× UCB Sticker Card
বৃহস্পতিবার, ০৪ জুন, ২০২৬

ফেসবুক


ইউটিউব


টিকটক

Rupali Bangladesh

ইনস্টাগ্রাম

Rupali Bangladesh

এক্স

Rupali Bangladesh


লিংকডইন

Rupali Bangladesh

পিন্টারেস্ট

Rupali Bangladesh

গুগল নিউজ

Rupali Bangladesh


হোয়াটস অ্যাপ

Rupali Bangladesh

টেলিগ্রাম

Rupali Bangladesh

মেসেঞ্জার গ্রুপ

Rupali Bangladesh


En Bn

রূপালী ডেস্ক

প্রকাশিত: ফেব্রুয়ারি ৩, ২০২৬, ১২:৫৯ পিএম

শবেবরাতেও আল্লাহ যাদের ক্ষমা করবেন না

রূপালী ডেস্ক

প্রকাশিত: ফেব্রুয়ারি ৩, ২০২৬, ১২:৫৯ পিএম

এ রাতে আল্লাহ তাআলা তার অনুগত বান্দাদের গুনাহগুলো ক্ষমা করে দেন। ছবি : সংগৃহীত

এ রাতে আল্লাহ তাআলা তার অনুগত বান্দাদের গুনাহগুলো ক্ষমা করে দেন। ছবি : সংগৃহীত

শবেবরাতে আল্লাহ তাআলার রহমত, মাগফিরাত ও অনুগ্রহ লাভের এক বিশেষ সুযোগ। এ রাতে আল্লাহ তাআলা তার অনুগত বান্দাদের গুনাহগুলো ক্ষমা করে দেন।

হাদিসের ভাষ্য অনুযায়ী, বান্দা আল্লাহ তাআলার কাছে যা চায়- আল্লাহ তাকে তা দান করেন। কিন্তু এত ব্যাপক ক্ষমা ও দয়ার মধ্যেও কিছু মানুষ রয়েছে, যাদের জন্য এ রাতে ক্ষমার কোনো অংশ থাকে না। যদিও মধ্য শাবানের রাত সম্পর্কে হাদিসে পাকে স্পষ্ট ঘোষণা এসেছে যে, আল্লাহ তাআলা এ রাতে অধিকাংশ বান্দাকে ক্ষমা করে দেন—

অর্ধ শাবানের রাতে সার্বজনিক ক্ষমার ঘোষণা

عن معاذ بن جبل عن النبي صلى الله عليه وسلم قال يطلع الله إلى خلقه في ليلة النصف من شعبان، فيغفر لجميع خلقه إلا لمشرك أو مشاحن

হজরত মুআয ইবনে জাবাল (রা.) বর্ণনা করেছেন, নবিজী (সা.) বলেছেন, ‘অর্ধ শাবানের রাতে আল্লাহ তাআলা তার সৃষ্টির প্রতি দৃষ্টিপাত করেন। অতঃপর শিরককারী ও বিদ্বেষপোষণকারী ছাড়া তার সমগ্র সৃষ্টিকে ক্ষমা করে দেন।’ (ইবনে হিববান ৫৬৬৫, ইবনে মাজাহ ১৩৯০)

হাদিস শরিফে বর্ণিত হয়েছে—

لَا يَغْفِرُ اللَّهُ لَيْلَةَ النِّصْفِ مِنْ شَعْبَانَ إِلَّا لِمُؤْمِنٍ، وَيُمْلِي لِلْكَافِرِينَ، وَيَدَعُ أَهْلَ الْحِقْدِ بِحِقْدِهِمْ، وَيَدَعُ أَهْلَ الزِّنَا بِزِنَاهُمْ، وَأَهْلَ الْخَمْرِ بِخَمْرِهِمْ، وَأَهْلَ الرِّبَا بِرِبَاهُمْ، وَأَهْلَ الْقَطِيعَةِ بِقَطِيعَتِهِمْ

‘মধ্য শাবানের রাতে আল্লাহ তাআলা মুমিন ছাড়া অন্যদের ক্ষমা করেন না। তিনি কাফেরদের অবকাশ দেন এবং বিদ্বেষপোষণকারীদের তাদের বিদ্বেষের ওপর, ব্যভিচারীদের তাদের ব্যভিচারের ওপর, মদ্যপদের তাদের মদের ওপর, সুদখোরদের তাদের সুদের ওপর এবং আত্মীয়তা ছিন্নকারীদের তাদের সম্পর্কচ্ছেদের অবস্থায় ছেড়ে দেন।

হাদিসের আলোকে যেসব শ্রেণির মানুষ শবেবরাতের ক্ষমা থেকে বঞ্চিত থাকে, তারা হলো—

১. জাদুকর (الساحر)

২. মদ্যপ বা নেশাকারী (مدمن الخمر)

৩. ব্যভিচারী (الزاني)

৪. আত্মীয়তার সম্পর্ক ছিন্নকারী (قاطع الرحم)

৫. পিতা-মাতার অবাধ্য সন্তান (عاق الوالدين)

৬. হিংসুক ও সম্পর্কচ্ছেদকারী ব্যক্তি (مشاحن)-বিশেষ করে যে ব্যক্তি তিন দিনের বেশি কোনো মুসলমান ভাইয়ের সঙ্গে কথা বলা বন্ধ রাখে। এ ধরনের লোকদের জন্য এ রাতে ক্ষমা বা কল্যাণের কোনো অংশ থাকে না।

বিশেষ করে মুসনাদে আহমদ–এ বর্ণিত এক হাদিসে এসেছে- হজরত আবদুল্লাহ ইবনে আমর (রা.) থেকে বর্ণিত, রাসুলুল্লাহ (সা.) বলেছেন- ‘১৫ শাবানের রাতে মহান আল্লাহ তাআলা তার সৃষ্টিজীবের প্রতি বিশেষ (রহমতের) দৃষ্টি দেন এবং হিংসুক ও খুনি ছাড়া অন্যান্য বান্দাদের ক্ষমা করে দেন।’ (মুসনাদে আহমদ)

অতএব, শবেবরাত কেবল আনুষ্ঠানিক ইবাদতের রাত নয়; বরং এটি আত্মশুদ্ধি, সম্পর্ক সংশোধন ও গুনাহ পরিত্যাগের রাত। আল্লাহ তাআলা যেন মুসলিম উম্মাহকে উপরোক্ত নিন্দনীয় চরিত্রগুলো থেকে হেফাজত করেন। শবেবরাতের কল্যাণ ও ক্ষমা লাভের উদ্দেশ্যে প্রত্যেককে নিজ নিজ ঘরে নফল ইবাদত-বন্দেগি, তাওবা-ইস্তিগফার, কোরআন তিলাওয়াত ও জিকির-আজকারে রাত জাগরণ করার এবং পরদিন রোজা রাখার তৌফিক দান করেন- এই কামনাই করি। আমিন।

রূপালী বাংলাদেশ

Link copied!