× UCB Sticker Card
বৃহস্পতিবার, ১১ জুন, ২০২৬

ফেসবুক


ইউটিউব


টিকটক

Rupali Bangladesh

ইনস্টাগ্রাম

Rupali Bangladesh

এক্স

Rupali Bangladesh


লিংকডইন

Rupali Bangladesh

পিন্টারেস্ট

Rupali Bangladesh

গুগল নিউজ

Rupali Bangladesh


হোয়াটস অ্যাপ

Rupali Bangladesh

টেলিগ্রাম

Rupali Bangladesh

মেসেঞ্জার গ্রুপ

Rupali Bangladesh


En Bn

রূপালী ডেস্ক

প্রকাশিত: জুন ১১, ২০২৬, ০৩:১২ পিএম

হাকিমপুরে নিয়োগ বাণিজ্যের অভিযোগে মাদ্রাসা সুপার গ্রেপ্তার

রূপালী ডেস্ক

প্রকাশিত: জুন ১১, ২০২৬, ০৩:১২ পিএম

ছবি- রূপালী বাংলাদেশ

ছবি- রূপালী বাংলাদেশ

দিনাজপুরের হাকিমপুর উপজেলায় একটি দাখিল মাদ্রাসায় চাকরি দেওয়ার নামে কয়েকজন চাকরিপ্রার্থীর কাছ থেকে মোটা অঙ্কের অর্থ আদায়ের অভিযোগে দায়ের করা মামলায় মাদ্রাসার সুপার মো. মোজাহার আলীকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।

বুধবার (১০ জুন) সকালে নিজ বাড়ি থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। পরে আদালতের মাধ্যমে তাকে দিনাজপুর জেলা কারাগারে পাঠানো হয়েছে।

বিষয়টি নিশ্চিত করে হাকিমপুর থানার ওসি জাকির হোসেন জানান, মামলার এজাহারের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে অভিযুক্ত সুপার মোজাহার আলীকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। অপর আসামিকে গ্রেপ্তারের চেষ্টা অব্যাহত রয়েছে।

মামলার এজাহার সূত্রে জানা গেছে, গোবিন্দপুর গুমড়া দ্বিমুখী দাখিল মাদ্রাসার সাবেক ম্যানেজিং কমিটির সভাপতি মো. আব্দুর রাজ্জাক ও মাদ্রাসার সুপার মো. মোজাহার আলীর বিরুদ্ধে চাকরিপ্রার্থীদের ভয়ভীতি দেখিয়ে অর্থ আদায়ের অভিযোগ আনা হয়েছে।

অভিযোগে বলা হয়, মো. শাকিল বাবু, মো. মিনহাজ উদ্দিন, মো. রাশেদুজ্জামান লিফাত এবং মোছা. মোন্তানা আক্তার মিতু বিধি মোতাবেক নিয়োগ পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হয়ে যথাক্রমে নিরাপত্তাকর্মী, নৈশ্যপ্রহরী, পরিচ্ছন্নতাকর্মী ও আয়া পদে নির্বাচিত হন। তবে চাকরিতে যোগদানের আগে ও পরে অভিযুক্তরা তাদের কাছে মোটা অঙ্কের অর্থ দাবি করেন। টাকা না দিলে চাকরিতে যোগদান ও পরবর্তীতে এমপিওভুক্তিতে বাধা দেওয়ার হুমকিও দেওয়া হয় বলে এজাহারে উল্লেখ করা হয়েছে।

এজাহার অনুযায়ী, ২০২৫ সালের ২০ ডিসেম্বর মাদ্রাসা মাঠ থেকে শাকিল বাবু ও রাশেদুজ্জামান লিফাতকে একটি কক্ষে ডেকে নিয়ে লোহার রড প্রদর্শন করে ভয়ভীতি দেখানো হয় এবং টাকা দাবি করা হয়।

পরে বিভিন্ন সময়ে ভুক্তভোগীরা অভিযুক্তদের কাছে নগদ অর্থ প্রদান করেন বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে। এর মধ্যে শাকিল বাবু ৮ লাখ, মিনহাজ উদ্দিন ৬ লাখ, রাশেদুজ্জামান লিফাত ১০ লাখ এবং মোন্তানা আক্তার মিতুর পক্ষে তার স্বামী দুই দফায় মোট ১০ লাখ টাকা প্রদান করেন বলে এজাহারে দাবি করা হয়েছে।

ভুক্তভোগীদের অভিযোগ, বিপুল পরিমাণ অর্থ দেওয়ার পরও অভিযুক্তরা আরও টাকা দাবি করতে থাকেন এবং এমপিওভুক্তি বন্ধ করে দেওয়ার হুমকি দেন।

এ বিষয়ে মাদ্রাসার ভারপ্রাপ্ত সুপার মো. শাহিনুর ইসলামের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি জানান, ভুক্তভোগীদের অভিযোগের বিষয়ে আত্মীয়স্বজনদের সঙ্গে আলোচনা করে থানায় মামলা করার পরামর্শ দেওয়া হয়। পরবর্তীতে তারা হাকিমপুর থানায় মামলা দায়ের করেন।

হাকিমপুর থানার ওসি জাকির হোসেন বলেন, মামলার ২ নম্বর আসামি মো. মোজাহার আলীকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তাকে আদালতের মাধ্যমে জেলা কারাগারে পাঠানো হয়েছে। মামলার ১ নম্বর আসামি আব্দুর রাজ্জাককে গ্রেপ্তারে পুলিশের অভিযান চলমান।

 

 

রূপালী বাংলাদেশ

Link copied!