ঢাকা বৃহস্পতিবার, ০৪ জুন, ২০২৬

নির্বাচনে দায়িত্বপ্রাপ্তরা মোটরসাইকেল চালাতে পারবে কি

রূপালী প্রতিবেদক
প্রকাশিত: ফেব্রুয়ারি ১১, ২০২৬, ১০:৩৪ এএম
টানা তিন দিন বন্ধ থাকবে মোটরসাইকেল চলাচল। ছবি : সংগৃহীত

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট উপলক্ষে সারা দেশে মোটরসাইকেল চলাচলের ওপর ৭২ ঘণ্টার নিষেধাজ্ঞা আরোপ করা হলেও নির্বাচন পরিচালনার সঙ্গে সরাসরি যুক্ত ব্যক্তি ও সংস্থাগুলোর জন্য এই বিধিনিষেধ শিথিল রাখা হয়েছে। নির্বাচন কমিশনের অনুমোদন সাপেক্ষে দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তা-কর্মচারীরা প্রয়োজনে মোটরসাইকেল ব্যবহার করতে পারবেন।

সড়ক পরিবহন ও সেতু মন্ত্রণালয়ের সড়ক পরিবহন ও মহাসড়ক বিভাগ থেকে জারি করা প্রজ্ঞাপন অনুযায়ী, ১২ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ অনুষ্ঠিতব্য জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোটকে কেন্দ্র করে সড়ক পরিবহন আইন, ২০১৮-এর ৩২ ধারার আওতায় এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

প্রজ্ঞাপনে বলা হয়েছে, ১০ ফেব্রুয়ারি মধ্যরাত ১২টা থেকে ১৩ ফেব্রুয়ারি মধ্যরাত ১২টা পর্যন্ত মোট ৭২ ঘণ্টা সারা দেশে মোটরসাইকেল চলাচল বন্ধ থাকবে। তবে নির্বাচন কমিশন বা সংশ্লিষ্ট রিটার্নিং কর্মকর্তার অনুমোদন থাকলে নির্বাচনি কাজে নিয়োজিত কর্মকর্তা-কর্মচারী, সাংবাদিক ও পর্যবেক্ষকরা মোটরসাইকেল ব্যবহার করতে পারবেন।

এ ছাড়া ভোটের দিন ২৪ ঘণ্টার জন্য ১১ ফেব্রুয়ারি মধ্যরাত ১২টা থেকে ১২ ফেব্রুয়ারি মধ্যরাত ১২টা পর্যন্ত ট্যাক্সিক্যাব, পিকআপ, মাইক্রোবাস ও ট্রাক চলাচলের ওপরও নিষেধাজ্ঞা আরোপ করা হয়েছে।

প্রজ্ঞাপনে আরও জানানো হয়, আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী, সশস্ত্র বাহিনী, প্রশাসনের দায়িত্বপ্রাপ্ত সদস্য, জরুরি সেবায় নিয়োজিত যানবাহন, ওষুধ ও চিকিৎসাসামগ্রী পরিবহনকারী যান এবং সংবাদপত্র বহনকারী যানবাহনের ক্ষেত্রে এই নিষেধাজ্ঞা প্রযোজ্য হবে না।

রিটার্নিং কর্মকর্তার অনুমতি ও নির্ধারিত স্টিকার প্রদর্শন সাপেক্ষে প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থী ও তাদের নির্বাচনি এজেন্টরা একটি করে ছোট যানবাহন (জিপ, কার বা মাইক্রোবাস) ব্যবহার করতে পারবেন বলেও প্রজ্ঞাপনে উল্লেখ করা হয়েছে।

এ ছাড়া বিদেশগামী বা বিদেশফেরত যাত্রীদের ক্ষেত্রে টিকিট ও পাসপোর্ট প্রদর্শন সাপেক্ষে বিমানবন্দর যাতায়াতে যান চলাচলে কোনো বাধা থাকবে না। টেলিযোগাযোগ সেবা নির্বিঘ্ন রাখতে বিটিআরসি থেকে লাইসেন্সপ্রাপ্ত প্রতিষ্ঠানগুলোর যানবাহনও জরুরি সেবার আওতায় চলাচলের অনুমতি পাবে।

স্থানীয় পরিস্থিতি বিবেচনায় জেলা ম্যাজিস্ট্রেট বা মেট্রোপলিটন পুলিশ কমিশনাররা প্রয়োজনে এই বিধিনিষেধ আরও কঠোর বা শিথিল করতে পারবেন বলে প্রজ্ঞাপনে জানানো হয়েছে।