× UCB Sticker Card
বৃহস্পতিবার, ০৪ জুন, ২০২৬

ফেসবুক


ইউটিউব


টিকটক

Rupali Bangladesh

ইনস্টাগ্রাম

Rupali Bangladesh

এক্স

Rupali Bangladesh


লিংকডইন

Rupali Bangladesh

পিন্টারেস্ট

Rupali Bangladesh

গুগল নিউজ

Rupali Bangladesh


হোয়াটস অ্যাপ

Rupali Bangladesh

টেলিগ্রাম

Rupali Bangladesh

মেসেঞ্জার গ্রুপ

Rupali Bangladesh


En Bn

সীতাকুণ্ড (চট্টগ্রাম) প্রতিনিধি

প্রকাশিত: ফেব্রুয়ারি ১৬, ২০২৬, ১০:২৫ এএম

চন্দ্রনাথ ধামে তীর্থযাত্রীর অপেক্ষা, শুরু হলো শিবচতুর্দশী মেলা

সীতাকুণ্ড (চট্টগ্রাম) প্রতিনিধি

প্রকাশিত: ফেব্রুয়ারি ১৬, ২০২৬, ১০:২৫ এএম

ছবি : রূপালী বাংলাদেশ

ছবি : রূপালী বাংলাদেশ

চট্টগ্রামের সীতাকুণ্ডের পুণ্যভূমি চন্দ্রনাথ ধামে শুরু হয়েছে সনাতন ধর্মাবলম্বীদের অন্যতম বৃহৎ ধর্মীয় উৎসব ‘শিবচতুর্দশী মেলা’।

রোববার (১৫ ফেব্রুয়ারি) সকাল থেকে তিন দিনব্যাপী এ মেলার আনুষ্ঠানিকতা শুরু হয়। তবে মেলার প্রথম দিনে চিরচেনা উপচে পড়া ভিড় দেখা যায়নি।

আয়োজকদের ধারণা, জাতীয় নির্বাচনের পরপরই মেলা শুরু হওয়ায় তীর্থযাত্রীদের উপস্থিতি এখনো আশানুরূপ নয়। প্রতিবছর মেলার প্রথম দিন থেকেই সীতাকুণ্ডের ব্যাসকুণ্ড, শ্রদ্ধাঙ্গন ও ভৈরব মন্দির এলাকা তীর্থযাত্রীদের পদচারণায় মুখর থাকে। কিন্তু এবার সরেজমিন দেখা গেছে, মোহান্ত আস্তানাবাড়িসহ পুরো চন্দ্রনাথ ধাম এলাকায় ভক্তদের উপস্থিতি খুবই সীমিত।

ব্যাসকুণ্ডের পাশে কেবল কয়েকজন ব্রাহ্মণকে ধর্মীয় আচার পালন করতে দেখা গেছে। এবার মেলায় মতুয়া ও জেলে সম্প্রদায়ের অনুষ্ঠানগুলো মোহান্ত আস্তানাবাড়ির ভেতরে সীমিত পরিসরে আয়োজন করা হয়েছে।

পণ্ডিত রাজীব চক্রবর্তী বলেন, রোববার সন্ধ্যায় চতুর্দশী তিথি শুরু হবে, তখনই মূলত স্নান ও তর্পণের প্রধান আনুষ্ঠানিকতা শুরু হয়। তবে এবার ত্রয়োদশী তিথিতে যে পরিমাণ ভক্ত আসার কথা ছিল, তার চার ভাগের এক ভাগও এখনো আসেনি।

আয়োজক কমিটি জানায়, তীর্থযাত্রীরা প্রথম দিন থেকেই সংযম পালন করছেন। রোববার চতুর্দশী তিথিতে ব্রত রেখে ব্যাসকুণ্ডে স্নান ও তর্পণ করবেন ভক্তরা।

এরপর সীতাকুণ্ডের বিভিন্ন মঠ-মন্দির পরিক্রমা শেষে পাহাড়চূড়ায় অবস্থিত স্বয়ম্ভুনাথ ও চন্দ্রনাথ মন্দিরে শিবের মাথায় জল ঢালবেন তারা। মেলার শেষ দিন অমাবস্যা তিথিতে পূর্বপুরুষদের আত্মার শান্তি কামনায় শ্রাদ্ধানুষ্ঠানের মধ্য দিয়ে তীর্থ সম্পন্ন হবে।

মেলার নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে প্রশাসনের পক্ষ থেকে নেওয়া হয়েছে কঠোর ব্যবস্থা। উপজেলা প্রশাসন ও সীতাকুণ্ড শ্রাইন কমিটি একাধিক বৈঠক করে নিশ্ছিদ্র নিরাপত্তা পরিকল্পনা গ্রহণ করেছে। পুলিশ ও সেনাবাহিনীর সদস্যরা নিয়মিত এলাকা টহল দিচ্ছেন।

সীতাকুণ্ড শ্রাইন কমিটির সাধারণ সম্পাদক চন্দন দাশ বলেন, তীর্থযাত্রীদের নিরাপত্তার জন্য জেলা ও উপজেলা প্রশাসনের সহযোগিতায় সব প্রস্তুতি সম্পন্ন হয়েছে। চন্দ্রনাথ মন্দিরে ওঠার দুর্গম পথসহ বিভিন্ন মঠ-মন্দির সংস্কার করা হয়েছে। চন্দ্রনাথ ধাম এখন ভক্তদের বরণ করে নিতে পুরোপুরি প্রস্তুত।

উপস্থিতি কম হওয়ার কারণ সম্পর্কে শ্রাইন কমিটির সহকারী ব্যবস্থাপক তুষার চক্রবর্তী বলেন, সংসদ নির্বাচন-পরবর্তী পরিস্থিতির কারণেই হয়তো দূর-দূরান্তের ভক্তরা এখনো সীতাকুণ্ডে পৌঁছাতে পারেননি। তবে মূল তিথি শুরু হলে উপস্থিতি বাড়বে বলে তিনি আশা প্রকাশ করেন।

এদিকে সীতাকুণ্ড উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও মেলা কমিটির নির্বাহী সভাপতি মো. ফখরুল ইসলাম জানান, ধর্মীয় আয়োজন ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে প্রশাসন ও শ্রাইন কমিটি সমন্বিতভাবে কাজ করছে। কোনো অপ্রীতিকর ঘটনা ছাড়াই মেলা সম্পন্ন হবে বলে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন।

রূপালী বাংলাদেশ

Link copied!