× UCB Sticker Card
শনিবার, ১৩ জুন, ২০২৬

ফেসবুক


ইউটিউব


টিকটক

Rupali Bangladesh

ইনস্টাগ্রাম

Rupali Bangladesh

এক্স

Rupali Bangladesh


লিংকডইন

Rupali Bangladesh

পিন্টারেস্ট

Rupali Bangladesh

গুগল নিউজ

Rupali Bangladesh


হোয়াটস অ্যাপ

Rupali Bangladesh

টেলিগ্রাম

Rupali Bangladesh

মেসেঞ্জার গ্রুপ

Rupali Bangladesh


En Bn

রূপালী প্রতিবেদক

প্রকাশিত: জুন ১৩, ২০২৬, ০৭:৩৬ পিএম

বাংলাদেশের জাতীয় বাজেট সম্পর্কে প্রবাসী কল্যাণ পরিষদ লন্ডনের প্রতিক্রিয়া

রূপালী প্রতিবেদক

প্রকাশিত: জুন ১৩, ২০২৬, ০৭:৩৬ পিএম

ছবি- রূপালী বাংলাদেশ

ছবি- রূপালী বাংলাদেশ

প্রবাসী কল্যাণ পরিষদ লন্ডন বাংলাদেশ সরকারের উপস্থাপিত ২০২৬-২৭ অর্থবছরের জাতীয় বাজেট গভীরভাবে পর্যালোচনা করেছে। শনিবার (১৩ জুন) লন্ডন প্রবাসী কল্যাণ পরিষদের সভাপতি  ব্যারিস্টার জিল্লুর এম রহমান স্বাক্ষরিত এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এ কথা জানানো হয়েছে।

এতে বলা হয়েছে, আমরা সামষ্টিক অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতা পুনঃপ্রতিষ্ঠা, বিনিয়োগ বৃদ্ধি, কর্মসংস্থানের সুযোগ সম্প্রসারণ এবং অন্তর্ভুক্তিমূলক অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি নিশ্চিত করার ক্ষেত্রে সরকারের ঘোষিত অঙ্গীকারকে স্বীকৃতি জানাই। ৯.৩৮ লাখ কোটি টাকার প্রস্তাবিত বাজেট অর্থনৈতিক পুনরুদ্ধার এবং দীর্ঘমেয়াদি উন্নয়নের জন্য একটি উচ্চাভিলাষী দৃষ্টিভঙ্গির প্রতিফলন।

তবে, লাখ লাখ বাংলাদেশি প্রবাসী এবং তাদের পরিবারের স্বার্থের প্রতিনিধিত্বকারী একটি সংগঠন হিসেবে আমরা উদ্বেগ প্রকাশ করছি যে, এই বাজেটে অনাবাসী বাংলাদেশিদের (এনআরবি) ওপর প্রভাব ফেলছে এমন বেশ কয়েকটি দীর্ঘদিনের সমস্যার যথাযথ সমাধান করা হয়নি।

বিশেষ করে, আমরা লক্ষ্য করছি যে রেমিট্যান্স প্রেরণকারী, প্রবাসী বিনিয়োগকারী এবং প্রবাসী উদ্যোক্তাদের জন্য উল্লেখযোগ্য নতুন কোনো প্রণোদনা অন্তর্ভুক্ত করা হয়নি, যদিও তারা বাংলাদেশের অর্থনীতিতে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রেখে চলেছেন। বাংলাদেশি অভিবাসী ও প্রবাসীরা দেশের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ অর্থনৈতিক অংশীদার, এবং জাতীয় রাজস্ব পরিকল্পনায় তাদের স্বার্থ আরও বেশি গুরুত্ব পাওয়া উচিত।

আমরা উচ্চাভিলাষী রাজস্ব আহরণ লক্ষ্যমাত্রা এবং কর পরিপালন বৃদ্ধির সম্ভাব্য পদক্ষেপ নিয়ে উদ্বিগ্ন, কারণ সেগুলো স্বচ্ছতা ও ন্যায্যতার সঙ্গে বাস্তবায়িত না হলে ব্যবসা প্রতিষ্ঠান ও সাধারণ নাগরিকদের ওপর অতিরিক্ত চাপ সৃষ্টি করতে পারে।

যদিও বাজেটে মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণ এবং কিছু নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের ওপর শুল্ক কমানোর প্রস্তাব করা হয়েছে, এসব উদ্যোগের কার্যকারিতা যথাযথ বাস্তবায়ন এবং বাজার তদারকির ওপর নির্ভর করবে। সাধারণ মানুষ, বিশেষ করে নিম্ন ও মধ্যম আয়ের পরিবারগুলোকে জীবনযাত্রার ব্যয়ে বাস্তব হ্রাস অনুভব করতে হবে।

প্রবাসী কল্যাণ পরিষদ লন্ডন সরকারের প্রতি নিম্নলিখিত আহ্বান জানাচ্ছে

১. রেমিট্যান্স প্রেরণকারীদের জন্য আরও শক্তিশালী প্রণোদনা ও সুরক্ষা ব্যবস্থা চালু করা।

২. প্রবাসী বাংলাদেশিদের জন্য বিশেষায়িত বিনিয়োগ সুবিধা সৃষ্টি করা।

৩. এনআরবিদের জন্য ব্যাংকিং, কর এবং বিনিয়োগ সংক্রান্ত প্রক্রিয়া সহজ করা।

৪. সরকারি ব্যয়ে অধিকতর জবাবদিহিতা ও স্বচ্ছতা নিশ্চিত করা।

৫. যুব বেকারত্ব কমাতে কর্মসংস্থান সৃষ্টিমূলক কর্মসূচি সম্প্রসারণ করা।

৬. মূল্যস্ফীতিতে ক্ষতিগ্রস্ত ঝুঁকিপূর্ণ পরিবারগুলোর জন্য সামাজিক সুরক্ষা জোরদার করা।

আমরা সরকারের সঙ্গে, নীতিনির্ধারকদের সঙ্গে এবং সংশ্লিষ্ট অংশীজনদের সঙ্গে গঠনমূলকভাবে কাজ করতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ, যাতে প্রবাসী বাংলাদেশিদের প্রত্যাশা জাতীয় উন্নয়ন নীতিতে যথাযথভাবে প্রতিফলিত হয়।

বাংলাদেশের অর্থনৈতিক ভবিষ্যৎ শুধু রাজস্ব লক্ষ্যমাত্রা ও ব্যয় পরিকল্পনার ওপর নির্ভর করে না; বরং দেশ ও বিদেশে অবস্থানরত নাগরিকদের আস্থা ও অংশগ্রহণের ওপরও নির্ভরশীল।

Link copied!