যশোর জেলা যুবদলের সদস্য সচিব আনসারুল হক রানাসহ তিনজনকে কারণ দর্শানোর নোটিশ (শোকজ) দিয়েছে কেন্দ্রীয় কমিটি। অন্য দুজন হলেন, যশোরের শার্শা উপজেলা যুবদলের যুগ্ম আহ্বায়ক শহীদুল ইসলাম শহীদ ও মাগুরা জেলা যুবদলের সভাপতি অ্যাডভোকেট ওয়াসিকুর রহমান কল্লোল। সাংগঠনিক দায়িত্বে থেকেও মাদক ও স্বর্ণ চোরাচালানসহ নানা অপরাধে জড়িত থাকার কারণে তাদেরকে শোকজ করা হয়।
সোমবার (৪ মে) যুবদল কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির সহ-দপ্তর সম্পাদক মিনহাজুল ইসলাম ভূইয়া স্বাক্ষরিত এক নোটিশে বিষয়টি নিশ্চিত করা হয়েছে।
শোকজ নোটিশে উল্লেখ করা হয়েছে, আপনারা জেলা ও উপজেলা যুবদলের গুরুত্বপূর্ণ সাংগঠনিক দায়িত্বে থেকেও মাদক ও স্বর্ণ চোরাচালানসহ নানা গর্হিত অপরাধে জড়িয়ে পড়েছেন।
সম্প্রতি দৈনিক রূপালী বাংলাদেশ পত্রিকায় যশোর-মাগুরায় ‘রানা শহীদ কল্লোলের গোল্ড সিন্ডিকেট’ নিয়ে সংবাদ প্রকাশ হয়। এর পরে কয়েকদিন ধরে একাধিক জাতীয় ও স্থানীয় গণমাধ্যমে সংবাদ প্রকাশিত হচ্ছে। বেআইনি, অনৈতিক ও সন্ত্রাসী কার্যকলাপের ঘোর বিরোধী এবং আদর্শিক রাজনৈতিক চর্চায় বিশ্বাসী সংগঠন হিসেবে যুবদলের দায়িত্বশীল নেতৃবৃন্দের বিরুদ্ধে গণমাধ্যমে প্রকাশিত এ জাতীয় নেতিবাচক সংবাদ জাতীয়তাবাদী যুবদলের জন্য যেমন দুঃখজনক, তেমনি বিব্রতকরও।
সংগঠনের নাম ব্যবহার করে কোনো ব্যক্তি বা গোষ্ঠীর বেআইনি কর্মকাণ্ড চালানোর নূন্যতম সুযোগও বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী যুবদলে নেই। এমতাবস্থায়, সংগঠন বিরোধী এহেন গর্হিত কর্মকাণ্ডের জন্য আপনাদের বিরুদ্ধে কেন সাংগঠনিক ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে না তা আগামী ২৪ (চব্বিশ) ঘণ্টার মধ্যে জাতীয়তাবাদী যুবদল কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির সভাপতি আবদুল মোনায়েম মুন্না ও সাধারণ সম্পাদক মোহাম্মদ নূরুল ইসলাম নয়নের সম্মুখে উপস্থিত হয়ে ব্যাখ্যা দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হলো।
এ বিষয়ে জানতে চাইলে জাতীয়তাবাদী যুবদলের সভাপতি আব্দুল মোনায়েম মুন্না রূপালী বাংলাদেশকে বলেন, যশোর সীমান্তে ‘স্বর্ণ চোরাচালান সিন্ডিকেট’ নিয়ে যুবদলের যেসব নেতাদের নাম এসেছে তাদের বিরুদ্ধে সাংগঠনিক ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
উল্লেখ্য, গত ৬ এপ্রিল আনসারুল হক রানা, শহীদুল ইসলাম শহীদ এবং ওয়াসিকুর রহমান কল্লোল গোল্ড সিন্ডিকেট নিয়ে দৈনিক রূপালী বাংলাদেশ পত্রিকায় খবরটি প্রকাশিত হয়।


