ঢাকা বৃহস্পতিবার, ০৪ জুন, ২০২৬

কালির দাগ না শুকাতেই নির্বাচনি অঙ্গীকার বাস্তবায়ন শুরু করেছি: আইনমন্ত্রী

ঝিনাইদহ প্রতিনিধি
প্রকাশিত: এপ্রিল ১৪, ২০২৬, ০৪:২৫ পিএম
ছবি : রূপালী বাংলাদেশ

একটি কথা বলতে চাই সেটি হলো, বাংলাদেশের ইতিহাসে নির্বাচনের পরে এত দ্রুত সময়ে নির্বাচনি অঙ্গীকার বাস্তবায়নের উদাহরণ খুব কম আছে। কালির দাগ না শুকাতেই আমরা ফ্যামিলি কার্ডের পাইলট প্রকল্প উদ্বোধন করেছি। কালির দাগ না শুকাতেই আমরা ইমাম ও মুয়াজ্জিনদের জন্য মাসিক ভাতার পাইলট প্রকল্প চালু করেছি।

কালির দাগ না শুকাতেই আমরা কৃষকের ১০ হাজার টাকা পর্যন্ত কৃষিঋণ মওকুফ করেছি। আজ আমাদের আরেকটি গৌরবময় দিন, যেদিন বাংলাদেশের অর্থনীতির প্রধান চালিকাশক্তি কৃষকদের হাতে কৃষি কার্ড পৌঁছে দেওয়ার পাইলট প্রকল্প উদ্বোধন করেছি।

মঙ্গলবার (১৪ এপ্রিল) দুপুরে শৈলকুপা উপজেলার আবাইপুর ইউনিয়নের কৃপালপুর মাধ্যমিক বিদ্যালয় মাঠে কৃষি কার্ড বিতরণের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রী অ্যাডভোকেট মো. আসাদুজ্জামান এসব কথা বলেন।

তিনি বলেন, আমি মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর কাছে অত্যন্ত কৃতজ্ঞ যে, বাংলাদেশের ১০টি জেলার ১১টি উপজেলায় যে উদ্বোধনী কর্মসূচি হয়েছে, তার মধ্যে শৈলকুপা উপজেলাও রয়েছে। আলহামদুলিল্লাহ, মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর কাছে এই কারণে কৃতজ্ঞ যে, আমরা আজ যে ইউনিয়নে এটি উদ্বোধন করলাম, সে ইউনিয়নের ১ হাজার ৬৭৯ জন কৃষকের মাঝে কৃষি কার্ড পৌঁছে দিতে পেরেছি।

কৃষি কার্ড বিতরণ অনুষ্ঠান ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে উদ্বোধন করেন গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।

সে সময় উপস্থিত ছিলেন আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রী অ্যাডভোকেট মো. আসাদুজ্জামান, জেলা প্রশাসক মো. নোমান হোসেন, জেলা পরিষদের প্রশাসক ও জেলা বিএনপির সভাপতি মো. আব্দুল মজিদ, পুলিশ সুপার মো. মাহফুজ আফজাল, কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপপরিচালক মো. কামরুজ্জামান, শৈলকুপা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. মাহফুজুর রহমানসহ বিভিন্ন সরকারি ও বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের কর্মকর্তা-কর্মচারীরা।

উল্লেখ্য, বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)-এর নির্বাচনী অঙ্গীকার বাস্তবায়নের লক্ষ্যে সারা দেশে কৃষকদের মাঝে পাইলট প্রকল্প হিসেবে দেশের ১০টি জেলার ১১টি উপজেলার মোট ২ হাজার ২৬০ জন কৃষকের হাতে কৃষি কার্ড ও একটি করে গাছের চারা তুলে দেওয়া হয়েছে।

এ কার্ডের মাধ্যমে বছরে একজন কৃষক ২ হাজার ৫০০ টাকা পর্যন্ত কৃষি সহায়তা পাবেন। এর অংশ হিসেবে শৈলকুপা উপজেলার ১ হাজার ৬৭৯ জন কৃষক কৃষি কার্ডের আওতায় এসেছেন।