× UCB Sticker Card
বৃহস্পতিবার, ০৪ জুন, ২০২৬

ফেসবুক


ইউটিউব


টিকটক

Rupali Bangladesh

ইনস্টাগ্রাম

Rupali Bangladesh

এক্স

Rupali Bangladesh


লিংকডইন

Rupali Bangladesh

পিন্টারেস্ট

Rupali Bangladesh

গুগল নিউজ

Rupali Bangladesh


হোয়াটস অ্যাপ

Rupali Bangladesh

টেলিগ্রাম

Rupali Bangladesh

মেসেঞ্জার গ্রুপ

Rupali Bangladesh


En Bn

রূপালী প্রতিবেদক

প্রকাশিত: জানুয়ারি ৪, ২০২৬, ০৬:৫৪ পিএম

নতুন পাঠ্যবইয়ে স্বাধীনতার ঘোষক জিয়াউর রহমান

রূপালী প্রতিবেদক

প্রকাশিত: জানুয়ারি ৪, ২০২৬, ০৬:৫৪ পিএম

নতুন পাঠ্যবইয়ে স্বাধীনতার ঘোষক জিয়াউর রহমান। ছবি- সংগৃহীত

নতুন পাঠ্যবইয়ে স্বাধীনতার ঘোষক জিয়াউর রহমান। ছবি- সংগৃহীত

জাতীয় শিক্ষাক্রম ও পাঠ্যপুস্তক বোর্ড (এনসিটিবি) ২০২৬ শিক্ষাবর্ষের নতুন পাঠ্যবইয়ের অনলাইন সংস্করণ প্রকাশ করেছে। এতে ষষ্ঠ শ্রেণির বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয় বইয়ে উল্লেখ করা হয়েছে, ১৯৭১ সালের ২৬ মার্চ মেজর জিয়াউর রহমান স্বাধীনতার ঘোষণা দেন। পাশাপাশি বলা হয়েছে, ২৭ মার্চ তিনি শেখ মুজিবুর রহমানের পক্ষে স্বাধীনতার ঘোষণা পুনরায় দেন।

নতুন পাঠ্যবইয়ে সপ্তম, অষ্টম এবং নবম-দশম শ্রেণির বইয়েও মুক্তিযুদ্ধের প্রেক্ষাপটে শেখ মুজিবুর রহমান ও আওয়ামী লীগের ভূমিকা সীমিতভাবে বা অনুপস্থিতভাবে দেখানো হয়েছে। তবে সপ্তম শ্রেণির বইয়ে ১৯৭০ সালের নির্বাচনের উল্লেখ রয়েছে এবং বঙ্গবন্ধুর ছবি অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।

সপ্তম, অষ্টম এবং নবম-দশম শ্রেণির বইয়েও মুক্তিযুদ্ধের পটভূমিতে শেখ মুজিবুর রহমান ও আওয়ামী লীগের ভূমিকা সীমিত বা অনুপস্থিত রাখা হয়েছে। তবে সপ্তম শ্রেণির বইয়ে ১৯৭০ সালের নির্বাচনে আওয়ামী লীগের উল্লেখ এবং মুজিবুর রহমান ছবি রয়েছে।

ষষ্ঠ শ্রেণির বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয় বইটির পাঠ-৯-এর বাংলাদেশ সৃষ্টির পটভূমি ও স্বাধীন বাংলাদেশ অধ্যায়ে উল্লেখ করা হয়েছে, ‘মুসলিম সংখ্যাগরিষ্ঠ অঞ্চল নিয়ে ১৯৪৭ সালের ১৪ আগস্ট পাকিস্তান রাষ্ট্র গঠিত হয়। পাকিস্তান ছিল দুটি ভিন্ন অঞ্চল নিয়ে গঠিত। ভৌগোলিকভাবে দূর-অবস্থিত ভূখণ্ডের পশ্চিম অংশটিকে বলা হতো, পশ্চিম পাকিস্তান আর পূর্ব অংশটিকে বলা হতো পূর্ব পাকিস্তান। 

তৎকালীন দুই অংশে বিভক্ত পাকিস্তানের শাসন ক্ষমতা ছিল, পশ্চিম পাকিস্তানিদের হাতে। তারাও নানাভাবে পূর্ব পাকিস্তানের মানুষকে শোষণ করত। একটা পর্যায়ে অধিকার আদায়ের সংগ্রামে একত্র হয় পূর্ব পাকিস্তানের মানুষ। পশ্চিম পাকিস্তানি শাসকরা বুঝতে পারে, পূর্ব পাকিস্তানের ওপর তাদের আধিপত্য আর ধরে রাখা সম্ভব নয়। ১৯৭১ সালের ২৫ মার্চ পাকিস্তানি সেনাবাহিনী আক্রমণ চালিয়ে গণহত্যা শুরু করে। তাদের বিরুদ্ধে বিরুদ্ধে প্রতিরোধ গড়ে তোলে পূর্ব পাকিস্তানের মানুষ।

২৬ মার্চ তারিখে মেজর জিয়াউর রহমান চট্টগ্রামের কালুরঘাট বেতারকেন্দ্র থেকে বাংলাদেশের স্বাধীনতা ঘোষণা করেন। এরপর তিনি ২৭শে মার্চ শেখ মুজিবুর রহমানের পক্ষে আবারও স্বাধীনতার ঘোষণা দেন। দীর্ঘ নয় মাস রক্তক্ষয়ী যুদ্ধের পর ১৬ ডিসেম্বর, ১৯৭১ জন্ম নেয় একটি স্বাধীন ও সার্বভৌম রাষ্ট্র, বাংলাদেশ।’

বইয়ের পাঠ-১০-এর স্বাধীন বাংলাদেশের অভ্যুত্থান অধ্যায়ে লেখা হয়েছে, ‘১৯৭১ সালে স্বাধীনতার পর বাংলাদেশ গণতান্ত্রিক শাসন ব্যবস্থা চালু হয়। কিন্তু ১৯৭৫ সালে সংবিধান সংশোধনের মাধ্যমে শুরু হয় বাকশাল নামক একদলীয় শাসন। ১৯৭৯ সালে প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান আবার বহুদলীয় গণতন্ত্র চালু করেন। 

১৯৮২ সালে তৎকালীন সেনাবাহিনী-প্রধান হুসেইন মুহাম্মদ এরশাদ অবৈধভাবে ক্ষমতা দখল করে দেশে স্বৈরশাসন শুরু করেন। এতে জনগণের মধ্যে ক্ষোভ বৃদ্ধি পেতে থাকে। ছাত্রসমাজ, রাজনৈতিক দল ও সাধারণ মানুষ একজোট হয়ে গণতন্ত্র ফিরে পেতে আন্দোলন শুরু করে। টানা আন্দোলন ও সংগ্রামের পর ১৯৯০ সালে এক গণ-অভ্যুত্থানের মাধ্যমে স্বৈরাচারী এরশাদ সরকারের পতন হয়। বাংলাদেশে সংসদীয় গণতন্ত্র আবার যাত্রা শুরু করে।’

এর আগে গত রোববার (২৮ ডিসেম্বর) এনসিটিবির ওয়েবসাইটে আনুষ্ঠানিকভাবে এসব পাঠ্যবই আপলোড করা হয়। অনুষ্ঠানে শিক্ষা উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. চৌধুরী রফিকুল আবরার এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষা উপদেষ্টা অধ্যাপক ডা. বিধানরঞ্জন রায় পোদ্দার অনলাইন সংস্করণ উন্মুক্ত করেন। 

Link copied!