× UCB Sticker Card
বৃহস্পতিবার, ০৪ জুন, ২০২৬

ফেসবুক


ইউটিউব


টিকটক

Rupali Bangladesh

ইনস্টাগ্রাম

Rupali Bangladesh

এক্স

Rupali Bangladesh


লিংকডইন

Rupali Bangladesh

পিন্টারেস্ট

Rupali Bangladesh

গুগল নিউজ

Rupali Bangladesh


হোয়াটস অ্যাপ

Rupali Bangladesh

টেলিগ্রাম

Rupali Bangladesh

মেসেঞ্জার গ্রুপ

Rupali Bangladesh


En Bn

রূপালী প্রতিবেদক

প্রকাশিত: জানুয়ারি ১২, ২০২৬, ০৪:৪০ পিএম

‘স্বতন্ত্র প্রার্থীদের নির্বাচনের মাঠ থেকে সরিয়ে দেওয়ার ষড়যন্ত্র চলছে’

রূপালী প্রতিবেদক

প্রকাশিত: জানুয়ারি ১২, ২০২৬, ০৪:৪০ পিএম

সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী ব্যারিস্টার এ এস এম শাহরিয়ার কবির। ছবি- সংগৃহীত

সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী ব্যারিস্টার এ এস এম শাহরিয়ার কবির। ছবি- সংগৃহীত

স্বতন্ত্র প্রার্থীদের নির্বাচন থেকে সরিয়ে দিতে পরিকল্পিতভাবে আপত্তি, কাগজপত্র নিয়ে বিতর্ক ও শুনানিতে বাধা সৃষ্টি করা হচ্ছে। এ ধরনের কৌশল দিয়ে কোনো দলই শেষ পর্যন্ত লাভবান হবে না বলে জানিয়েছেন সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী ব্যারিস্টার এ এস এম শাহরিয়ার কবির।

সোমবার (১২ জানুয়ারি) রিটার্নিং কর্মকর্তার সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে আপিল করে নির্বাচন কমিশনে (ইসি) শুনানি শেষে প্রার্থিতা ফিরে পেয়েছেন গোপালগঞ্জ-১ আসনের স্বতন্ত্র প্রার্থী আশরাফুল আলম। ইসিতে শুনানি শেষে তার মনোনয়ন বৈধ ঘোষণা করা হয়।

এ দিন দুপুরে ইসির শুনানিতে আশরাফুল আলমের পক্ষে অংশ নেন ব্যারিস্টার এ এস এম শাহরিয়ার কবির।

তিনি বলেন, আশরাফুল আলম ১৯৯১ ও ১৯৯৬ সালে বিএনপির সংসদ সদস্য ছিলেন। আশরাফুল আলম নিজেও বিএনপির রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত এবং তিনি একজন স্বতন্ত্র প্রার্থী। এর আগেও তিনি নৌকার বিপক্ষে জগ মার্কা নিয়ে নির্বাচনে জয়ী হয়েছেন।

শাহরিয়ার কবির বলেন, কোনোভাবেই যেন এই স্বতন্ত্র প্রার্থী নির্বাচনে অংশ নিতে না পারেন, সেজন্য পরিকল্পিতভাবে তার বিরুদ্ধে অভিযোগ আনা হয়েছে। মনোনয়নপত্রে একটি স্বাক্ষর নিয়ে আপত্তি তোলা হয়। অথচ সংশ্লিষ্ট নারী ভোটার স্বাক্ষর করেছেন— এর প্রমাণ শুনানিতে উপস্থাপন করা হয়েছে। তা সত্ত্বেও একপর্যায়ে বলা হয়, ওই স্বাক্ষর তিনি করেননি।

তিনি বলেন, সংশ্লিষ্ট প্রিজাইডিং কর্মকর্তার বক্তব্য অনুযায়ী সবার কাগজপত্র ঠিক থাকলেও কেবল একজন প্রার্থীর ক্ষেত্রেই আপত্তি তোলা হয়েছে। এমনকি শুনানিতে প্রতিদ্বন্দ্বী এক প্রার্থী এসে আশরাফুল আলমের প্রার্থিতার বিরুদ্ধে আপত্তি জানান, যাতে তিনি স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে নির্বাচনে অংশ নিতে না পারেন।

ব্যারিস্টার শাহরিয়ার কবির বলেন, ভোট একটি আমানত। স্বতন্ত্র প্রার্থীদের এভাবে নির্বাচনের মাঠ থেকে সরিয়ে দেওয়ার চেষ্টা স্পষ্ট ষড়যন্ত্র এবং এটি নির্বাচনি প্রকৌশল বা ‘ইলেকশন ইঞ্জিনিয়ারিং’। এ ধরনের কৌশল দিয়ে কোনো দলই শেষ পর্যন্ত লাভবান হবে না।

তিনি বলেন, আশরাফুল আলম অতীতে মেয়র ও ভাইস চেয়ারম্যান নির্বাচন করেছেন। ২০০৯ সালে তিনি ভাইস চেয়ারম্যান নির্বাচিত হন। নৌকার বিপক্ষে জগ মার্কা নিয়ে জয়ী হওয়ার নজিরও রয়েছে। ফ্যাসিস্ট আমলেও তিনি তিনবার চেয়ারম্যান ও পৌরসভার চেয়ারম্যান নির্বাচিত হয়েছেন। অথচ এখন তাকে পরিকল্পিতভাবে বিতর্কিত করার চেষ্টা করা হচ্ছে। ভোটের মাধ্যমে জনগণই ঠিক করবে কে জিতবে, কে হারবে। 

রূপালী বাংলাদেশ

Link copied!