× UCB Sticker Card
বৃহস্পতিবার, ০৪ জুন, ২০২৬

ফেসবুক


ইউটিউব


টিকটক

Rupali Bangladesh

ইনস্টাগ্রাম

Rupali Bangladesh

এক্স

Rupali Bangladesh


লিংকডইন

Rupali Bangladesh

পিন্টারেস্ট

Rupali Bangladesh

গুগল নিউজ

Rupali Bangladesh


হোয়াটস অ্যাপ

Rupali Bangladesh

টেলিগ্রাম

Rupali Bangladesh

মেসেঞ্জার গ্রুপ

Rupali Bangladesh


En Bn

ধর্ম ডেস্ক

প্রকাশিত: ফেব্রুয়ারি ১৯, ২০২৬, ০৫:১৯ পিএম

ইফতারে খেজুর কেন জরুরি

ধর্ম ডেস্ক

প্রকাশিত: ফেব্রুয়ারি ১৯, ২০২৬, ০৫:১৯ পিএম

ছবি- সংগৃহীত

ছবি- সংগৃহীত

রমজানে খেজুর ছাড়া ইফতার যেন জমেই না, অসম্পূর্ণ মনে হয়! খেজুর একটি অত্যন্ত পুষ্টিকর ও শক্তিদায়ী ফল। দিনে মাত্র দুই থেকে তিনটি খেজুর আপনার শরীরে ইতিবাচক পরিবর্তন আনতে পারে। পুষ্টিবিজ্ঞান বলছে,  এর উপকারিতা অনেক।

খেজুরের উপকারিতা

রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণ: খেজুরে থাকা পটাশিয়াম শরীরে সোডিয়ামের মাত্রা নিয়ন্ত্রণে রাখে, ক্ষতিকর এলডিএল কোলেস্টেরল কমায় এবং ভালো এইচডিএল বৃদ্ধি করে, যা উচ্চ রক্তচাপের ঝুঁকি কমায় এবং হার্ট অ্যাটাক বা স্ট্রোকের আশঙ্কা হ্রাস করে। নিয়মিত পটাশিয়ামসমৃদ্ধ খাবার গ্রহণ করলে ধমনির নমনীয়তা বজায় থাকে।

হজম ও অন্ত্রের সুরক্ষা: খেজুরে থাকা উচ্চমাত্রার দ্রবণীয় ও অদ্রবণীয় ফাইবার কোষ্ঠকাঠিন্য দূর করতে সাহায্য করে। এটি দীর্ঘক্ষণ পেট ভরা রাখার অনুভূতি দেয়, যা অতিরিক্ত খাবার গ্রহণ কমিয়ে ওজন নিয়ন্ত্রণে সাহায্য করে। অন্ত্রের উপকারী ব্যাকটেরিয়ার বংশবৃদ্ধিতে সহায়তা করে, যা কোলন ক্যানসারের ঝুঁকি কমায়।

মস্তিষ্কের কর্মক্ষমতা বৃদ্ধি: খেজুরে থাকা অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট মস্তিষ্কে প্রদাহ সৃষ্টিকারী প্রোটিন ‘ইন্টারলিউকিন ৬’-এর মাত্রা কমিয়ে দেয়। এটি আলঝেইমারস বা স্মৃতিভ্রমের মতো রোগ প্রতিরোধে কার্যকর ভূমিকা রাখে।

হাড়ের ঘনত্ব রক্ষা করে: খেজুরে সেলেনিয়াম, ম্যাঙ্গানিজ, তামা ও ম্যাগনেশিয়ামের মতো খনিজ উপাদান রয়েছে, যা অস্টিওপোরোসিস বা হাড় ক্ষয় রোধে সাহায্য করে। বিশেষ করে খেজুর বয়স্ক ও নারীদের হাড় মজবুত রাখতে অত্যন্ত সহায়ক।

প্রজনন ক্ষমতা: খেজুরে থাকা ভিটামিন বি৬ ও ম্যাগনেশিয়াম শুক্রাণুর গুণমান ও গতিশীলতা বাড়াতে ও প্রজনন ক্ষমতা উন্নত করতে সাহায্য করে। আয়রনের উপস্থিতির কারণে এটি চুল পড়া রোধ করে। গর্ভাবস্থায় নিয়মিত খেজুর খেলে রক্তশূন্যতা কম হয়।

অ্যান্টি-অক্সিডেন্টের উৎস: অন্যান্য শুকনা ফলের তুলনায় খেজুরে ফ্ল্যাভোনয়েড, ক্যারোটিনয়েড ও ফেনোলিক অ্যাসিডের ঘনত্ব বেশি। এই উপাদানগুলো শরীরের কোষকে ‘ফ্রি র‍্যাডিক্যাল’জনিত ক্ষতি থেকে বাঁচায়, যা তারুণ্য ধরে রাখতে সাহায্য করে। 

দিনে দুটি খেজুর খেলে তা বিভিন্ন রোগের ঝুঁকি কমায়।

পুষ্টির পাওয়ার হাউস

প্রতি ১০০ গ্রাম খেজুরে প্রায় ২৭৭–৩১৪ ক্যালরি থাকে। এটি আমাদের দৈনন্দিন পটাশিয়ামের চাহিদার ১৫ শতাংশ, ম্যাগনেশিয়ামের ১৩ থেকে ১৪ শতাংশ এবং কপার ও আয়রনের প্রায় ৪০ শতাংশ সরবরাহ করে। এ ছাড়া খেজুরে আছে পর্যাপ্ত ভিটামিন বি৬ এবং শক্তিশালী অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট, যেমন ফ্ল্যাভোনয়েড, ক্যারোটিনয়েড ও ফেনোলিক অ্যাসিড।

রূপালী বাংলাদেশ

Link copied!