× UCB Sticker Card
বৃহস্পতিবার, ০৪ জুন, ২০২৬

ফেসবুক


ইউটিউব


টিকটক

Rupali Bangladesh

ইনস্টাগ্রাম

Rupali Bangladesh

এক্স

Rupali Bangladesh


লিংকডইন

Rupali Bangladesh

পিন্টারেস্ট

Rupali Bangladesh

গুগল নিউজ

Rupali Bangladesh


হোয়াটস অ্যাপ

Rupali Bangladesh

টেলিগ্রাম

Rupali Bangladesh

মেসেঞ্জার গ্রুপ

Rupali Bangladesh


En Bn

রূপালী প্রতিবেদক

প্রকাশিত: ফেব্রুয়ারি ৮, ২০২৬, ১০:২১ পিএম

থাইল্যান্ড উপকূলে কন্টেইনার জাহাজডুবি, ১৬ বাংলাদেশি নাবিক উদ্ধার

রূপালী প্রতিবেদক

প্রকাশিত: ফেব্রুয়ারি ৮, ২০২৬, ১০:২১ পিএম

পানামার পতাকাবাহী একটি পণ্যবাহী জাহাজ ডুবে যায়।

পানামার পতাকাবাহী একটি পণ্যবাহী জাহাজ ডুবে যায়।

মালয়েশিয়া থেকে চট্টগ্রাম বন্দরের উদ্দেশে যাত্রাকালে থাইল্যান্ডের ফুকেট উপকূলের কাছে পানামার পতাকাবাহী একটি পণ্যবাহী জাহাজ ডুবে গেছে। গত শনিবার (০৬ ফেব্রুয়ারি) বিকেল সাড়ে ৩টার দিকে ফুকেট উপকূল থেকে প্রায় ৩ থেকে ৪ নটিক্যাল মাইল দূরে গভীর সমুদ্রে এ দুর্ঘটনা ঘটে।

ডুবে যাওয়া জাহাজটির নাম ‘এমভি সিলয়েড এআরসি (SEALLOYD ARC)’। জাহাজটিতে থাকা ১৬ জন নাবিকের সবাই বাংলাদেশি এবং থাই নেভির সহায়তায় তাদের নিরাপদে উদ্ধার করা হয়েছে। উদ্ধারকৃত নাবিকদের ফুকেটের একটি হোটেলে রাখা হয়েছে এবং তারা সবাই সুস্থ রয়েছেন।

জাহাজটির বাংলাদেশি এজেন্ট আলভি লাইন্স বাংলাদেশ-এর অপারেশনাল ম্যানেজার বোরহান উদ্দিন জানান, দুর্ঘটনার সময় জাহাজটি হঠাৎ প্রায় ৩০ ডিগ্রি কাত হয়ে যায়। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে গেলে ক্যাপ্টেন জাহাজটি পরিত্যক্ত ঘোষণা করেন। কী কারণে জাহাজটি কাত হয়ে ডুবে গেছে, তাৎক্ষণিকভাবে তা জানা যায়নি।

থাই মেরিটাইম এনফোর্সমেন্ট কমান্ড সেন্টার (থাই-এমইসিসি) রিজিয়ন ৩ জানায়, ৪,৩৩৯ টন ওজনের জাহাজটি মোট ২৯৭টি কন্টেইনার বহন করছিল, এর মধ্যে ১৪টিতে বিপজ্জনক পদার্থ ছিল। জাহাজটির সঙ্গে সব কন্টেইনারই সমুদ্রে ডুবে গেছে।

দুর্ঘটনার পর আন্দামান সাগরে তেল ছড়িয়ে পড়ার ঘটনাও ধরা পড়েছে। আকাশপথে চালানো এক জরিপে পশ্চিম দিকে প্রায় ৪.৫ মাইল দীর্ঘ এবং ১ মাইল প্রশস্ত তেল ছড়িয়ে পড়ার চিহ্ন দেখা গেছে। তবে এখন পর্যন্ত ফুকেটের উপকূলে তেল পৌঁছানোর কোনো তথ্য পাওয়া যায়নি।

কর্তৃপক্ষ ঘটনাটিকে বৃহৎ পরিসরের সামুদ্রিক জরুরি পরিস্থিতি হিসেবে ঘোষণা করেছে। পরিবেশগত ঝুঁকি ও নৌচলাচলের সম্ভাব্য বিপদ মোকাবিলায় রবিবার নৌ অঞ্চল-৩-এর কমান্ডার ভাইস অ্যাডমিরাল উইরুদম মুয়াংচিনের সভাপতিত্বে একটি কমান্ড সেন্টার গঠন করা হয়।

জরুরি কার্যক্রমের মধ্যে রয়েছে তেল ছড়িয়ে পড়া নিয়ন্ত্রণ ও অপসারণ, অতিরিক্ত তেল লিক রোধ, ডুবে যাওয়া কন্টেইনার উদ্ধারে ব্যবস্থা নেওয়া, নৌচলাচল নিরাপদ রাখা এবং পরিবেশগত প্রভাব মূল্যায়ন। প্রতিদিন সকাল ৮টা ও বিকেল ৩টায় পরিস্থিতি পর্যালোচনা ও অপারেশনাল ব্রিফিং অনুষ্ঠিত হচ্ছে।

ফুকেটের গভর্নর নিরাত পংসিতথাওর্ন জানান, জাহাজটি থাইল্যান্ডগামী না হলেও মানবিক বিবেচনায় ক্ষতিগ্রস্ত বিদেশি নাবিকদের সর্বোচ্চ সহায়তা দেওয়া হয়েছে।

উদ্ধার হওয়া নাবিকরা কয়েক দিনের মধ্যে বাংলাদেশে ফিরবেন বলে জানিয়েছে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ।

Link copied!