× UCB Sticker Card
বৃহস্পতিবার, ১১ জুন, ২০২৬

ফেসবুক


ইউটিউব


টিকটক

Rupali Bangladesh

ইনস্টাগ্রাম

Rupali Bangladesh

এক্স

Rupali Bangladesh


লিংকডইন

Rupali Bangladesh

পিন্টারেস্ট

Rupali Bangladesh

গুগল নিউজ

Rupali Bangladesh


হোয়াটস অ্যাপ

Rupali Bangladesh

টেলিগ্রাম

Rupali Bangladesh

মেসেঞ্জার গ্রুপ

Rupali Bangladesh


En Bn

রূপালী প্রতিবেদক

প্রকাশিত: জুন ১১, ২০২৬, ০৫:৩৩ পিএম

জুনের শেষে চীন সফরে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী

রূপালী প্রতিবেদক

প্রকাশিত: জুন ১১, ২০২৬, ০৫:৩৩ পিএম

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান । ছবি : সংগৃহীত

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান । ছবি : সংগৃহীত

বাংলাদেশের নবনির্বাচিত প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান সরকার গঠনের পর দ্বিতীয় রাষ্ট্রীয় সফরের গন্তব্য হিসেবে চীনকে বেছে নিয়েছেন। আগামী জুন মাসের শেষ দিকে প্রধানমন্ত্রীর এ সফর অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা রয়েছে।

বৃহস্পতিবার (১১ জুন) চীনের ইউনান প্রদেশের কুনমিংয়ে অনুষ্ঠিত ৭ম চায়না-সাউথ এশিয়া কোঅপারেশন ফোরামে বক্তব্য দিতে গিয়ে ডেপুটি স্পিকার ব্যারিস্টার কায়সার কামাল এ তথ্য জানান।

তিনি বলেন, প্রধানমন্ত্রীর এ সফর বাংলাদেশ ও চীনের বিদ্যমান দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কের নতুন দিগন্ত উন্মোচন করবে এবং দুই দেশের সমন্বিত কৌশলগত সহযোগিতাকে আরও একধাপ এগিয়ে নেবে।

ডেপুটি স্পিকার ১৯৭৭ ও ১৯৮০ সালে বাংলাদেশের স্বাধীন পররাষ্ট্রনীতির প্রবর্তক শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের চীন সফরের প্রসঙ্গ উল্লেখ করে বলেন, বাংলাদেশ ও চীনের মধ্যকার কূটনৈতিক সম্পর্কের শুভ সূচনা তার হাত ধরেই হয়েছিল।

তিনি আরও বলেন, সেই ধারাবাহিকতায় সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার ১৯৯১ ও ২০০২ সালের ঐতিহাসিক চীন সফর দুই দেশের বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ককে আরও সুদৃঢ় করেছে।

ব্যারিস্টার কায়সার কামাল বলেন, শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের প্রণীত পররাষ্ট্রনীতিতে আঞ্চলিক সহযোগিতার বিষয়টি বিশেষ গুরুত্ব পেয়েছিল। এ প্রসঙ্গে তিনি দক্ষিণ এশীয় আঞ্চলিক সহযোগিতা সংস্থা (সার্ক) গঠনে জিয়াউর রহমানের উদ্যোগের কথা তুলে ধরেন। তিনি এমন একটি দক্ষিণ এশিয়ার স্বপ্ন দেখতেন, যেখানে দেশগুলো শান্তি, উন্নয়ন ও সমৃদ্ধির লক্ষ্যে একসঙ্গে কাজ করবে।

ডেপুটি স্পিকার বলেন, বর্তমান প্রেক্ষাপটে আঞ্চলিক সহযোগিতা ও সংলাপের কার্যকর প্ল্যাটফর্ম হিসেবে সার্ককে পুনরুজ্জীবিত করার সময় এসেছে। পর্যবেক্ষক (অবজারভার) দেশ হিসেবে চীন দক্ষিণ এশিয়ার দেশগুলোর সঙ্গে কূটনৈতিক ও বাণিজ্যিক সম্পর্ক আরও জোরদারে সার্ককে কাজে লাগাতে পারে বলেও তিনি মত দেন।

বৈশ্বিক জ্বালানি সংকট, জলবায়ু পরিবর্তনের বিরূপ প্রভাব, উন্নয়নশীল দেশগুলোর ক্রমবর্ধমান ঋণের বোঝা এবং বিশ্ববাণিজ্যের অস্থিরতা মোকাবিলা কোনো একক দেশের পক্ষে সম্ভব নয় উল্লেখ করে তিনি বলেন, এসব চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় আঞ্চলিক সহযোগিতা এখন সময়ের দাবি।

