× UCB Sticker Card
সোমবার, ১৫ জুন, ২০২৬

ফেসবুক


ইউটিউব


টিকটক

Rupali Bangladesh

ইনস্টাগ্রাম

Rupali Bangladesh

এক্স

Rupali Bangladesh


লিংকডইন

Rupali Bangladesh

পিন্টারেস্ট

Rupali Bangladesh

গুগল নিউজ

Rupali Bangladesh


হোয়াটস অ্যাপ

Rupali Bangladesh

টেলিগ্রাম

Rupali Bangladesh

মেসেঞ্জার গ্রুপ

Rupali Bangladesh


En Bn

অস্ট্রেলিয়া (সিডনি) প্রতিনিধি

প্রকাশিত: জুন ১৫, ২০২৬, ০৩:১৩ পিএম

অস্ট্রেলিয়ায় সঙ্গী ভিসা নিয়ে নতুন বিতর্ক

অস্ট্রেলিয়া (সিডনি) প্রতিনিধি

প্রকাশিত: জুন ১৫, ২০২৬, ০৩:১৩ পিএম

ছবি : সংগৃহীত

ছবি : সংগৃহীত

অস্ট্রেলিয়ায় পার্টনার বা স্পাউস ভিসা প্রসেসিং নিয়ে নতুন করে বিতর্ক শুরু হয়েছে। অভিযোগ উঠেছে, অভিবাসন সংখ্যা নিয়ন্ত্রণে রাখতে সরকার ইচ্ছাকৃতভাবে সঙ্গী ভিসার আবেদন নিষ্পত্তি ধীর করেছে। যদিও দেশটির অভিবাসনমন্ত্রী টনি বার্ক এ অভিযোগ সরাসরি নাকচ করে দিয়েছেন।

সম্প্রতি প্রকাশিত তথ্য অনুযায়ী, ২০২৬-২৭ অর্থবছরে পার্টনার ভিসার অপেক্ষমাণ আবেদন প্রায় ১ লাখ ১৫ হাজারে পৌঁছাতে পারে। পরবর্তীতে আরও প্রায় ৬০ হাজার আবেদন যোগ হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। ফলে বহু দম্পতিকে বছরের পর বছর অনিশ্চয়তার মধ্যে থাকতে হচ্ছে।

অস্ট্রেলিয়ার পার্টনার ভিসা মূলত এমন এক ধরনের ভিসা, যার মাধ্যমে অস্ট্রেলিয়ান নাগরিক, স্থায়ী বাসিন্দা অথবা যোগ্য নিউজিল্যান্ডের নাগরিক তাদের স্বামী বা স্ত্রীকে অস্ট্রেলিয়ায় আনতে পারেন। এই ভিসার মধ্যে অনশোর সাবক্লাস ৮২০/৮০১ এবং অফশোর সাবক্লাস ৩০৯/১০০ উল্লেখযোগ্য।

সমালোচকদের দাবি, সরকার অভিবাসনের সামগ্রিক সংখ্যা কম দেখানোর লক্ষ্যে পার্টনার ভিসা অনুমোদনের গতি কমিয়েছে। তবে অভিবাসন মন্ত্রী টনি বার্ক বলেছেন, এটি কোনো নীতিগত সিদ্ধান্ত নয়; বরং প্রশাসনিক সক্ষমতা ও জনবলের সীমাবদ্ধতার কারণেই বিলম্ব হচ্ছে।

মন্ত্রী স্বীকার করেছেন, কিছু ক্ষেত্রে পার্টনার ভিসা আবেদনের নিষ্পত্তিতে প্রায় দুই বছর পর্যন্ত সময় লাগছে। তবে তিনি জোর দিয়ে বলেছেন, সরকার ইচ্ছাকৃতভাবে আবেদন আটকে রাখছে এমন অভিযোগের কোনো ভিত্তি নেই।

এদিকে সংশ্লিষ্ট একাংশের মতে, পার্টনার ভিসা অস্ট্রেলিয়ার অভিবাসন আইনের অধীনে ‘ডিমান্ড-ড্রিভেন’ শ্রেণির ভিসা। অর্থাৎ আবেদনকারীর সংখ্যা অনুযায়ী আবেদন প্রক্রিয়া সম্পন্ন করার কথা এবং সাধারণ অভিবাসন কোটার মতো এতে সীমা আরোপের সুযোগ সীমিত।

সাবেক অভিবাসন কর্মকর্তা ও বিশ্লেষক ড. আবুল রিজভি সতর্ক করে বলেছেন, যদি প্রমাণিত হয় যে ইচ্ছাকৃতভাবে আবেদন নিষ্পত্তি ধীর করা হয়েছে, তাহলে তা আইনি প্রশ্নের জন্ম দিতে পারে। তবে এখন পর্যন্ত এ বিষয়ে কোনো আদালত সরকারের বিরুদ্ধে আইন লঙ্ঘনের রায় দেয়নি।
দীর্ঘসূত্রতার কারণে অনেক আবেদনকারীকে ব্রিজিং ভিসায় বছরের পর বছর বসবাস করতে হচ্ছে। অনেক ক্ষেত্রে পুলিশ ক্লিয়ারেন্স ও স্বাস্থ্য পরীক্ষার মেয়াদ শেষ হয়ে যাওয়ায় আবেদনকারীদের অতিরিক্ত খরচও বহন করতে হচ্ছে।

অভিবাসন বিশেষজ্ঞদের মতে, সম্পর্কের প্রমাণ, যৌথ ব্যাংক হিসাব, বাসস্থানের নথি, ভ্রমণের তথ্য এবং অন্যান্য সহায়ক কাগজপত্র পূর্ণাঙ্গভাবে জমা দিলে আবেদন প্রক্রিয়া তুলনামূলকভাবে সহজ হতে পারে। তবে বর্তমান পরিস্থিতিতে অধিকাংশ আবেদনকারীকেই দীর্ঘ অপেক্ষার জন্য প্রস্তুত থাকতে হচ্ছে।

সূত্র জানায়, অস্ট্রেলিয়ার অভিবাসন নীতিতে পারিবারিক পুনর্মিলন একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। তাই ক্রমবর্ধমান পার্টনার ভিসা ব্যাকলগ শুধু প্রশাসনিক চ্যালেঞ্জ নয়, বরং হাজারো পরিবারের মানসিক ও সামাজিক অনিশ্চয়তারও কারণ হয়ে উঠছে।

Link copied!