১২ ফেব্রুয়ারি নির্বাচন ও গণভোটের দিন এবং এর আগে ও পরে নির্দিষ্ট নৌযান চলাচলের ওপর নিষেধাজ্ঞা আরোপ করেছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। তবে জরুরি সেবা ও নির্দিষ্ট কিছু ক্ষেত্রে এই নিষেধাজ্ঞা শিথিল থাকবে।
মঙ্গলবার (২৭ জানুয়ারি) নির্বাচন পরিচালনা-২ অধিশাখার উপসচিব মোহাম্মদ মনির হোসেন স্বাক্ষরিত এক চিঠিতে নৌ-পরিবহন মন্ত্রণালয়ের সচিবকে এই নির্দেশনা বাস্তবায়নের অনুরোধ জানানো হয়েছে।
ইসির নির্দেশনা অনুযায়ী, ভোটগ্রহণের জন্য নির্ধারিত দিন তথা ১২ ফেব্রুয়ারির পূর্ববর্তী মধ্যরাত অর্থাৎ ১১ ফেব্রুয়ারি মধ্যরাত ১২টা থেকে ১২ ফেব্রুয়ারি মধ্যরাত ১২টা পর্যন্ত এই নিষেধাজ্ঞা কার্যকর থাকবে। লঞ্চ ও ইঞ্জিনচালিত বোট (নির্দিষ্ট রুটে চলাচলকারী ব্যতীত) চলাচলের ওপর এ নিষেধাজ্ঞা থাকবে।
রিটার্নিং অফিসারের অনুমতি সাপেক্ষে প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থী, নির্বাচনী এজেন্ট এবং দেশি-বিদেশি পর্যবেক্ষক (পরিচয়পত্র থাকা সাপেক্ষে) এই নিষেধাজ্ঞার আওতামুক্ত।
এছাড়া নির্বাচনের সংবাদ সংগ্রহে নিয়োজিত দেশি-বিদেশি সাংবাদিক, নির্বাচন সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা-কর্মচারী, আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী, অ্যাম্বুলেন্স, ফায়ার সার্ভিস, বিদ্যুৎ, গ্যাস, ডাক ও টেলিযোগাযোগ কর্মীরা, ভোটারদের জন্য ব্যবহৃত নৌযান এবং দূরপাল্লার নৌযান নিষেধাজ্ঞার বাইরে থাকবে।
চিঠিতে আরও বলা হয়েছে, স্থানীয় বাস্তবতা ও প্রয়োজন অনুযায়ী সংশ্লিষ্ট জেলা ম্যাজিস্ট্রেট বা মেট্রোপলিটন পুলিশ কমিশনারকে আরও কিছু নৌযান চলাচলের ওপর নিষেধাজ্ঞা আরোপ বা শিথিল করার ক্ষমতা দেওয়া হয়েছে।

সর্বশেষ খবর পেতে রুপালী বাংলাদেশের গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন