× UCB Sticker Card
বৃহস্পতিবার, ০৪ জুন, ২০২৬

ফেসবুক


ইউটিউব


টিকটক

Rupali Bangladesh

ইনস্টাগ্রাম

Rupali Bangladesh

এক্স

Rupali Bangladesh


লিংকডইন

Rupali Bangladesh

পিন্টারেস্ট

Rupali Bangladesh

গুগল নিউজ

Rupali Bangladesh


হোয়াটস অ্যাপ

Rupali Bangladesh

টেলিগ্রাম

Rupali Bangladesh

মেসেঞ্জার গ্রুপ

Rupali Bangladesh


En Bn

রূপালী ডেস্ক

প্রকাশিত: ফেব্রুয়ারি ৩, ২০২৬, ১০:০৬ এএম

গণহত্যার জন্য পাকিস্তানকে অবশ্যই ক্ষমা চাইতে হবে : মির্জা ফখরুল

রূপালী ডেস্ক

প্রকাশিত: ফেব্রুয়ারি ৩, ২০২৬, ১০:০৬ এএম

মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। ছবি : সংগৃহীত

মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। ছবি : সংগৃহীত

১৯৭১ সালের গণহত্যার জন্য পাকিস্তানকে অবশ্যই ক্ষমা চাইতে হবে। এটিই আমাদের অবস্থান। ভারতের সাপ্তাহিক ইংরেজি ম্যাগাজিন ‘দ্য উইক’কে দেওয়া বিশেষ সাক্ষাৎকারে এসব বলেছেন বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।

এ সময় তিনি নির্বাচন, দলীয় সংস্কার এবং ভারতের সঙ্গে সম্পর্ক নিয়ে কথা বলেছেন। ভারতের সঙ্গে পানিবণ্টন, সীমান্তে হত্যা বন্ধ এবং বাণিজ্য বৈষম্য দূর করার ওপরও জোর দেন মির্জা ফখরুল। ‘দ্য উইক’-এর সিনিয়র অ্যাসোসিয়েট এডিটর নম্রতা বিজি আহুজা প্রশ্ন করেন, রাজনীতিতে ভারতবিরোধী মনোভাব তীব্রতর হচ্ছে। কোন বিষয়গুলোর দ্রুত সমাধান প্রয়োজন?

জবাবে মির্জা ফখরুল বলেন, প্রথমত, অভিন্ন নদীর পানিবণ্টন সমস্যার শুধু আলোচনা নয়, আন্তরিক সমাধান হতে হবে। দ্বিতীয়ত, সীমান্ত হত্যা অবশ্যই বন্ধ করতে হবে। এটি কোনো সভ্য সমাজে গ্রহণযোগ্য নয়। তৃতীয়ত, বাণিজ্য বৈষম্য ন্যায্যভাবে মোকাবিলা করা দরকার। ক্রিকেটের সাম্প্রতিক ঘটনাটি দুর্ভাগ্যজনক ও অপ্রয়োজনীয় ছিল, যা উভয় পক্ষে প্রতিক্রিয়া তৈরি করেছে। সার্বভৌমত্ব, আত্মসম্মান ও পারস্পরিক বিশ্বাসের কথা মাথায় রেখে দ্রুত আলোচনার মাধ্যমে এসব সমস্যা সমাধান করা উচিত। খালেদা জিয়ার মৃত্যুর পর সেই শোকাবহ সময় ভারতীয় পররাষ্ট্রমন্ত্রী এস জয়শঙ্করের সফর একটি ইতিবাচক পদক্ষেপ ছিল।

উইক-এর এই সাংবাদিক জানতে চান, ভারত-বাংলাদেশ সম্পর্কের ক্ষেত্রে শেখ হাসিনা ফ্যাক্টরটি ভবিষ্যতে কতটা গুরুত্বপূর্ণ হবে?

জবাবে মির্জা ফখরুল বলেন, তিনি একটি ফ্যাক্টর, তবে তা পাশ কাটিয়ে ওঠা অসম্ভব নয়। শেখ হাসিনা গণতান্ত্রিক প্রতিষ্ঠানগুলো ভেঙে দিয়ে এবং ক্ষমতা কুক্ষিগত করে এই সংকট তৈরি করেছেন। দীর্ঘ মেয়াদে তিনি রাজনীতিতে আর প্রাসঙ্গিক থাকবেন না। ভারত ও বাংলাদেশের সম্পর্ক তাকে ছাপিয়ে সামনে এগিয়ে নেওয়া উচিত।

শিক্ষার্থীদের নিয়ে গঠিত ন্যাশনাল সিটিজেন পার্টির সঙ্গে বিএনপি কেন জোট করেনি? এই প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, আমরা চেষ্টা করেছিলাম। কিন্তু এনসিপি অনেক বেশি আসন দাবি করেছিল, যা দেওয়া সম্ভব ছিল না। আমরা আত্মবিশ্বাসী যে, আমাদের প্রার্থীরা সেইসব আসনে জিততে পারবেন। কিন্তু একদম নতুন প্রতীক নিয়ে এনসিপি প্রার্থীরা জিততে পারবেন কি না- সে বিষয়ে আমরা নিশ্চিত নই। বাংলাদেশে নির্বাচনে প্রতীকের গুরুত্ব অনেক বেশি।

১৯৭১ সালের অমীমাংসিত ইস্যু থাকা সত্ত্বেও বাংলাদেশ কি পাকিস্তানের প্রতি নরম মনোভাব দেখাচ্ছে? এমন প্রশ্নের মির্জা ফখরুল জবাবে বলেন, ১৯৭১ সালের গণহত্যার জন্য পাকিস্তানকে অবশ্যই ক্ষমা চাইতে হবে। এটিই আমাদের অবস্থান। 

জাতীয় নির্বাচনে জয়ের ব্যাপারে আশাবাদ ব্যক্ত করে মির্জা ফখরুল বলেন, ভোটাররা তাদের অধিকার ফিরে পেতে আগ্রহী। নির্বাচনে জামায়াতে ইসলামীর সঙ্গে কোনো জোট হবে কি না– এমন প্রশ্নে তিনি সরাসরি ‘না’ বলেন। তিনি বলেন, সরকার গঠন করলে শুধু আন্দোলনের সঙ্গী দলগুলো নিয়ে জাতীয় ঐকমত্যের সরকার গড়া হবে এবং এতে জামায়াতের থাকার কোনো সুযোগ নেই।

বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের দেশে ফেরা এবং তার ‘৩১ দফা’ সংস্কার কর্মসূচি নিয়ে ফখরুল বলেন, এটি তরুণদের মধ্যে উদ্দীপনা তৈরি করেছে। বিএনপির ভিশনে রয়েছে– প্রধানমন্ত্রী পদের মেয়াদ দুই মেয়াদে সীমাবদ্ধ করা, বিচার বিভাগ ও গণমাধ্যমের পূর্ণ স্বাধীনতা নিশ্চিত করা এবং দেড় বছরের মধ্যে এক কোটি মানুষের কর্মসংস্থান।

রূপালী বাংলাদেশ

Link copied!