শিক্ষার মান পুনরুদ্ধারে সর্বোচ্চ চেষ্টা চালানো হচ্ছে বলে জানিয়েছেন শিক্ষামন্ত্রী আ ন ম এহছানুল হক মিলন। তিনি বলেন, ক্ষমতা গ্রহণের পর প্রথম ১৮০ দিনের কর্মসূচিতে শিক্ষা খাতকে অগ্রাধিকার দেওয়া হয়েছে এবং এর ইতিবাচক ফল শিগগিরই দৃশ্যমান হবে।
শুক্রবার (২০ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে কচুয়া উপজেলার নিজ নির্বাচনি এলাকায় পৌঁছে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা বলেন।
মন্ত্রী জানান, শিক্ষা ব্যবস্থার সব স্তরে কোথায় কোথায় দুর্বলতা রয়েছে, তা চিহ্নিত করে দ্রুত সমাধানের উদ্যোগ নেওয়া হবে। বিদ্যমান চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা করে শিক্ষার মান ফিরিয়ে আনা সরকারের প্রধান লক্ষ্য।
তিনি আরও বলেন, তারেক রহমানের নেতৃত্বে সরকার শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে মাদক ও কিশোর গ্যাং কার্যক্রম নির্মূলে কঠোর অবস্থানে থাকবে।
এ সময় তার সঙ্গে উপস্থিত ছিলেন তার সহধর্মিণী ও জাতীয়তাবাদী মহিলা দলের কেন্দ্রীয় নেত্রী নাজমুন নাহার বেবি এবং শিক্ষা অধিদপ্তরের পরিচালক ড. খান মাঈনউদ্দিন মাহমুদ সোহেল।
এর আগে ঢাকা থেকে সড়কপথে কচুয়া উপজেলা পরিষদ চত্বরে পৌঁছালে তাকে ফুল দিয়ে স্বাগত জানান জেলা প্রশাসক নাজমুল ইসলাম সরকার, পুলিশ সুপার রবিউল হাসান, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা নাজমুল হাসান রাসেল এবং থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মোহাম্মদ বোরহানউদ্দিন। এ সময় বিএনপি ও সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মী, মুক্তিযোদ্ধা সংসদের সদস্য এবং সনাতন ধর্মাবলম্বী নেতারাও উপস্থিত ছিলেন।
পরে শিক্ষামন্ত্রী সনাতন ধর্মাবলম্বীদের এক অনুষ্ঠানে যোগ দেন। ঢাকা থেকে কচুয়া যাওয়ার পথে অন্তত ২০টি স্থানে স্থানীয় বিএনপি ও সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মী এবং এলাকাবাসী তাকে ফুলেল শুভেচ্ছা জানান।


