× UCB Sticker Card
বৃহস্পতিবার, ০৪ জুন, ২০২৬

ফেসবুক


ইউটিউব


টিকটক

Rupali Bangladesh

ইনস্টাগ্রাম

Rupali Bangladesh

এক্স

Rupali Bangladesh


লিংকডইন

Rupali Bangladesh

পিন্টারেস্ট

Rupali Bangladesh

গুগল নিউজ

Rupali Bangladesh


হোয়াটস অ্যাপ

Rupali Bangladesh

টেলিগ্রাম

Rupali Bangladesh

মেসেঞ্জার গ্রুপ

Rupali Bangladesh


En Bn

মেহেদী হাসান

প্রকাশিত: সেপ্টেম্বর ২৩, ২০২৪, ০৭:৪১ পিএম

এমপি রণজিত ও তার স্ত্রী হাজার কোটি টাকার মালিক

মেহেদী হাসান

প্রকাশিত: সেপ্টেম্বর ২৩, ২০২৪, ০৭:৪১ পিএম

ছবি সংগূহীত

ছবি সংগূহীত

যশোর-৪ (বাঘারপাড়া-অভয়নগর) আসনের সাবেক সংসদ সদস্য (এমপি) বাবু রণজিত কুমার রায় নির্বাচিত হওয়ার আগে পরিবার নিয়ে একটি টিনের ঘরে। আওয়ামী লীগের টিকিটে এমপি হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন ১৫ বছর। এই লম্বা সময় তিনি দেশের বাইরে পাচার করেছেন শত কোটি টাকা। নিজের ও স্ত্রীর নামে গড়েছেন আরো হাজার কোটি টাকার সম্পদ। বড় ছেলে বাজীব রায়ও বাবার ক্ষমতাকে ব্যবহার করে ভারতে পাচার করেছেন হাজার কোটি টাকা। সেখানে গড়েছেন ৯টি ব্যবসায়ী প্রতিষ্ঠান। পুরোটা সময় জুড়ে করেছেন নিয়োগ ও টেন্ডার-বাণিজ্য, সরকারি বরাদ্দ লুট, জমি দখল, চাঁদাবাজি এবং আধিপত্য বিস্তার।

সূত্র বলছে, সাবেক এমপি রণজিত অপরাধের খবর বিভিন্ন মহলে ছড়িয়েছে একাধিকবার। তিনি যশোর-৪ (বাঘারপাড়া-অভয়নগর) আসনে ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগের তিনবারের এমপি ছিলেন। রণজিতের সহপরিবার দুর্নীতির সঙ্গে যুক্ত থাকার কারেণ চতুর্থবার তাকে মনোনয়ন দেয়নি দলের হাইকমান্ড।

একদিকে এমপি যেমন হাজার হাজার কোটি টাকার সম্পদের মালিক অন্যদিকে কিছু না করেও দেড় দশকে এমপির স্ত্রী নিয়তি রানিও বনে গেছেন কোটিপতি। নির্বাচনী হলফনামা থেকে এসব তথ্য পাওয়া গেলেও তাদের সন্তানদের উন্নতির কোনো তথ্য পাওয়া যায়নি। দলীয় মনোনয়নবঞ্চিত হলেও ব্যক্তিগত উন্নতির ধারা অব্যাহত রাখতে আবারও এমপি হতে চেয়েছিলেন তিনি। তাই দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে স্বতন্ত্র প্রার্থী হয়ে পরাজিত হন নানা অপরাধে অভিযুক্ত এই রণজিত রায়।

সংশ্লিষ্ট সূত্র জানা যায়, ২০০৮ সালের নবম সংসদ নির্বাচনে প্রথমবার সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন রণজিত। তখন থেকে টানা তিনবার সংসদ সদস্য থাকায় তার ভাগ্যবদল হয়। এ সময় তার স্থাবর-অস্থাবর সম্পদ রকেট গতিতে বেড়েছে। সঙ্গে তার স্ত্রী নিয়তি রানিও অর্জন করেছেন অঢেল সম্পদ। এমপি হওয়ার পর থেকে ভারতে বসবাস করতে বেশ পছন্দ করতেন এই দম্পতি।

এদিকে ২০০৮ সালে নির্বাচন কমিশনে জমা দেওয়া হলফনামায় রণজিত কুমার রায় উল্লেখ করেছিলেন স্থাবর-অস্থাবর মিলিয়ে তার স্ত্রী নিয়তি রানির সম্পদের মূল্য ৮৫ হাজার টাকা। দেড় দশক পরের হলফনামায় তিনিই উল্লেখ করেছেন স্ত্রীর সম্পদ বেড়ে দাঁড়িয়েছে দুই কোটি ৭৩ লাখ ৭৫ হাজার ২৯৮ টাকা। এর আগে স্ত্রীর কোনো গাড়ি না থাকলেও বর্তমানে রয়েছে ৫৫ লাখ টাকার একটি প্রাইভেটকার রয়েছে। তবে তার স্ত্রীর বর্তমানেও কোনো আয় নেই। আগেও ছিল না।

আর ২০০৮ সালে রণজিত রায়ের আয় ছিল এক লাখ ৬৭ হাজার টাকা। বর্তমানে তার বার্ষিক আয় ৪২ লাখ ৮৫ হাজার ৭৮৩ টাকা। ২০০৮ সালে স্থাবর-অস্থাবর সম্পদের মূল্য ৪ লাখ ১০ হাজার টাকা। দ্বাদশ নির্বাচনের হলফনামায় তার সম্পদের পরিমাণ দেখানো হয়েছে ৬ কোটি ৯৭ লাখ ৬০ হাজার ৮৬৮ টাকা। এইচএসসি পাস রণজিতের আয়ের উৎস পারিতোষিক, ব্যবসা, কৃষি ও ভাড়া আদায় বলে হলফনামায় উল্লেখ করা হয়েছে।

খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, এমপি রণজিত কুমার রায় ২০০৮ সালে পৈতৃক সূত্রে ৪ বিঘা কৃষি জমির মালিক ছিলেন। পরবর্তীতে তিনি আরও ১২ বিঘা জমির মালিক হয়েছেন। অবাক করা তথ্য হলো মাত্র এক লাখ টাকায় কিনেছেন ১২ বিঘা জমি। সেই হিসাবে প্রতি বিঘা জমির মূল্য দাঁড়ায় মাত্র সাড়ে ৮ হাজার টাকা। 
 

আরবি/এস

Link copied!