শিক্ষা ও প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন জানিয়েছেন, এসএসসি পরীক্ষায় নকল প্রতিরোধের জন্য ইতিমধ্যেই আইনি ও প্রশাসনিক প্রস্তুতি চলছে। তিনি বলেন, বিগত দিনে সফলভাবে নকল প্রতিরোধ করা হয়েছে এবং পরীক্ষা সুষ্ঠুভাবে পরিচালনা করা হয়েছে।
বুধবার (২৫ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে সচিবালয়ে জুনিয়র বৃত্তি পরীক্ষার ফল প্রকাশের পর সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রী এসব কথা বলেন।
শিক্ষামন্ত্রী বলেন, আমরা মাত্র দায়িত্ব গ্রহণ করেছি। বিগত দিনে সাংবাদিকদের সহযোগিতায় নকল প্রতিরোধ করা হয়েছে। এবারও সবাইকে সহযোগিতা করতে হবে। আপনারা নোট বা মতামত দিতে পারেন, যা আমাদের জন্য সহায়ক হবে।
মন্ত্রী জানান, আগামী ২১ এপ্রিল এসএসসি পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে। প্রশ্নপত্র ইতিমধ্যেই তৈরি হয়েছে এবং সেখানে কোনো ভুল-ভ্রান্তি আছে কিনা তা যাচাই করা হচ্ছে। নতুন করে প্রশ্ন তৈরি করার সুযোগ নেই। পরীক্ষা সুষ্ঠুভাবে পরিচালনার জন্য কেন্দ্র ও ভেনু পরিবর্তনের অভিজ্ঞতাও কাজে লাগানো হবে।
শিক্ষামন্ত্রী আরও জানান, সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় ও কিন্ডারগার্টেনও এবার বৃত্তি পরীক্ষায় অন্তর্ভুক্ত হবে। একই প্রশ্নে প্রাথমিক বিদ্যালয় ও কিন্ডারগার্টেনের বৃত্তি পরীক্ষা নেওয়া হবে। সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের জন্য বরাদ্দ থাকবে ৮০ শতাংশ এবং কিন্ডারগার্টেনের জন্য ২০ শতাংশ।
তিনি উল্লেখ করেন, আমরা যখন ছাত্র ছিলাম, সন্ধ্যার পর পড়ার টেবিলে বসতাম। সেই ধারাবাহিকতায় শিক্ষার্থীরা পড়ার সময় ঘোরাঘুরি করলে পুলিশ জিজ্ঞাসাবাদ করতে পারে। এটি ব্যক্তিগত অভিজ্ঞতার সঙ্গে সম্পর্কিত এবং আমি শিক্ষামন্ত্রীর দায়িত্বে থাকাকালীন শিক্ষার্থীদের সঠিক সময়সূচি মেনে চলার আহ্বান জানাচ্ছি।
এক প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রী বলেন, প্রাথমিক বা জুনিয়র বৃত্তি পরীক্ষা বাতিল করার পরামর্শের সঙ্গে বর্তমানে তিনি একমত নন, তবে বিষয়টি নিয়ে আলোচনা করা হবে।


সর্বশেষ খবর পেতে রুপালী বাংলাদেশের গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন