× UCB Sticker Card
বৃহস্পতিবার, ০৪ জুন, ২০২৬

ফেসবুক


ইউটিউব


টিকটক

Rupali Bangladesh

ইনস্টাগ্রাম

Rupali Bangladesh

এক্স

Rupali Bangladesh


লিংকডইন

Rupali Bangladesh

পিন্টারেস্ট

Rupali Bangladesh

গুগল নিউজ

Rupali Bangladesh


হোয়াটস অ্যাপ

Rupali Bangladesh

টেলিগ্রাম

Rupali Bangladesh

মেসেঞ্জার গ্রুপ

Rupali Bangladesh


En Bn

রূপালী প্রতিবেদক

প্রকাশিত: ফেব্রুয়ারি ২৩, ২০২৬, ০৭:০৬ পিএম

১৩ উপজেলায় চালু হচ্ছে ফ্যামিলি কার্ড, উদ্বোধন ১০ মার্চ

রূপালী প্রতিবেদক

প্রকাশিত: ফেব্রুয়ারি ২৩, ২০২৬, ০৭:০৬ পিএম

ছবি- সংগৃহীত

ছবি- সংগৃহীত

সরকার প্রান্তিক ও নিম্ন আয়ের পরিবারের জন্য সামাজিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করার উদ্দেশ্যে দেশের ১৩টি উপজেলায় ‘ফ্যামিলি কার্ড’ কার্যক্রম চালু করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। আগামী ১০ মার্চ এই প্রকল্পের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন  হবে।

রোববার (২২ ফেব্রুয়ারি) অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত ফ্যামিলি কার্ড সংক্রান্ত কমিটির সভায় এই সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়। সভায় জানানো হয়, মূলত দুটি উপজেলায় পাইলট প্রকল্প চালুর পরিকল্পনা থাকলেও তা সম্প্রসারণ করে মোট ১৩টি উপজেলার ১৩টি ওয়ার্ডে কার্যক্রম বাস্তবায়নের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

প্রাথমিকভাবে ফ্যামিলি কার্ড বিতরণ করা হবে নিম্নলিখিত উপজেলাগুলোতে: বনানীর কড়াইল বস্তি, পাংশা, পতেঙ্গা, বাঞ্ছারামপুর, লামা, খালিশপুর, চরফ্যাশন, দিরাই, ভৈরব, বগুড়া সদর, লালপুর, ঠাকুরগাঁও এবং নবাগঞ্জ।

এর জন্য গত ১৯ ফেব্রুয়ারি মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ একটি মন্ত্রিসভা কমিটি গঠন করেছে। নির্বাচিত পরিবারগুলোকে চারটি শ্রেণিতে ভাগ করার পরিকল্পনা রয়েছে — হতদরিদ্র, দরিদ্র, মধ্যবিত্ত এবং উচ্চবিত্ত।

অর্থ বিভাগের সচিব জানান, ফ্যামিলি কার্ডের মাধ্যমে বিভিন্ন সামাজিক সুরক্ষা কর্মসূচি একত্রিত করা সম্ভব হবে। এর মধ্যে থাকবে খাদ্যবান্ধব কর্মসূচি, টিসিবি কার্ড এবং ভ্যালনারেবল উইমেন বেনিফিট। উপকারভোগী নির্বাচন প্রক্রিয়ায় এনআইডি নম্বর, জন্মতারিখ, মোবাইল নম্বর এবং ইউনিয়নের নাম বাধ্যতামূলক থাকবে। এছাড়া, দ্বৈত সুবিধা রোধের জন্য অন্যান্য সামাজিক নিরাপত্তা ব্যবস্থার সঙ্গে আন্তঃসংযোগ স্থাপন করা হবে।

সমাজকল্যাণ মন্ত্রী জানান, প্রতিটি ফ্যামিলি কার্ডে পাঁচজন সদস্য অন্তর্ভুক্ত থাকবে। বড় পরিবারের ক্ষেত্রে প্রতি পাঁচজনের জন্য আলাদা কার্ড প্রদান করা হবে। একই ব্যক্তি একাধিক ভাতা গ্রহণ করতে পারবে না, তবে পরিবারের অন্যান্য সদস্যরা ভাতা পেতে পারবেন।

উপজেলা, ইউনিয়ন ও ওয়ার্ড পর্যায়ে কমিটি গঠন করে পাঁচ কার্যদিবসের মধ্যে উপকারভোগীর চূড়ান্ত তালিকা প্রস্তুত করা হবে। অনুদানের অর্থ ব্যাংক বা মোবাইল ফাইন্যান্সিয়াল সার্ভিসের মাধ্যমে বিতরণ করা হবে। নারীরা খানা প্রধান হিসেবে ফ্যামিলি কার্ড পাবেন, যদিও তারা অন্য ভাতা গ্রহণ করতে পারবেন না; তবে পরিবারের অন্যান্য সদস্যরা সুবিধা পাবেন।

এই উদ্যোগের মাধ্যমে সরকার দরিদ্র ও প্রান্তিক পরিবারকে সামাজিক নিরাপত্তা প্রদানে আরও কার্যকর ভূমিকা রাখার লক্ষ্য নিয়েছে।

Link copied!