× UCB Sticker Card
বৃহস্পতিবার, ০৪ জুন, ২০২৬

ফেসবুক


ইউটিউব


টিকটক

Rupali Bangladesh

ইনস্টাগ্রাম

Rupali Bangladesh

এক্স

Rupali Bangladesh


লিংকডইন

Rupali Bangladesh

পিন্টারেস্ট

Rupali Bangladesh

গুগল নিউজ

Rupali Bangladesh


হোয়াটস অ্যাপ

Rupali Bangladesh

টেলিগ্রাম

Rupali Bangladesh

মেসেঞ্জার গ্রুপ

Rupali Bangladesh


En Bn

ধর্ম ডেস্ক

প্রকাশিত: ফেব্রুয়ারি ২০, ২০২৬, ০৭:২৭ পিএম

যেসব কারণে রোযা ভাঙা যায়

ধর্ম ডেস্ক

প্রকাশিত: ফেব্রুয়ারি ২০, ২০২৬, ০৭:২৭ পিএম

ছবি : সংগৃহীত

ছবি : সংগৃহীত

ইসলামি শরিয়তের মূল উদ্দেশ্য হলো মানুষের কল্যাণ সাধন এবং জীবনযাপনকে সহজ করা। রমজান মাসের রোজা প্রতিটি সুস্থ ও প্রাপ্তবয়স্ক মুমিনের জন্য ফরজ হলেও, বিশেষ কিছু সংকটময় মুহূর্তে মহান আল্লাহ তায়ালা এই বিধানে শিথিলতা দান করেছেন। 

পবিত্র কুরআনে ইরশাদ হয়েছে, ‘আল্লাহ তোমাদের জন্য সহজতা চান এবং তোমাদের জন্য কষ্ট চান না।’ (সুরা বাকারা, আয়াত: ১৮৫)

নিম্নে কুরআন ও সুন্নাহর আলোকে সেই বিশেষ কারণগুলো তুলে ধরা হলো যখন রোজা না রাখা বা ভঙ্গ করা বৈধ।

১. তীব্র অসুস্থতা ও স্বাস্থ্যঝুঁকি

যদি কোনো ব্যক্তি এমন অসুস্থ হয়ে পড়েন যে, রোজা রাখলে তার প্রাণহানি বা অঙ্গহানির শঙ্কা থাকে, অথবা সুস্থ হতে বিলম্ব হওয়ার প্রবল সম্ভাবনা দেখা দেয়, তবে তিনি রোজা ভাঙতে পারবেন। 

অভিজ্ঞ ও দ্বীনদার চিকিৎসকের পরামর্শ এক্ষেত্রে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। পরবর্তীতে সুস্থ হওয়ার পর এই রোজাগুলো ‘কাজা’ করে নিতে হবে।

২. বার্ধক্যজনিত অক্ষমতা

অতিশয় বৃদ্ধ নারী ও পুরুষ, যাদের শরীরে রোজা রাখার মতো নূন্যতম শক্তি অবশিষ্ট নেই এবং ভবিষ্যতে শক্তি ফিরে পাওয়ার সম্ভাবনাও নেই, ইসলাম তাদের ওপর রোজা চাপিয়ে দেয়নি। 

তারা প্রতিটি রোজার পরিবর্তে একজন অভাবী মানুষকে দু-বেলা খাবার (ফিদইয়া) দান করবেন।

৩. গর্ভধারণ ও স্তন্যদানকারী মা

গর্ভবতী বা স্তন্যদানকারী নারী যদি নিজের অথবা তার সন্তানের জীবন বা স্বাস্থ্যের বড় ধরনের ক্ষতির আশঙ্কা করেন, তবে তিনি রোজা ছেড়ে দিতে পারবেন। 

রাসুলুল্লাহ (সা.) স্পষ্টভাবে এ ক্ষেত্রে ছাড় দিয়েছেন (সুনানে নাসায়ি)। তবে পরবর্তী সময়ে সুবিধাজনক সময়ে এই রোজাগুলো কাজা করতে হবে।

৪. শরিয়তসম্মত দীর্ঘ সফর

সফরকালে রোজা রাখা বা না রাখার ব্যাপারে ইসলাম ব্যক্তিকে স্বাধীনতা দিয়েছে। যদি কেউ অন্তত ৪৮ মাইল (প্রায় ৭৮ কি.মি.) দূরত্বের সফরে থাকেন এবং রোজা রাখা তার জন্য কষ্টকর হয়ে দাঁড়ায়, তবে তিনি রোজা ভাঙতে পারবেন। তবে সফর শেষে এই রোজাটি অবশ্যই কাজা করতে হবে।

৫. জীবন রক্ষা ও অনিবার্য বিপদ

মানুষের জীবন বাঁচানো ইসলামের অন্যতম অগ্রাধিকার। যদি কাউকে নিশ্চিত মৃত্যুর হাত থেকে বাঁচাতে হয় (যেমন: অগ্নিকাণ্ড, পানিতে ডুবে যাওয়া বা জরুরি অস্ত্রোপচার) এবং রোজা না ভাঙলে তাকে উদ্ধার করা সম্ভব না হয়, তবে সেই পরিস্থিতিতে রোজা ভঙ্গ করা জায়েজ। 

আবু সাঈদ খুদরি (রা.) বর্ণিত হাদিস অনুযায়ী, শত্রুর মোকাবিলায় শক্তি সঞ্চয়ের প্রয়োজনেও রাসুল (সা.) রোজা ভঙ্গের নির্দেশনা দিয়েছিলেন।

রূপালী বাংলাদেশ

Link copied!