ঢাকা বৃহস্পতিবার, ০৪ জুন, ২০২৬

মির্জা আব্বাস ও নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী রাজপথের লড়াই থেকে অনলাইন গেইমে

রূপালী প্রতিবেদক
প্রকাশিত: ফেব্রুয়ারি ৫, ২০২৬, ০৪:২৩ পিএম
অনলাইন গেইম পাটাব্বাস। ছবি : সংগৃহীত

ঢাকা-৮ আসনের ১১ জন প্রার্থীর মধ্যে বিভিন্ন কারণে বেশ আলোচনায় রয়েছেন বিএনপি সমর্থিত হেভিওয়েট প্রার্থী মির্জা আব্বাস, ১১ দলীয় জোট থেকে সমর্থিত এনসিপির প্রার্থী নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী এবং গণঅধিকার পরিষদের মেঘনা আলম। 

১১ জন প্রার্থী আগামী নির্বাচনে অংশগ্রহণ করলেও প্রধান দুই প্রতিদ্বন্দী হিসেবে মাঠ কাঁপাচ্ছেন বিএনপির প্রার্থী মির্জা আব্বাস ও এনসিপি প্রার্থী নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী। তাদের এই নির্বাচনি উত্তাপ ছড়িয়ে পড়েছে রাজপথ থেকে অনলাইন গেইমে। 

অনলাইন গেইম ‘পাটাব্বাস’ ব্যাপক জনপ্রিয়তা পেয়েছে। গেমটি উপভোগ করছে ঢাকা ৮ আসনের যুবসমাজ। খেলে একজন আর আগ্রহ নিয়ে খেলাটি উপভোগ করে একাধিক মানুষ। গেমটি নিয়ে হাসির খোরাক ও সৃষ্টি হয়েছে একে অপরের মধ্যে। শন্তিনগর, মতিঝিল বা দৈনিক বাংলা মোড় অথবা রাস্তার পাশে যেকোনো চায়ের দোকান, প্রায় জায়গায় দেখা যায় মানুষের ছোট ছোট জটলা। জনমনে প্রশ্ন, কী চলছে এই জটলায় ? উঁকি দিয়ে দেখতেই চোখে পড়বে মুঠোফোনে চলছে ‘পাটাব্বাস’গেইম। জানতে চাইলেই উত্তর, এটা পাটাব্বাস গেম, খুব মজা পাইছি।     

বেশ কিছুদিন ধরে ফেসবুকসহ বিভিন্ন সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ব্যাপকভাবে ছড়িয়ে পড়া নতুন এই অনলাইন গেমটি তৈরি হয়েছে ঢাকা-৮ আসনের প্রধান দুই প্রতিন্দ্বন্দী প্রার্থী মির্জা আব্বাস এবং নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারীর মধ্যকার ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনি প্রচারণা ও দুজনের সাপে নেউলের সম্পর্কের প্রেক্ষিতে। গেমটিতে ‘পাটাব্বাস’ নামটিও রাখা হয়েছে নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী ও মির্জা আব্বাস এই দুজনের নামের সংমিশ্রণে।

‘গেমটিতে মির্জা আব্বাস ঢাকা-৮-এর কিং আর নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী হলেন মশা। যে গেইমটা খেলবে, তার কাজ হলো নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারীর (মশা) কামড় থেকে মির্জা আব্বাসকে (কিং) রক্ষা করা। কামড় থেকে রক্ষা করতে না পারলে মির্জা আব্বাস রেগে যান, আর রেগে গেলেই গেইম ওভার হয়ে যায়। 

উল্লেখ্য, প্রার্থী হিসেবে নাম ঘোষণার পর থেকেই বিভিন্ন বিষয়ে একে অপরের বিরুদ্ধে পাল্টা-পাল্টি অভিযোগ করে আসছিলেন বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) ও জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) এই দুই প্রার্থী। সম্প্রতি ঢাকায় একটি অনুষ্ঠানে পাটওয়ারীকে লক্ষ্য করে ডিম নিক্ষেপের ঘটনাও ঘটেছে। এ ঘটনার পর দু’পক্ষের বৈরীতায় নতুন মাত্রা যুক্ত হয়েছে, যা নিয়ে ভোটারদের মধ্যে উদ্বেগ লক্ষ করা যাচ্ছে।