× UCB Sticker Card
বৃহস্পতিবার, ০৪ জুন, ২০২৬

ফেসবুক


ইউটিউব


টিকটক

Rupali Bangladesh

ইনস্টাগ্রাম

Rupali Bangladesh

এক্স

Rupali Bangladesh


লিংকডইন

Rupali Bangladesh

পিন্টারেস্ট

Rupali Bangladesh

গুগল নিউজ

Rupali Bangladesh


হোয়াটস অ্যাপ

Rupali Bangladesh

টেলিগ্রাম

Rupali Bangladesh

মেসেঞ্জার গ্রুপ

Rupali Bangladesh


En Bn

রূপালী ডেস্ক

প্রকাশিত: মার্চ ৩১, ২০২৬, ০১:৪০ পিএম

এস আলমের প্রতিষ্ঠানকে কার্যক্রম পরিচালনার অনুমতি বিটিআরসির

রূপালী ডেস্ক

প্রকাশিত: মার্চ ৩১, ২০২৬, ০১:৪০ পিএম

এস আলম। ছবি : সংগৃহীত

এস আলম। ছবি : সংগৃহীত

বিতর্কিত ব্যবসায়ী এস আলমের প্রতিষ্ঠান ফার্স্ট কমিউনিকেশনস লিমিটেড (ফার্স্টকম বিডি)-কে আবারও বাণিজ্যিক কার্যক্রম পরিচালনার অনুমোদন দিয়েছে বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশন (বিটিআরসি)। এ সিদ্ধান্তকে ঘিরে টেলিযোগাযোগ খাতে নতুন করে বিতর্ক তৈরি হয়েছে।

এর আগে নানা অনিয়ম, বকেয়া পরিশোধে ব্যর্থতা ও আর্থিক দুর্নীতির অভিযোগে ২০২৪ সালের ডিসেম্বর প্রতিষ্ঠানটির ওপর ১০০ শতাংশ অপারেশনাল ক্যাপ আরোপ করা হয়। তখন আইজিডব্লিউ অপারেটরদের কাছে প্রায় ২ লাখ ২২ হাজার মার্কিন ডলার এবং বিটিআরসির কাছে প্রায় সাড়ে চার কোটি টাকা বকেয়া ছিল।

পরে আংশিক বকেয়া পরিশোধের ভিত্তিতে ২০২৫ সালের ডিসেম্বরেই ওই নিষেধাজ্ঞা তুলে নেওয়া হয়। যদিও এর আগে জারি করা নির্দেশনায় নির্ধারিত সময়ের মধ্যে সব বকেয়া পরিশোধ না করলে নতুন টপোলজিতে অংশগ্রহণের সুযোগ না থাকার কথা বলা হয়েছিল। সংশ্লিষ্টদের দাবি, এই সিদ্ধান্তের মাধ্যমে বিটিআরসি নিজস্ব নির্দেশনাই লঙ্ঘন করেছে।

খাতসংশ্লিষ্টদের অভিযোগ, সব পক্ষের আপত্তি থাকা সত্ত্বেও চলতি বছরের ১৬ মার্চ ফার্স্টকম বিডিকে পূর্ণাঙ্গ কার্যক্রম চালুর অনুমতি দেওয়া হয়েছে, যা নজিরবিহীন।

এদিকে, প্রতিষ্ঠানটির বকেয়া নিষ্পত্তি নিয়ে ২০২৬ সালের জানুয়ারি ও ফেব্রুয়ারিতে একাধিক বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। প্রথমে আংশিক অর্থ পরিশোধ এবং বাকি অর্থ কিস্তিতে দেওয়ার প্রস্তাব দিলেও সংশ্লিষ্ট অপারেটররা তা প্রত্যাখ্যান করেন। তাদের আশঙ্কা, অতীতের মতো আবারও দায় পরিশোধ না করেই প্রতিষ্ঠানটি সরে যেতে পারে।

অন্যদিকে, দুর্নীতি দমন কমিশনের আবেদনের পর আদালত এস আলম গ্রুপের কিছু সম্পদ জব্দের নির্দেশ দিয়েছে। সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, জব্দ হওয়া প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমেই ফার্স্টকম বিডির উল্লেখযোগ্য শেয়ার নিয়ন্ত্রিত। এ অবস্থায় কার্যক্রম চালুর অনুমোদন কতটা আইনসংগত তা নিয়েও প্রশ্ন উঠেছে।

এ বিষয়ে জানতে বিটিআরসির চেয়ারম্যান ও সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তাদের কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি।

খাতসংশ্লিষ্টরা মনে করছেন, এ ধরনের সিদ্ধান্তে নিয়ম মেনে চলা প্রতিষ্ঠানগুলো নিরুৎসাহিত হবে এবং নিয়ন্ত্রক সংস্থার নিরপেক্ষতা নিয়ে প্রশ্ন তৈরি হতে পারে।

রূপালী বাংলাদেশ

Link copied!