয় সূত্র জানায়, ২০২৩ সালের সংশোধিত গেজেট থেকে সৃষ্ট বিভ্রান্তি নিরসনের লক্ষ্যেই সর্বশেষ এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

Link copied!