বিভিন্ন পেশাজীবী, রাজনৈতিক দল থেকে আসা সহস্রাধিক নেতা ও কর্মী আনুষ্ঠানিকভাবে গণঅধিকার পরিষদে যোগ দিয়েছেন।
শনিবার (৩ মে) রাজধানীর ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউটে এক অনুষ্ঠানের মাধ্যমে তারা গণঅধিকার পরিষদে যোগ দেন। দলটির সভাপতি নুরুল হক নুর ও সাধারণ সম্পাদক মো. রাশেদ খান ফুল দিয়ে নতুন নেতাদের বরণ করে নেন।
এ সময় গণঅধিকার পরিষদের পক্ষ থেকে ৩টি দাবি জানানো হয়।সেগুলো হলো- ১. গণহত্যার বিচার ও আওয়ামী লীগকে নিষিদ্ধ করা। ২. ঐকমত্যের ভিত্তিতে প্রয়োজনীয় রাষ্ট্র সংস্কার ও জাতীয় সনদ তৈরি করা (সব দলের স্বাক্ষরসহ)। ৩. দ্রুত সময়ের মধ্যে নির্বাচনের রোডম্যাপ প্রকাশ করা।
এ ছাড়া মানবিক করিডরের সিদ্ধান্ত ও নারীবিষয়ক সংস্কার কমিশন বাতিলের দাবি করা হয়। দেশের স্বাধীনতা সার্বভৌমত্বের জন্য হুমকি ও ধর্মের সঙ্গে সাংঘর্ষিক সব সিদ্ধান্ত বাতিল করতে হবে। গণঅধিকার পরিষদ কোনো দেশের দালালি মানবে না। দেশের জনগণের বিরুদ্ধের সব সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে লড়াই করবে গণঅধিকার পরিষদ।
গণঅধিকার পরিষদে যোগ দেওয়া উল্লেখযোগ্য ব্যক্তিরা হলেন মোমহতাজ হাসান শোয়েব, মোহাম্মদ ইমতিয়াজ রাকিব, ড. জয় প্রভাষ চৌধুরী, ফারহিন রিফাত আফরিন, ক্যাপ্টেন মো. আনিসুর রহমান হোসেন, লিনা শেখ, মোহাম্মদ ফয়সাল, মো. আব্দুল হাই সোহেল, মো. জিল্লুর রহমান পিপুল, তপন সরকার, মো. রোহান মেহেদী, মো. নাসিরুল্লাহ, রুবিনা আক্তার।
মো. শরিফুল ইসলাম, মো. মোশাররফ হোসেন, মো. হাবিবুল্লাহ হাবিব, অ্যাডভোকেট মাহমুদুল হাসান, রিয়াদ মোর্শেদ, মো. রবিউল ইসলাম জিশান, দুলাল রহমান, মুনা আফরিন, মো. মোহাম্মদ রুহুল আমিন মুশা, মো. আবুল কালাম, মো. আলম হোসেন, তৈমিন আফনান, শেখ সাবিকুল বাসারিন, মো. আশিকুল ইসলাম, মো. আব্দুল মতিন মিঠু, মো. রায়হান, আশিকুল ইসলাম, মো. আনোয়ার হোসেন।
এ ছাড়া আরও যোগদান করেছেন আরিফুর রহমান, মোহাম্মদ নূর ইসলাম, মো. শরিফ, মো. মুন্না খান, মো. বাদশা মিয়া, মো. মামুন মিয়া, প্রকৌশলী শরীফুল ইসলাম ভূইয়া, মো. এনামুল হক, মোহাম্মদ আব্দুল হাদী, অ্যাড. হাবিবুর রহমান হাবিব, আশরাফুল, শাকিল মিয়া, শোয়েব আহমেদ এস এম বেলাল, মো. নওয়াজিশ রাতুল, মো. ছাইদুল ইসলাম প্রমুখ।
জানা যায়, গণঅধিকার পরিষদে যোগ দেওয়া ব্যক্তিদের অনেকেই এলডিপি ও ভাসানী অনুসারী পরিষদের কেন্দ্র এবং বিভিন্ন জেলার নেতৃত্বে ছিলেন।