তিনি বিশ্বব্যাপী দেশগুলোর মধ্যে সম্পর্কের ভিত্তি শক্তিশালী করতে ডিজিটাল ও অর্থনৈতিক বহুমুখী উদ্যোগ, আন্তঃসীমান্ত অবকাঠামো, বাণিজ্য করিডর, ডিজিটাল হাইওয়ে, শিক্ষা, সংস্কৃতি, পর্যটন এবং তরুণদের অভিজ্ঞতা বিনিময়ের ওপর গুরুত্বারোপ করেন।

ফোরামে আরও বক্তব্য দেন ইউনান প্রদেশের গভর্নর ওয়াং ইউরো, নেপালের ন্যাশনাল অ্যাসেম্বলির ভাইস চেয়ারম্যান লায়লা কুমারী বান্দারি, মালদ্বীপের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. ইরাথিশাম আদাম, শ্রীলঙ্কার উপপররাষ্ট্রমন্ত্রী অরুন হিমাচন্দ্র, সার্ক মহাসচিব মো. গোলাম সরওয়ার, চীনে নিযুক্ত পাকিস্তানের রাষ্ট্রদূত খলিলুর রহমান, আফগানিস্তানের রাষ্ট্রদূত আসাদুল্লাহ বিলাল কারিমি, ভুটানের শিল্প, কর্মসংস্থান ও বাণিজ্যমন্ত্রী কর্মা দর্জি এবং চীনের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা।

এর আগে ডেপুটি স্পিকারের নেতৃত্বাধীন সংসদীয় প্রতিনিধিদল ১০ম চায়না-সাউথ এশিয়া এক্সপোজিশনের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে অংশ নেয়। অনুষ্ঠানে বাংলাদেশের বাণিজ্যমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুকতাদির বাংলাদেশি প্রতিনিধিদলের প্রধান হিসেবে বক্তব্য দেন।

এবারের এক্সপোজিশনে ‘থিম কান্ট্রি’ হিসেবে বাংলাদেশ অংশ নিচ্ছে। মেলায় বাংলাদেশের ৮৪টি প্যাভিলিয়ন রয়েছে। বিশ্বের প্রায় ৯০টি দেশ কুনমিংয়ের এ আন্তর্জাতিক বাণিজ্য মেলায় অংশগ্রহণ করছে।

সফরকালে বাংলাদেশের সংসদীয় প্রতিনিধিদল চীনের ন্যাশনাল পিপলস কংগ্রেসের ভাইস প্রেসিডেন্ট এবং ইউনান প্রদেশের কমিউনিস্ট পার্টির সেক্রেটারি ওয়াং নিংয়ের সঙ্গে পৃথক বৈঠক করে। বৈঠকে কৃষি, শিক্ষা, স্বাস্থ্য, অবকাঠামো উন্নয়ন, শিল্পায়ন, অর্থনৈতিক অঞ্চল, পর্যটন, তিস্তা ব্যারেজ নির্মাণ এবং চামড়া প্রক্রিয়াজাতকরণ খাতে চীনের সহযোগিতা কামনা করা হয়।

চীনের নেতারা বাংলাদেশের সঙ্গে দীর্ঘদিনের সুসম্পর্কের কথা উল্লেখ করে বলেন, বাংলাদেশের বর্তমান গণতান্ত্রিক সরকারের সঙ্গে কাজ করতে চীন দৃঢ়প্রতিজ্ঞ। সম্ভাব্য সব ক্ষেত্রে বাংলাদেশের পাশে থাকার প্রতিশ্রুতিও তারা ব্যক্ত করেন।

ডেপুটি স্পিকার চীনা প্রতিনিধিদলকে বাংলাদেশ সফরের আমন্ত্রণ জানালে তারা তা সানন্দে গ্রহণ করেন এবং শিগগিরই বাংলাদেশ সফরের আশা প্রকাশ করেন।

সংসদীয় প্রতিনিধিদলের অন্য সদস্যরা হলেন— এনসিপির সদস্যসচিব আখতার হোসেন এমপি, বিএনপির সংসদ সদস্য ইঞ্জিনিয়ার খালেদ হোসেন মাহবুব এবং সংরক্ষিত নারী আসনের স্বতন্ত্র সংসদ সদস্য জেসমিন সুলতানা জুঁই।

Link copied!